আজকের পত্রিকা ডেস্ক

জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তার কথা বলে জব্দ করা মার্কিন মালিকানাধীন একটি টিনজাত খাদ্য কোম্পানির পণ্য চীন এবং উত্তর কোরিয়ায় রপ্তানি করে ক্রমহ্রাসমান বিক্রয় বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছে রাশিয়া। নথিপত্র পর্যালোচনা করে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বরাতে বৃহস্পতিবার এই তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘গ্লাভপ্রডুক্ট’ রাশিয়ার সবচেয়ে বড় ক্যানজাত খাদ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান। এটি প্রতিষ্ঠা করেন যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে বসবাসকারী লিওনিদ স্মিরনভ। ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে রাশিয়া প্রতিষ্ঠানটি বাজেয়াপ্ত করে এবং দাবি করে এটি তাদের জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তার জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
তবে নথিপত্রে দেখা গেছে, বাজেয়াপ্ত হওয়ার পর কোম্পানিটির বিক্রি মারাত্মকভাবে কমে গেছে। আবার উৎপাদন একই মাত্রায় থাকায় পণ্য মজুতের চাপে পড়ে কোম্পানিটি নতুন বাজার খুঁজে বেড়াচ্ছে। স্মিরনভ বলেন, ‘তারা বলেছিল দেশের খাদ্য নিরাপত্তা রক্ষা করতে আমার কোম্পানি নিয়েছে। কিন্তু এখন তারা প্রতারণা করছে।’
স্মিরনভ কোম্পানিটি ফিরে পাওয়ার জন্য আদালতে লড়ছেন। আগামী ১১ জুলাই মস্কোর আরবিট্রেশন কোর্টে পরবর্তী শুনানি নির্ধারিত রয়েছে।
রয়টার্সের পাওয়া কৌশলগত নথিপত্র অনুযায়ী, গ্লাভপ্রডুক্ট-এর রাষ্ট্র-নিয়োগপ্রাপ্ত নতুন ব্যবস্থাপনা গত জুন মাসে উত্তর কোরিয়া, মধ্যপ্রাচ্য এবং চীনে রপ্তানির পরিকল্পনা পেশ করেছে। যদিও চীনে তাদের গত বছরের বিক্রির পরিমাণ ছিল মাত্র ১ শতাংশ।
এই সিদ্ধান্ত রাশিয়ার সাম্প্রতিক বাণিজ্য অঞ্চল পরিবর্তনের প্রতিফলন—যেখানে ইউক্রেন আগ্রাসনের পর দেশটি নিষেধাজ্ঞামুক্ত দেশগুলোর দিকে ঝুঁকেছে। অথচ পুতিন সম্প্রতি বলেছেন, তিনি আমেরিকান কোম্পানিকে আবার রাশিয়ায় স্বাগত জানাতে চান। তবে গ্লাভপ্রডুক্ট-এর এই রপ্তানি উদ্যোগ পুতিনের সেই অবস্থানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক মনে হচ্ছে।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে সম্পর্কও অবনতির দিকে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের চীনা পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় বেইজিং পাল্টা ব্যবস্থা নিয়েছে। সম্প্রতি তারা একটি বাণিজ্য কাঠামোতে সম্মত হলেও আগস্টে আবারও মার্কিন শুল্ক ফিরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
গ্লাভপ্রডুক্ট-এর আর্থিক অবস্থা দ্রুত খারাপ হয়েছে। মাসিকভাবে ক্ষতির মুখে পড়ছে প্রতিষ্ঠানটি। রাশিয়ার কৃষি মন্ত্রণালয় গত মাসে তাদের কাছে বিক্রি কমে যাওয়ার কারণ জানতে চায়।
নথিপত্রে আরও দেখা গেছে—কোম্পানিটি ই-কমার্স বিকাশ, চীনে ট্রেডমার্ক নিবন্ধন এবং আফ্রিকা ও দক্ষিণ এশিয়ায় ক্যানজাত মাছের চাহিদার দিকেও নজর দিচ্ছে।
রাশিয়া ইউক্রেনে আক্রমণের পর অন্তত ডজনখানেক বিদেশি কোম্পানিকে ‘কৌশলগত সম্পদ’ বলে বাজেয়াপ্ত করেছে। এর মধ্যে ডেনিশ কার্লসব্রগ এবং ফরাসি দানোন ইতিমধ্যে রাশিয়ান সরকারের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের কাছে স্বল্পমূল্যে বিক্রি হয়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রসিদ্ধ প্রতিষ্ঠান ‘প্রক্টর অ্যান্ড গ্যাম্বল’ ও ‘পেপসিকোর’ সম্পদ এখনো রাশিয়ায় অবস্থান করছে।
রাশিয়ার আইনজীবীরা গ্লাভপ্রডুক্ট মামলার প্রাথমিক শুনানি জনসম্মুখে না করার জন্যও যুক্তি দেখিয়ে বলেছে, এটি কৌশলগত প্রতিষ্ঠান। এই ঘটনায় রাশিয়া-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক পুনর্গঠনের সম্ভাবনাও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তার কথা বলে জব্দ করা মার্কিন মালিকানাধীন একটি টিনজাত খাদ্য কোম্পানির পণ্য চীন এবং উত্তর কোরিয়ায় রপ্তানি করে ক্রমহ্রাসমান বিক্রয় বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছে রাশিয়া। নথিপত্র পর্যালোচনা করে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বরাতে বৃহস্পতিবার এই তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘গ্লাভপ্রডুক্ট’ রাশিয়ার সবচেয়ে বড় ক্যানজাত খাদ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান। এটি প্রতিষ্ঠা করেন যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে বসবাসকারী লিওনিদ স্মিরনভ। ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে রাশিয়া প্রতিষ্ঠানটি বাজেয়াপ্ত করে এবং দাবি করে এটি তাদের জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তার জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
তবে নথিপত্রে দেখা গেছে, বাজেয়াপ্ত হওয়ার পর কোম্পানিটির বিক্রি মারাত্মকভাবে কমে গেছে। আবার উৎপাদন একই মাত্রায় থাকায় পণ্য মজুতের চাপে পড়ে কোম্পানিটি নতুন বাজার খুঁজে বেড়াচ্ছে। স্মিরনভ বলেন, ‘তারা বলেছিল দেশের খাদ্য নিরাপত্তা রক্ষা করতে আমার কোম্পানি নিয়েছে। কিন্তু এখন তারা প্রতারণা করছে।’
স্মিরনভ কোম্পানিটি ফিরে পাওয়ার জন্য আদালতে লড়ছেন। আগামী ১১ জুলাই মস্কোর আরবিট্রেশন কোর্টে পরবর্তী শুনানি নির্ধারিত রয়েছে।
রয়টার্সের পাওয়া কৌশলগত নথিপত্র অনুযায়ী, গ্লাভপ্রডুক্ট-এর রাষ্ট্র-নিয়োগপ্রাপ্ত নতুন ব্যবস্থাপনা গত জুন মাসে উত্তর কোরিয়া, মধ্যপ্রাচ্য এবং চীনে রপ্তানির পরিকল্পনা পেশ করেছে। যদিও চীনে তাদের গত বছরের বিক্রির পরিমাণ ছিল মাত্র ১ শতাংশ।
এই সিদ্ধান্ত রাশিয়ার সাম্প্রতিক বাণিজ্য অঞ্চল পরিবর্তনের প্রতিফলন—যেখানে ইউক্রেন আগ্রাসনের পর দেশটি নিষেধাজ্ঞামুক্ত দেশগুলোর দিকে ঝুঁকেছে। অথচ পুতিন সম্প্রতি বলেছেন, তিনি আমেরিকান কোম্পানিকে আবার রাশিয়ায় স্বাগত জানাতে চান। তবে গ্লাভপ্রডুক্ট-এর এই রপ্তানি উদ্যোগ পুতিনের সেই অবস্থানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক মনে হচ্ছে।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে সম্পর্কও অবনতির দিকে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের চীনা পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় বেইজিং পাল্টা ব্যবস্থা নিয়েছে। সম্প্রতি তারা একটি বাণিজ্য কাঠামোতে সম্মত হলেও আগস্টে আবারও মার্কিন শুল্ক ফিরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
গ্লাভপ্রডুক্ট-এর আর্থিক অবস্থা দ্রুত খারাপ হয়েছে। মাসিকভাবে ক্ষতির মুখে পড়ছে প্রতিষ্ঠানটি। রাশিয়ার কৃষি মন্ত্রণালয় গত মাসে তাদের কাছে বিক্রি কমে যাওয়ার কারণ জানতে চায়।
নথিপত্রে আরও দেখা গেছে—কোম্পানিটি ই-কমার্স বিকাশ, চীনে ট্রেডমার্ক নিবন্ধন এবং আফ্রিকা ও দক্ষিণ এশিয়ায় ক্যানজাত মাছের চাহিদার দিকেও নজর দিচ্ছে।
রাশিয়া ইউক্রেনে আক্রমণের পর অন্তত ডজনখানেক বিদেশি কোম্পানিকে ‘কৌশলগত সম্পদ’ বলে বাজেয়াপ্ত করেছে। এর মধ্যে ডেনিশ কার্লসব্রগ এবং ফরাসি দানোন ইতিমধ্যে রাশিয়ান সরকারের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের কাছে স্বল্পমূল্যে বিক্রি হয়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রসিদ্ধ প্রতিষ্ঠান ‘প্রক্টর অ্যান্ড গ্যাম্বল’ ও ‘পেপসিকোর’ সম্পদ এখনো রাশিয়ায় অবস্থান করছে।
রাশিয়ার আইনজীবীরা গ্লাভপ্রডুক্ট মামলার প্রাথমিক শুনানি জনসম্মুখে না করার জন্যও যুক্তি দেখিয়ে বলেছে, এটি কৌশলগত প্রতিষ্ঠান। এই ঘটনায় রাশিয়া-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক পুনর্গঠনের সম্ভাবনাও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

মিনেসোটায় মার্কিন সরকারের অভিবাসনবিরোধী অভিযানের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া বিক্ষোভ চরম আকার ধারণ করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আলাস্কাভিত্তিক সেনাবাহিনীর ১১তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের দুটি পদাতিক ব্যাটালিয়নকে ‘প্রিপেয়ার-টু-ডিপ্লয়’ বা মোতায়েনের জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
রয়টার্স নয়াদিল্লির একটি জ্যেষ্ঠ সরকারি সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, ভারতকে এই বৈশ্বিক শান্তি উদ্যোগের অংশ হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে ভারত এই জোটে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেবে কি না, তা নিয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা প্রতিক্রিয়া জানায়নি দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
২ ঘণ্টা আগে
গ্রিনল্যান্ড দখলে বাধা দেওয়ায় ইউরোপের আটটি দেশের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের এই পদক্ষেপের জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
৬ ঘণ্টা আগে
চীনের প্রস্তাবিত এই দূতাবাস হবে ইউরোপে তাদের বৃহত্তম কূটনৈতিক মিশন। তবে এই প্রকল্পের নকশা নিয়ে নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ রয়েছে। ২০ হাজার বর্গমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত এই কমপ্লেক্স লন্ডনের প্রধান আর্থিক কেন্দ্র ও গুরুত্বপূর্ণ ডেটা কেব্লের খুব কাছে অবস্থিত। বিরোধীদের দাবি, এটি কেবল
৮ ঘণ্টা আগে