আজকের পত্রিকা ডেস্ক

যুক্তরাজ্য সরকার দেশটির নাগরিকদের জরুরি পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। সম্ভাব্য তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ, মহামারি, ইন্টারনেট বিভ্রাট বা চরম আবহাওয়ার মতো বড় ধরনের জাতীয় বিপর্যয়ের প্রেক্ষাপটে এই সতর্কতা দেওয়া হয়েছে। সরকারের নতুন নিরাপত্তা কৌশলে বলা হয়েছে, ‘আমরা এমন এক যুগে প্রবেশ করেছি, যেখানে আমাদের নিরাপত্তার বিরুদ্ধে হুমকি দেওয়া শক্তির সঙ্গে আমাদের সরাসরি মোকাবিলা করতে হতে পারে।’
ইকোনমিক টাইমস জানিয়েছে, নতুন কৌশলের অংশ হিসেবে ব্রিটিশ সরকার পরামর্শ দিয়েছে, পরিবারগুলো যেন একটি নির্দিষ্ট যন্ত্র কিনে রাখে, যার দাম মাত্র ৫ পাউন্ড। যন্ত্রটি হলো ব্যাটারিচালিত অথবা হ্যান্ডেল ঘুরিয়ে চালানো যায় এমন একটি রেডিও। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় এই রেডিওগুলোর জরুরি বার্তা শুনে তথ্য জানার একমাত্র উপায় হতে পারে।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘পাওয়ার কাটের সময় আপডেট পাওয়ার জন্য ব্যাটারিচালিত বা হ্যান্ডআপ রেডিও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। গাড়ির রেডিও ব্যবহার করাও সম্ভব। তবে চরম প্রতিকূলতার সময় ঘরের ভেতর থাকাই নিরাপদ।’
যুক্তরাজ্যের ‘প্রিপেয়ার’ ওয়েবসাইটে আরও কিছু প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ব্যাটারিচালিত টর্চ, মোবাইল চার্জার হিসেবে ব্যবহারের জন্য পোর্টেবল পাওয়ার ব্যাংক, অতিরিক্ত ব্যাটারি, বোতলজাত পানি, টিনজাত খাদ্য এবং শিশুদের জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী মজুত রাখার কথা বলা হয়েছে।
সরকার বলেছে, ‘যদি কয়েক দিনের জন্য বিদ্যুৎ বা পানির সরবরাহ বন্ধ থাকে, কিংবা আপনাকে বাসায় থাকতে বা বাসা ছেড়ে নিরাপদ স্থানে যেতে বলা হয়, সে সময় আপনার পরিবারের কোন কোন জিনিসপত্র দরকার হতে পারে, তা আগেই ভাবা উচিত।’
বিশেষ পরিস্থিতিতে দ্রুত বাসা ছাড়ার প্রয়োজন হলে প্রয়োজনীয় জিনিসগুলো সঙ্গে নিতে সহজে বহনযোগ্য একটি ব্যাগ প্রস্তুত করে রাখার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।
সরকারের এসব প্রস্তুতির লক্ষ্য—জাতীয় প্রতিকূলতার সময় মানুষ যাতে বিভ্রান্ত না হয়, বরং নিরাপদ ও সচেতন থাকেন।
আরও খবর পড়ুন:

যুক্তরাজ্য সরকার দেশটির নাগরিকদের জরুরি পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। সম্ভাব্য তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ, মহামারি, ইন্টারনেট বিভ্রাট বা চরম আবহাওয়ার মতো বড় ধরনের জাতীয় বিপর্যয়ের প্রেক্ষাপটে এই সতর্কতা দেওয়া হয়েছে। সরকারের নতুন নিরাপত্তা কৌশলে বলা হয়েছে, ‘আমরা এমন এক যুগে প্রবেশ করেছি, যেখানে আমাদের নিরাপত্তার বিরুদ্ধে হুমকি দেওয়া শক্তির সঙ্গে আমাদের সরাসরি মোকাবিলা করতে হতে পারে।’
ইকোনমিক টাইমস জানিয়েছে, নতুন কৌশলের অংশ হিসেবে ব্রিটিশ সরকার পরামর্শ দিয়েছে, পরিবারগুলো যেন একটি নির্দিষ্ট যন্ত্র কিনে রাখে, যার দাম মাত্র ৫ পাউন্ড। যন্ত্রটি হলো ব্যাটারিচালিত অথবা হ্যান্ডেল ঘুরিয়ে চালানো যায় এমন একটি রেডিও। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় এই রেডিওগুলোর জরুরি বার্তা শুনে তথ্য জানার একমাত্র উপায় হতে পারে।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘পাওয়ার কাটের সময় আপডেট পাওয়ার জন্য ব্যাটারিচালিত বা হ্যান্ডআপ রেডিও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। গাড়ির রেডিও ব্যবহার করাও সম্ভব। তবে চরম প্রতিকূলতার সময় ঘরের ভেতর থাকাই নিরাপদ।’
যুক্তরাজ্যের ‘প্রিপেয়ার’ ওয়েবসাইটে আরও কিছু প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ব্যাটারিচালিত টর্চ, মোবাইল চার্জার হিসেবে ব্যবহারের জন্য পোর্টেবল পাওয়ার ব্যাংক, অতিরিক্ত ব্যাটারি, বোতলজাত পানি, টিনজাত খাদ্য এবং শিশুদের জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী মজুত রাখার কথা বলা হয়েছে।
সরকার বলেছে, ‘যদি কয়েক দিনের জন্য বিদ্যুৎ বা পানির সরবরাহ বন্ধ থাকে, কিংবা আপনাকে বাসায় থাকতে বা বাসা ছেড়ে নিরাপদ স্থানে যেতে বলা হয়, সে সময় আপনার পরিবারের কোন কোন জিনিসপত্র দরকার হতে পারে, তা আগেই ভাবা উচিত।’
বিশেষ পরিস্থিতিতে দ্রুত বাসা ছাড়ার প্রয়োজন হলে প্রয়োজনীয় জিনিসগুলো সঙ্গে নিতে সহজে বহনযোগ্য একটি ব্যাগ প্রস্তুত করে রাখার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।
সরকারের এসব প্রস্তুতির লক্ষ্য—জাতীয় প্রতিকূলতার সময় মানুষ যাতে বিভ্রান্ত না হয়, বরং নিরাপদ ও সচেতন থাকেন।
আরও খবর পড়ুন:

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৫ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৫ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৮ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৯ ঘণ্টা আগে