
নিজেদের মধ্যে আবারও যুদ্ধবন্দী বিনিময় করল রাশিয়া ও ইউক্রেন। এবার দুপক্ষ থেকে ১০৩ জন করে মোট ২০৬ জনকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। গতবারের মতো এবারও যুদ্ধরত দুই দেশের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করেছে মধ্যপ্রাচ্যের ক্ষমতাধর ও উন্নত দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত।
আজ শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কুরস্ক অঞ্চল থেকে বন্দী হওয়া রাশিয়ার ১০৩ জন সেনাসদস্যকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। তাঁদের মুক্তির বিনিময়ে ১০৩ জন ইউক্রেনীয় সৈন্যকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, ‘আমরা সফলভাবে রাশিয়ার বন্দিদশা থেকে ইউক্রেনে আরও ১০৩ জন যোদ্ধাকে ফিরিয়ে এনেছি।’
তিনি বলেন, মুক্তিপ্রাপ্ত ইউক্রেনীয়দের মধ্যে ৮২ জন প্রাইভেট ও সার্জেন্ট এবং ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনী, ইউক্রেনের ন্যাশনাল গার্ড, সীমান্তরক্ষী ও পুলিশের ২১ জন কর্মকর্তা রয়েছেন।
এ নিয়ে ২০২২ সালে যুদ্ধ শুরুর পর অষ্টমবারের মতো রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে এই ধরনের যুদ্ধবন্দী বিনিময়ে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করল আরব আমিরাত। শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বিষয়টি জানিয়েছে উপসাগরীয় দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
এর আগে গত আগস্টে প্রত্যেক পক্ষ থেকে ১১৫ জন যুদ্ধবন্দী বিনিময় করেছিল রাশিয়া ও ইউক্রেন। সেবারও মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। শনিবার আরব আমিরাত জানিয়েছে, তাদের মধ্যস্থতা প্রচেষ্টায় এখন পর্যন্ত মোট ১ হাজার ৯৯৪ জন যুদ্ধবন্দী মুক্তি পেয়েছেন।

অথচ গতকাল মঙ্গলবার রাতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছিলেন, ‘অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে জানাচ্ছি, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র তাদের মিত্রদের নিয়ে লেবাননসহ সব স্থানে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে সম্মত হয়েছে।’
১ ঘণ্টা আগে
সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলের বেশ কিছু স্থানে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের খবর পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। এই পরিস্থিতিতে শান্তিপ্রক্রিয়া বজায় রাখতে সব পক্ষকে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত দুই সপ্তাহের ‘যুদ্ধবিরতি’ কার্যকর হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তা বড় ধরনের অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলার প্রতিবাদে ইরান পুনরায় কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলবাহী ট্যাংকার চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে। ইরানের আধা সরকারি বার্তা..
২ ঘণ্টা আগে
ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ায় সৌদি আরব তাদের তেলের খনিগুলো থেকে লোহিতসাগরের ইয়ানবু বন্দর পর্যন্ত তেল পরিবহনে পাইপলাইনটি ব্যবহার করছিল। সংশ্লিষ্ট শিল্প খাতের একটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, বুধবারের এই হামলায় পাইপলাইনের প্রবাহ ব্যাহত হতে পারে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো জানা যায়নি।
৩ ঘণ্টা আগে