
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ভাড়াটে যোদ্ধা বাহিনী ভাগনারের ক্ষণস্থায়ী বিদ্রোহ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছাড়াও আরও কিছু দেশের প্রধানের সঙ্গে কথা বলেছেন ভলোদিমির জেলেনস্কি। তাঁদের মধ্যে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোও আছেন।
জো বাইডেনের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে বলে জেলেনস্কি জানিয়েছেন। গতকাল রোববার একাধিক দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে ভাগনার বিদ্রোহ নিয়ে তাঁর আলোচনা হয়েছে। তাঁর মতে, রাশিয়ার এই পরিস্থিতি প্রমাণ করে, পুতিনের জনপ্রিয়তা কমছে।
জেলেনস্কি টুইটারে জানান, বাইডেনের আগে পোল্যান্ডের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গেও কথা হয়েছে।
জেলেনস্কি বলেছেন, সবার সঙ্গেই রাশিয়ার সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা হয়েছে তাঁর। ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করতে এই বিদ্রোহ সহায়তা করবে কি না, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কয়েক দিনের মধ্যেই ন্যাটোর বৈঠক শুরু হবে। সেখানে এই বিষয়গুলো যাতে আলোচনায় আসে, সে কারণেই এদিন সকলকে আলাদা করে ফোন করেন তিনি।
যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, গত এক বছরে শুধু যুক্তরাজ্য ১৭ হাজার ইউক্রেনের সেনাকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে। পাঁচ সপ্তাহের এই গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণের নাম দেওয়া হয়েছিল ‘অপারেশন ইন্টারফেস’।
কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ফিনল্যান্ড, নরওয়ে, নিউজিল্যান্ড, সুইডেন, ডেনমার্ক, লিথুনিয়ার মতো দেশ এই প্রশিক্ষণে যুক্তরাজ্যকে সাহায্য করেছে বলে জানানো হয়েছে।
ইউক্রেনের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সাধারণ মানুষ এই সেনা প্রশিক্ষণ নিতে এসেছিলেন। তাঁরা সকলেই দেশের জন্য লড়তে চান। পাঁচ সপ্তাহে তাঁরা অনেকটাই প্রশিক্ষণ পেয়েছেন।
এদিকে সোমবারই লুক্সেমবার্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বৈঠকে বসছেন। ইউক্রেনকে কীভাবে সাহায্য করা হবে, সামরিক দিক থেকে আর কী কী সাহায্য দেওয়া প্রয়োজন, এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানা গেছে।
ইউক্রেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী সতর্ক করে বলেছেন, ইউক্রেন নয়, রাশিয়া এবার নিজের সমস্যার দিকে মন দিক। নিজের জনগণকে সামলাক। দেশের ভিতর বিদ্রোহের আগুন বন্ধ করুক।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ভাড়াটে যোদ্ধা বাহিনী ভাগনারের ক্ষণস্থায়ী বিদ্রোহ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছাড়াও আরও কিছু দেশের প্রধানের সঙ্গে কথা বলেছেন ভলোদিমির জেলেনস্কি। তাঁদের মধ্যে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোও আছেন।
জো বাইডেনের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে বলে জেলেনস্কি জানিয়েছেন। গতকাল রোববার একাধিক দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে ভাগনার বিদ্রোহ নিয়ে তাঁর আলোচনা হয়েছে। তাঁর মতে, রাশিয়ার এই পরিস্থিতি প্রমাণ করে, পুতিনের জনপ্রিয়তা কমছে।
জেলেনস্কি টুইটারে জানান, বাইডেনের আগে পোল্যান্ডের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গেও কথা হয়েছে।
জেলেনস্কি বলেছেন, সবার সঙ্গেই রাশিয়ার সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা হয়েছে তাঁর। ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করতে এই বিদ্রোহ সহায়তা করবে কি না, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কয়েক দিনের মধ্যেই ন্যাটোর বৈঠক শুরু হবে। সেখানে এই বিষয়গুলো যাতে আলোচনায় আসে, সে কারণেই এদিন সকলকে আলাদা করে ফোন করেন তিনি।
যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, গত এক বছরে শুধু যুক্তরাজ্য ১৭ হাজার ইউক্রেনের সেনাকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে। পাঁচ সপ্তাহের এই গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণের নাম দেওয়া হয়েছিল ‘অপারেশন ইন্টারফেস’।
কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ফিনল্যান্ড, নরওয়ে, নিউজিল্যান্ড, সুইডেন, ডেনমার্ক, লিথুনিয়ার মতো দেশ এই প্রশিক্ষণে যুক্তরাজ্যকে সাহায্য করেছে বলে জানানো হয়েছে।
ইউক্রেনের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সাধারণ মানুষ এই সেনা প্রশিক্ষণ নিতে এসেছিলেন। তাঁরা সকলেই দেশের জন্য লড়তে চান। পাঁচ সপ্তাহে তাঁরা অনেকটাই প্রশিক্ষণ পেয়েছেন।
এদিকে সোমবারই লুক্সেমবার্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বৈঠকে বসছেন। ইউক্রেনকে কীভাবে সাহায্য করা হবে, সামরিক দিক থেকে আর কী কী সাহায্য দেওয়া প্রয়োজন, এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানা গেছে।
ইউক্রেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী সতর্ক করে বলেছেন, ইউক্রেন নয়, রাশিয়া এবার নিজের সমস্যার দিকে মন দিক। নিজের জনগণকে সামলাক। দেশের ভিতর বিদ্রোহের আগুন বন্ধ করুক।

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৮ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৮ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
১১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
১১ ঘণ্টা আগে