
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ভলোদিমির জেলেনস্কির মেয়াদ গত বছর শেষ হয়েছে। তবে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যে দেশটিতে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করা সম্ভব হয়নি। কারণ মার্শাল আইন চলাকালে প্রেসিডেন্ট ও পার্লামেন্টারি নির্বাচনের নিয়ম নেই। এ কারণে ৫ বছরের মেয়াদ শেষেও জেলেনস্কি এখনো দেশটির প্রেসিডেন্ট। যুদ্ধ চলাকালে নির্বাচন হোক, চান না তিনি। এদিকে যুক্তরাষ্ট্র চায়, ইউক্রেন যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে তারপর নির্বাচন আয়োজন করুক।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইউক্রেন বিষয়ক কর্মকর্তা কিথ কেলগ বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, আসন্ন মাসগুলোর মধ্যে রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে গিয়ে তারপর এ বছরের শেষে নির্বাচন আয়োজন করতে পারে ইউক্রেন।
কেলগ বলেন, ‘ইউক্রেনের নির্বাচন যুদ্ধের কারণে স্থগিত ছিল। সেটি এখন সম্পন্ন করা জরুরি। বেশিরভাগ গণতান্ত্রিক দেশ যুদ্ধকালেও নির্বাচন আয়োজন করে। আমি মনে করি এটি গুরুত্বপূর্ণ।’
ট্রাম্প প্রশাসনের দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান ঘটাতে একটি চুক্তির পরিকল্পনা করছেন কেলগ ও ট্রাম্প। তবে এখনো পর্যন্ত পরিকল্পনার বিস্তারিত ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি বা এটি কখন প্রকাশ করা হবে তাও জানাননি ট্রাম্পের ইউক্রেন ও রাশিয়া বিষয়ক বিশেষ দূত।
এক সাবেক মার্কিন কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, ইউক্রেনে নির্বাচনের বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের পরিকল্পনা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তবে ইউক্রেনকে রাশিয়ার সঙ্গে প্রাথমিক যুদ্ধবিরতির অংশ হিসেবে নির্বাচন আয়োজনে রাজি করাতে কিথ কেলগ ও হোয়াইট হাউসের অন্যান্য কর্মকর্তারা আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন।
ট্রাম্প প্রশাসনের আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, যুক্তরাষ্ট্র একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করার পর দীর্ঘমেয়াদী চুক্তির জন্য কাজ করবে কি না, তা নিয়েও আলোচনা চলছে। যুক্তরাষ্ট্র মনে করছে, ইউক্রেনে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে নবনির্বাচিত নেতা মস্কোর সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদী শান্তিচুক্তি নিয়ে আলোচনার দায়িত্ব নিতে পারেন।
তবে ট্রাম্পের এই প্রস্তাব কিয়েভে কীভাবে গ্রহণ করা হবে তা স্পষ্ট নয়। কেন না জেলেনস্কি এখন নির্বাচনের পক্ষে নয়। তিনি বলেন, যতক্ষণ না যুদ্ধ থামে এবং রাশিয়া থেকে হামলার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে শক্তিশালী নিরাপত্তার নিশ্চয়তা না পাওয়া যায়, ততক্ষণ পর্যন্ত ইউক্রেন নির্বাচন করতে প্রস্তুত নয়।’
কিয়েভের একজন সিনিয়র উপদেষ্টা ও একটি ইউক্রেনের সরকারি সূত্র জানিয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন এখনো ইউক্রেনকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বছরের মধ্যে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করতে বলেনি।
দুই সাবেক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গত ২ বছরে বাইডেন প্রশাসন জেলেনস্কির দপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে নির্বাচন প্রসঙ্গে আলোচনা করেছে। তবে কিয়েভের কর্মকর্তারা ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনা করার সময় নির্বাচন আয়োজনের পক্ষে মত দেয়নি। তারা মনে করছেন, ইউক্রেনের ইতিহাসের এমন একটি অস্থিতিশীল মুহূর্তে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে তা ইউক্রেনের নেতাদের মধ্যে বিভেদ তৈরি করতে পারে এবং রাশিয়ার প্রভাব সৃষ্টির আশঙ্কা তৈরি হতে পারে।
যুদ্ধবিরতি ও ইউক্রেনের নির্বাচনের তথ্য প্রসঙ্গে রুশ সরকারের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেছেন, ‘আমাদের কাছে ওই তথ্য নেই।’
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেন, নতুন নির্বাচনী ম্যান্ডেট না থাকায় তিনি জেলেনস্কিকে বৈধ নেতা মনে করেন না। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট হিসেবে তাঁর কোনো আইনি অধিকার নেই যাতে তিনি রাশিয়ার সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তির জন্য বাধ্যতামূলক কোনো নথিতে সই করতে পারেন।
পুতিন আরও বলেন, জেলেনস্কি এখনো আলোচনায় অংশ নিতে পারেন। তবে তাঁকে প্রথমে ২০২২ সালের সেই আদেশ বাতিল করতে হবে যেখানে তিনি বলেছিলেন, পুতিন ক্ষমতায় থাকলে রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনার সুযোগ থাকবে না।
পুতিনের এই মন্তব্য প্রসঙ্গে ইউক্রেনের সরকারি সূত্র দাবি করছে, ভবিষ্যৎ আলোচনা ব্যাহত করতে পুতিন নির্বাচনি ইস্যুকে মিথ্যা অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করছেন। তিনি একটি ফাঁদ তৈরি করছেন, দাবি করছেন যে ইউক্রেন যদি নির্বাচন না করে, তবে তিনি পরে যে কোনো চুক্তি ভঙ্গ করতে পারেন।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ভলোদিমির জেলেনস্কির মেয়াদ গত বছর শেষ হয়েছে। তবে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যে দেশটিতে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করা সম্ভব হয়নি। কারণ মার্শাল আইন চলাকালে প্রেসিডেন্ট ও পার্লামেন্টারি নির্বাচনের নিয়ম নেই। এ কারণে ৫ বছরের মেয়াদ শেষেও জেলেনস্কি এখনো দেশটির প্রেসিডেন্ট। যুদ্ধ চলাকালে নির্বাচন হোক, চান না তিনি। এদিকে যুক্তরাষ্ট্র চায়, ইউক্রেন যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে তারপর নির্বাচন আয়োজন করুক।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইউক্রেন বিষয়ক কর্মকর্তা কিথ কেলগ বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, আসন্ন মাসগুলোর মধ্যে রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে গিয়ে তারপর এ বছরের শেষে নির্বাচন আয়োজন করতে পারে ইউক্রেন।
কেলগ বলেন, ‘ইউক্রেনের নির্বাচন যুদ্ধের কারণে স্থগিত ছিল। সেটি এখন সম্পন্ন করা জরুরি। বেশিরভাগ গণতান্ত্রিক দেশ যুদ্ধকালেও নির্বাচন আয়োজন করে। আমি মনে করি এটি গুরুত্বপূর্ণ।’
ট্রাম্প প্রশাসনের দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান ঘটাতে একটি চুক্তির পরিকল্পনা করছেন কেলগ ও ট্রাম্প। তবে এখনো পর্যন্ত পরিকল্পনার বিস্তারিত ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি বা এটি কখন প্রকাশ করা হবে তাও জানাননি ট্রাম্পের ইউক্রেন ও রাশিয়া বিষয়ক বিশেষ দূত।
এক সাবেক মার্কিন কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, ইউক্রেনে নির্বাচনের বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের পরিকল্পনা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তবে ইউক্রেনকে রাশিয়ার সঙ্গে প্রাথমিক যুদ্ধবিরতির অংশ হিসেবে নির্বাচন আয়োজনে রাজি করাতে কিথ কেলগ ও হোয়াইট হাউসের অন্যান্য কর্মকর্তারা আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন।
ট্রাম্প প্রশাসনের আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, যুক্তরাষ্ট্র একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করার পর দীর্ঘমেয়াদী চুক্তির জন্য কাজ করবে কি না, তা নিয়েও আলোচনা চলছে। যুক্তরাষ্ট্র মনে করছে, ইউক্রেনে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে নবনির্বাচিত নেতা মস্কোর সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদী শান্তিচুক্তি নিয়ে আলোচনার দায়িত্ব নিতে পারেন।
তবে ট্রাম্পের এই প্রস্তাব কিয়েভে কীভাবে গ্রহণ করা হবে তা স্পষ্ট নয়। কেন না জেলেনস্কি এখন নির্বাচনের পক্ষে নয়। তিনি বলেন, যতক্ষণ না যুদ্ধ থামে এবং রাশিয়া থেকে হামলার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে শক্তিশালী নিরাপত্তার নিশ্চয়তা না পাওয়া যায়, ততক্ষণ পর্যন্ত ইউক্রেন নির্বাচন করতে প্রস্তুত নয়।’
কিয়েভের একজন সিনিয়র উপদেষ্টা ও একটি ইউক্রেনের সরকারি সূত্র জানিয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন এখনো ইউক্রেনকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বছরের মধ্যে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করতে বলেনি।
দুই সাবেক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গত ২ বছরে বাইডেন প্রশাসন জেলেনস্কির দপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে নির্বাচন প্রসঙ্গে আলোচনা করেছে। তবে কিয়েভের কর্মকর্তারা ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনা করার সময় নির্বাচন আয়োজনের পক্ষে মত দেয়নি। তারা মনে করছেন, ইউক্রেনের ইতিহাসের এমন একটি অস্থিতিশীল মুহূর্তে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে তা ইউক্রেনের নেতাদের মধ্যে বিভেদ তৈরি করতে পারে এবং রাশিয়ার প্রভাব সৃষ্টির আশঙ্কা তৈরি হতে পারে।
যুদ্ধবিরতি ও ইউক্রেনের নির্বাচনের তথ্য প্রসঙ্গে রুশ সরকারের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেছেন, ‘আমাদের কাছে ওই তথ্য নেই।’
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেন, নতুন নির্বাচনী ম্যান্ডেট না থাকায় তিনি জেলেনস্কিকে বৈধ নেতা মনে করেন না। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট হিসেবে তাঁর কোনো আইনি অধিকার নেই যাতে তিনি রাশিয়ার সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তির জন্য বাধ্যতামূলক কোনো নথিতে সই করতে পারেন।
পুতিন আরও বলেন, জেলেনস্কি এখনো আলোচনায় অংশ নিতে পারেন। তবে তাঁকে প্রথমে ২০২২ সালের সেই আদেশ বাতিল করতে হবে যেখানে তিনি বলেছিলেন, পুতিন ক্ষমতায় থাকলে রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনার সুযোগ থাকবে না।
পুতিনের এই মন্তব্য প্রসঙ্গে ইউক্রেনের সরকারি সূত্র দাবি করছে, ভবিষ্যৎ আলোচনা ব্যাহত করতে পুতিন নির্বাচনি ইস্যুকে মিথ্যা অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করছেন। তিনি একটি ফাঁদ তৈরি করছেন, দাবি করছেন যে ইউক্রেন যদি নির্বাচন না করে, তবে তিনি পরে যে কোনো চুক্তি ভঙ্গ করতে পারেন।

সিরিয়া সরকার ও কুর্দি পরিচলিত সিরিয়ান ডেমোক্র্যাটিক ফোর্সেসের (এসডিএফ) মধ্যে আবার উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। কয়েকদিন আগেই তাদের মধ্যে যুদ্ধবিরতির চুক্তি হয়েছিল, সেটি ফের ভেস্তে গেল। এই চুক্তির আওতায় ফোরাত নদীর পশ্চিমাঞ্চল থেকে এসডিএফ বাহিনী সরিয়ে নেওয়ার কথা ছিল।
৯ মিনিট আগে
আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের অত্যন্ত সুরক্ষিত এলাকায় চীনাদের পরিচালিত একটি রেস্তোরাঁয় গতকাল সোমবারের বোমা হামলায় ইসলামিক স্টেটের (আইএস) আফগান শাখা দায় স্বীকার করেছে। এই বিস্ফোরণে সাতজন নিহত এবং এক ডজনেরও বেশি আহত হয়েছে।
৩৮ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফরাসি মদ ও শ্যাম্পেনের ওপর ২০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন। বিশ্বজুড়ে সংঘাত নিরসনের লক্ষ্যে তাঁর প্রস্তাবিত বোর্ড অব পিস বা শান্তি পরিষদে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ যোগ দিতে চাপ দিতেই এই হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে, ফরাসি
৪ ঘণ্টা আগে
সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইয়েমেনের বন্দরনগরী মুকাল্লার কাছে এক বিমানঘাঁটিতে বিস্ফোরক মজুত করেছে এবং সেখানে একটি গোপন ভূগর্ভস্থ বন্দিশালা পরিচালনা করছে, এমন অভিযোগ করেছেন ইয়েমেন সরকারের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।
৬ ঘণ্টা আগে