
ইউক্রেনের আকাশসীমাকে উড্ডয়ন নিষিদ্ধ এলাকা বা নো ফ্লাই জোন ঘোষণা করতে ন্যাটোর কাছে আবেদন করেছিল ইউক্রেন। কিন্তু ন্যাটো সেই আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। গতকাল শুক্রবার ব্রাসেলসে বৈঠকের পর ন্যাটো তাদের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে। ন্যাটোর এমন সিদ্ধান্তে ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য ইনডিপেনডেন্ট এ তথ্য জানিয়েছে।
জেলেনস্কি গত রাতে এক ভাষণে বলেন, ‘আজ ইউক্রেনে যারা মারা যাচ্ছে, তারা আপনাদের কারণে, আপনাদের দুর্বলতার কারণে, আপনাদের ঐক্যের অভাবের কারণে মারা যাচ্ছে।’
গতকাল বৈঠকের পর ন্যাটোর মহাসচিব জেনস স্টলটেনবার্গ বলেন, ‘রাশিয়ার হামলা থেকে ইউক্রেনকে রক্ষা করতে গেলে ন্যাটো বাহিনীকে রুশ বিমান ভূপাতিত করতে হবে। আর এটা করতে গেলে পুরো ইউরোপে যুদ্ধ লেগে যেতে পারে। তখন অনেক দেশ যুক্ত হবে এই যুদ্ধে। ন্যাটো এই সংঘাতের অংশ হতে রাজি নয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হচ্ছে যুদ্ধ বন্ধ করা। এই যুদ্ধ যদি দীর্ঘস্থায়ী হয়, তাহলে ব্যাপক বিধ্বংসী পরিণাম নেমে আসবে। এতে মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়বে।’
ন্যাটো মহাসচিবের এই বক্তব্যের পর গতকাল রাতে টেলিভিশনে ভাষণ দেন জেলেনস্কি। তিনি বলেন, ‘ন্যাটো আজ একটি ব্যর্থ সম্মেলন করল। অত্যন্ত দুর্বল সম্মেলন এটি। আজ তারা নো ফ্লাই জোন ঘোষণার প্রস্তাব নাকচ করে দিয়ে ইউক্রেনের শহর ও গ্রামগুলোতে আরও বেশি বোমা হামলার সবুজ সংকেত দিয়ে দিল।’
এখন থেকে ইউক্রেনের যত মানুষ মারা যাবে, তার দায় ন্যাটোকে নিতে হবে বলেও মন্তব্য করেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। তিনি বলেন, ‘আমরা আলোর যোদ্ধা। ইউরোপের ইতিহাস আমাদের চিরকাল মনে রাখবে।’

ইউক্রেনের আকাশসীমাকে উড্ডয়ন নিষিদ্ধ এলাকা বা নো ফ্লাই জোন ঘোষণা করতে ন্যাটোর কাছে আবেদন করেছিল ইউক্রেন। কিন্তু ন্যাটো সেই আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। গতকাল শুক্রবার ব্রাসেলসে বৈঠকের পর ন্যাটো তাদের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে। ন্যাটোর এমন সিদ্ধান্তে ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য ইনডিপেনডেন্ট এ তথ্য জানিয়েছে।
জেলেনস্কি গত রাতে এক ভাষণে বলেন, ‘আজ ইউক্রেনে যারা মারা যাচ্ছে, তারা আপনাদের কারণে, আপনাদের দুর্বলতার কারণে, আপনাদের ঐক্যের অভাবের কারণে মারা যাচ্ছে।’
গতকাল বৈঠকের পর ন্যাটোর মহাসচিব জেনস স্টলটেনবার্গ বলেন, ‘রাশিয়ার হামলা থেকে ইউক্রেনকে রক্ষা করতে গেলে ন্যাটো বাহিনীকে রুশ বিমান ভূপাতিত করতে হবে। আর এটা করতে গেলে পুরো ইউরোপে যুদ্ধ লেগে যেতে পারে। তখন অনেক দেশ যুক্ত হবে এই যুদ্ধে। ন্যাটো এই সংঘাতের অংশ হতে রাজি নয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হচ্ছে যুদ্ধ বন্ধ করা। এই যুদ্ধ যদি দীর্ঘস্থায়ী হয়, তাহলে ব্যাপক বিধ্বংসী পরিণাম নেমে আসবে। এতে মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়বে।’
ন্যাটো মহাসচিবের এই বক্তব্যের পর গতকাল রাতে টেলিভিশনে ভাষণ দেন জেলেনস্কি। তিনি বলেন, ‘ন্যাটো আজ একটি ব্যর্থ সম্মেলন করল। অত্যন্ত দুর্বল সম্মেলন এটি। আজ তারা নো ফ্লাই জোন ঘোষণার প্রস্তাব নাকচ করে দিয়ে ইউক্রেনের শহর ও গ্রামগুলোতে আরও বেশি বোমা হামলার সবুজ সংকেত দিয়ে দিল।’
এখন থেকে ইউক্রেনের যত মানুষ মারা যাবে, তার দায় ন্যাটোকে নিতে হবে বলেও মন্তব্য করেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। তিনি বলেন, ‘আমরা আলোর যোদ্ধা। ইউরোপের ইতিহাস আমাদের চিরকাল মনে রাখবে।’

ইরান সরকার যদি বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি দিতে শুরু করে, তাহলে ‘অত্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা’ নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই হুমকির পর মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটিগুলো থেকে সেনা সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন হামলার আশঙ্কায় সতর্ক অবস্থান নিয়েছে ইরান।
৮ ঘণ্টা আগে
ইউক্রেনের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো ফেদোরভ জানিয়েছেন, দেশটির সেনাবাহিনীতে প্রায় দুই লাখ সেনা অনুমতি ছাড়াই নিজ নিজ অবস্থান ত্যাগ করেছেন। পাশাপাশি সামরিক আইন এড়ানোর অভিযোগে প্রায় ২০ লাখ ইউক্রেনীয় নাগরিক বর্তমানে ‘ওয়ান্টেড’ হিসেবে তালিকাভুক্ত।
৮ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য সব ধরনের মার্কিন ভিসা প্রক্রিয়াকরণ স্থগিত করতে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন মুখপাত্রের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর দিয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থা এমআইটি সম্প্রতি ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীকে (আইআরজিসি) এ বিষয়ে সতর্ক করেছে। ইতিমধ্যে সীমান্ত এলাকায় কুর্দি যোদ্ধাদের সঙ্গে ইরানি বাহিনীর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের খবরও পাওয়া গেছে।
১০ ঘণ্টা আগে