
ইউক্রেন সরকারই রুশ সাংবাদিক দারিয়া দুগিনাকে হত্যা করেছে বলে বিশ্বাস করে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইউক্রেনের সরকারের একাংশের নির্দেশেই এ হত্যাকাণ্ড পরিচালনা করা হয়েছিল। স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তদন্ত বিষয়ক তথ্য গোপন রাখা ও স্পর্শকাতর কূটনীতির স্বার্থে ঠিক কারা এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিল কিংবা ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি আদৌ এ হত্যাকাণ্ডে অনুমতি দিয়েছিলেন কিনা সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে না।
গত ২০ আগস্ট রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ঘনিষ্ঠ মিত্র এবং তাঁর পরামর্শদাতা বলে পরিচিত আলেকজান্দর দুগিনের মেয়ে দারিয়া দুগিনাকে হত্যা করা হয়। ২৯ বছর বয়সী এই নারী একটি রুশ জাতীয়তাবাদী টিভি চ্যানেলের ভাষ্যকার ছিলেন। তাঁর গাড়িতে রাখা বোমা বিস্ফোরণে তিনি মারা যান। সে সময় রাশিয়া জানিয়েছিল, ‘বিশেষ কারণে’ দারিয়াকে হত্যা করা হয়েছে এবং এ জন্য ইউক্রেনই দায়ী। দারিয়া দুগিনার হত্যাকাণ্ডের বদলা নেওয়ারও ঘোষণা দেয় রাশিয়া।
অবশ্য সেসময় এ হত্যাকাণ্ডে ইউক্রেন সরকার তাদের জড়িত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করেছে। মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়নের কথা জানতে চাওয়া হলে জেলেনস্কির উপদেষ্টা মিখাইলো পোদোলিয়াক আবারও ওই হত্যাকাণ্ডে তাদের যুক্ত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেন। নিউইয়র্ক টাইমসকে তিনি বলেন, ‘আমি আবারও বলব, এক দেশের সঙ্গে আরেক দেশের মধ্যে যুদ্ধে সময়ে যেকোনো হত্যাকাণ্ডের পেছনে কিছু বাস্তবিক তাৎপর্য থাকে। সেখানে কিছু সুনির্দিষ্ট কৌশলগত লক্ষ্য থাকে। দুগিনার মতো কাউকে হত্যা করা কোনো কৌশলগত লক্ষ্য হতে পারে না।’
তবে মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন, ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনী, সিকিউরিটি সার্ভিসেস এবং জেলেনস্কির অফিসসহ ইউক্রেনে ক্ষমতাসীন সরকারের প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীর ক্ষমতা কেন্দ্রগুলোর বিষয়ে তাদের কাছে কোনো পরিপূর্ণ চিত্র নেই। কাজেই ওই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যে ইউক্রেন সরকারের একাংশ যুক্ত নয় তা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

ইউক্রেন সরকারই রুশ সাংবাদিক দারিয়া দুগিনাকে হত্যা করেছে বলে বিশ্বাস করে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইউক্রেনের সরকারের একাংশের নির্দেশেই এ হত্যাকাণ্ড পরিচালনা করা হয়েছিল। স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তদন্ত বিষয়ক তথ্য গোপন রাখা ও স্পর্শকাতর কূটনীতির স্বার্থে ঠিক কারা এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিল কিংবা ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি আদৌ এ হত্যাকাণ্ডে অনুমতি দিয়েছিলেন কিনা সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে না।
গত ২০ আগস্ট রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ঘনিষ্ঠ মিত্র এবং তাঁর পরামর্শদাতা বলে পরিচিত আলেকজান্দর দুগিনের মেয়ে দারিয়া দুগিনাকে হত্যা করা হয়। ২৯ বছর বয়সী এই নারী একটি রুশ জাতীয়তাবাদী টিভি চ্যানেলের ভাষ্যকার ছিলেন। তাঁর গাড়িতে রাখা বোমা বিস্ফোরণে তিনি মারা যান। সে সময় রাশিয়া জানিয়েছিল, ‘বিশেষ কারণে’ দারিয়াকে হত্যা করা হয়েছে এবং এ জন্য ইউক্রেনই দায়ী। দারিয়া দুগিনার হত্যাকাণ্ডের বদলা নেওয়ারও ঘোষণা দেয় রাশিয়া।
অবশ্য সেসময় এ হত্যাকাণ্ডে ইউক্রেন সরকার তাদের জড়িত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করেছে। মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়নের কথা জানতে চাওয়া হলে জেলেনস্কির উপদেষ্টা মিখাইলো পোদোলিয়াক আবারও ওই হত্যাকাণ্ডে তাদের যুক্ত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেন। নিউইয়র্ক টাইমসকে তিনি বলেন, ‘আমি আবারও বলব, এক দেশের সঙ্গে আরেক দেশের মধ্যে যুদ্ধে সময়ে যেকোনো হত্যাকাণ্ডের পেছনে কিছু বাস্তবিক তাৎপর্য থাকে। সেখানে কিছু সুনির্দিষ্ট কৌশলগত লক্ষ্য থাকে। দুগিনার মতো কাউকে হত্যা করা কোনো কৌশলগত লক্ষ্য হতে পারে না।’
তবে মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন, ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনী, সিকিউরিটি সার্ভিসেস এবং জেলেনস্কির অফিসসহ ইউক্রেনে ক্ষমতাসীন সরকারের প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীর ক্ষমতা কেন্দ্রগুলোর বিষয়ে তাদের কাছে কোনো পরিপূর্ণ চিত্র নেই। কাজেই ওই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যে ইউক্রেন সরকারের একাংশ যুক্ত নয় তা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

ভারতের কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুতে সপ্তাহখানেক আগে এক নারী সফটওয়্যার প্রকৌশলীর মরদেহ উদ্ধার করা হয় তাঁর ভাড়া বাসায়। উদ্ধারের এক সপ্তাহ পর তদন্তকারীরা চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, যৌন হেনস্তার চেষ্টা প্রতিরোধ করায় ১৮ বছর বয়সী এক তরুণ ওই নারীকে হত্যা করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড প্রস্তাবিত গাজা যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপের জন্য নির্ধারিত হলুদ রেখা আরও গভীরে ঠেলে দিতে চায় ইসরায়েল। উদ্দেশ্য অবরুদ্ধ ছিটমহলটির আরও ভূখণ্ড নিজের কবজায় নেওয়া। এ লক্ষ্যে আগামী মার্চে দখলদার বাহিনী গাজায় ফের আগ্রাসন শুরু করতে চায়।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সংকট সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সরকার বিক্ষোভকারীদের কথা ‘শুনতে প্রস্তুত।’ তবে একই সঙ্গে তিনি জনগণকে সতর্ক করে দিয়েছেন যেন ‘দাঙ্গাকারী’ এবং ‘সন্ত্রাসী উপাদানগুলো’ দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে। খবর আল–জাজিরার।
৩ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানে চলমান বিক্ষোভের প্রতিক্রিয়ায় ওয়াশিংটন দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপসহ ‘কঠোর পদক্ষেপের’ কথা বিবেচনা করছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
৩ ঘণ্টা আগে