রাশিয়ার ওপর চাপ না কমাতে এবং কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা চালিয়ে যেতে জি-৭ দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। সোমবার বার্তা সংস্থা এএফপি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, জার্মানির মিউনিখে জি-৭ সম্মেলন চলছে। তিন দিনের সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে আজ রোববার ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে জি-৭ দেশের নেতাদের সঙ্গে কথা বলেন জেলেনস্কি।
রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহত করতে আরও ভারী অস্ত্র এবং বিমান প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সহায়তা দিতে ফের জি-৭ নেতাদের কাছে আহ্বান জানান তিনি।
জার্মানিতে সমবেত জি-৭ নেতাদের উদ্দেশ্যে জেলেনস্কি বলেন, তিনি চান শীত শুরু হওয়ার আগেই যেন যুদ্ধের সমাপ্তি হয়।
বিবিসি বলছে, জি-৭ সম্মেলন থেকে নেতারা রাশিয়ার বিরুদ্ধে আরও সামরিক সহায়তার ঘোষণা দেবেন। এছাড়াও রাশিয়ার সোনা আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা আসছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে মার্কিন প্রশাসনের একজন ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধি সাংবাদিকদের জানান, আগামী মঙ্গলবার সোনা আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসবে।
জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎস বলেছেন, ‘জি-৭ পুতিনের ওপর ক্রমাগত চাপ বাড়াতে থাকবে।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ভেনেজুয়েলার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক তেল চুক্তি সম্ভবত ‘এখন পর্যন্ত করা সবচেয়ে বড় চুক্তি।’ এই চুক্তির প্রসঙ্গ তুলে তিনি মন্তব্য করেছেন, ‘লুটের মাল বিজয়ীরাই পায়।’ হংকং থেকে প্রকাশিত ইংরেজি দৈনিক সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য
২০ মিনিট আগে
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, কিয়েভ রাশিয়ার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় ‘জ্বালানি যুদ্ধবিরতিতে’ যেতে প্রস্তুত। স্থানীয় সময় গতকাল মঙ্গলবার নিউইয়র্ক সিটিতে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের নেতাদের সঙ্গে পৃথক বৈঠকের পর তিনি এই কথা জানান। যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে তিনি আরও সতর্ক করে বল
৩ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে সাংবাদিকদের বলেছেন, ইরানের নেতাদের সঙ্গে মার্কিন কর্মকর্তাদের তিন ঘণ্টাব্যাপী ‘খুব ভালো’ বৈঠক হয়েছে। ট্রাম্প বলেন, ‘তাদের সঙ্গে খুব ভালো, খুবই ফলপ্রসূ একটি বৈঠক হয়েছে।’ কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার
৩ ঘণ্টা আগে
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, সামরিক, অর্থনৈতিক কিংবা প্রযুক্তিগত শক্তি ব্যবহার করে বিশ্বের পরাশক্তিগুলো একা নিরাপত্তা নিশ্চিত বা বৈশ্বিক সমস্যার সমাধান করতে পারবে না। আন্তর্জাতিক সহযোগিতার কাঠামো ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ছে এবং বিশ্ব নজিরবিহীন নানা সংকটের সম্মুখীন হচ্ছে।
১২ ঘণ্টা আগে