
ফিনল্যান্ড ও সুইডেন যদি মার্কিন নেতৃত্বাধীন ন্যাটো প্রতিরক্ষা জোটে যোগ দেয়, তবে কঠিন ‘দুর্ভোগ’ পোহাতে হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে রাশিয়া। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা এক বিবৃতিতে এ কথা বলেছেন বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউক্রেনে রুশ হামলা ফিনল্যান্ড ও সুইডেনের সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। দেশটির সামরিক নিরপেক্ষ নীতি নাটকীয়ভাবে ইউটার্ন নিয়েছে। ফিনল্যান্ড জানিয়েছে, তারা এ সপ্তাহের মধ্যে ন্যাটো সদস্যপদ পাওয়ার জন্য আবেদন করবে কি না সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে। অন্যদিকে সুইডেনও ন্যাটো জোটে যোগ দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করছে বলে জানা গেছে।
এরপরই রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘ন্যাটোতে যোগ দেবে কি দেবে না, সেই সিদ্ধান্ত সুইডেন ও ফিনল্যান্ডের কর্তৃপক্ষের ওপর নির্ভর করছে। তবে যোগ দেওয়ার আগে তাদের ও আমাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং ইউরোপের সামগ্রিক নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় রাখা উচিত। এ ধরনের পদক্ষেপের পরিণতি কী হতে পারে সেটিও তাদের বিবেচনায় রাখা দরকার।’
মারিয়া জাখারোভা আরও বলেন, ‘ন্যাটোতে যোগ দিলেই ফিনল্যান্ড ও সুইডেনের মর্যাদা আন্তর্জাতিকভাবে খুব শক্তিশালী হবে—এমন সম্ভাবনা খুবই কম। দেশ দুটির জোট নিরপেক্ষ নীতি একটি নির্ভরযোগ্য নিরাপত্তা দেয়। কিন্তু যখন তারা একটি সামরিক জোটের সদস্য হবে তখন তারা আর এই নিরাপত্তা নির্ভরতা জোরদার করতে সক্ষম হবে না।’
এদিকে গতকাল বৃহস্পতিবার সাবেক রুশ প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ বলেছেন, ‘ফিনল্যান্ড কিংবা সুইডেন যদি ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, তবে রাশিয়া তিনটি বাল্টিক রাষ্ট্র এবং স্ক্যান্ডিনেভিয়ার কাছাকাছি পারমাণবিক অস্ত্র স্থাপন করবে।’

ফিনল্যান্ড ও সুইডেন যদি মার্কিন নেতৃত্বাধীন ন্যাটো প্রতিরক্ষা জোটে যোগ দেয়, তবে কঠিন ‘দুর্ভোগ’ পোহাতে হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে রাশিয়া। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা এক বিবৃতিতে এ কথা বলেছেন বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউক্রেনে রুশ হামলা ফিনল্যান্ড ও সুইডেনের সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। দেশটির সামরিক নিরপেক্ষ নীতি নাটকীয়ভাবে ইউটার্ন নিয়েছে। ফিনল্যান্ড জানিয়েছে, তারা এ সপ্তাহের মধ্যে ন্যাটো সদস্যপদ পাওয়ার জন্য আবেদন করবে কি না সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে। অন্যদিকে সুইডেনও ন্যাটো জোটে যোগ দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করছে বলে জানা গেছে।
এরপরই রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘ন্যাটোতে যোগ দেবে কি দেবে না, সেই সিদ্ধান্ত সুইডেন ও ফিনল্যান্ডের কর্তৃপক্ষের ওপর নির্ভর করছে। তবে যোগ দেওয়ার আগে তাদের ও আমাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং ইউরোপের সামগ্রিক নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় রাখা উচিত। এ ধরনের পদক্ষেপের পরিণতি কী হতে পারে সেটিও তাদের বিবেচনায় রাখা দরকার।’
মারিয়া জাখারোভা আরও বলেন, ‘ন্যাটোতে যোগ দিলেই ফিনল্যান্ড ও সুইডেনের মর্যাদা আন্তর্জাতিকভাবে খুব শক্তিশালী হবে—এমন সম্ভাবনা খুবই কম। দেশ দুটির জোট নিরপেক্ষ নীতি একটি নির্ভরযোগ্য নিরাপত্তা দেয়। কিন্তু যখন তারা একটি সামরিক জোটের সদস্য হবে তখন তারা আর এই নিরাপত্তা নির্ভরতা জোরদার করতে সক্ষম হবে না।’
এদিকে গতকাল বৃহস্পতিবার সাবেক রুশ প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ বলেছেন, ‘ফিনল্যান্ড কিংবা সুইডেন যদি ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, তবে রাশিয়া তিনটি বাল্টিক রাষ্ট্র এবং স্ক্যান্ডিনেভিয়ার কাছাকাছি পারমাণবিক অস্ত্র স্থাপন করবে।’

ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে দাবি করেছে দেশটির সরকার। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির মুখে এক তরুণের ফাঁসি কার্যকরের সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে এসেছে তারা। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক অভিযান চালানোর অবস্থান থেকে খানিকটা সরে এসেছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন ধরনের ইমিগ্র্যান্ট বা অভিবাসী ভিসা দেয়। স্থগিতের তালিকায় প্রথমেই রয়েছে পরিবারভিত্তিক অভিবাসী ভিসা। এর আওতায়—মার্কিন নাগরিকের স্বামী/স্ত্রীর ভিসা (আইআর-১, সিআর-১), বাগদত্ত/বাগদত্তা ভিসা (কে-১), মার্কিন নাগরিকের পরিবারের সদস্যদের ভিসা (আইআর-২, আইআর-৫, এফ-১, এফ-৩ ও এফ-৪)...
৭ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক হামলা আপাতত স্থগিত রাখার ইঙ্গিত দেওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে সরবরাহ–সংক্রান্ত উদ্বেগ কিছুটা কমেছে। এর প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম মাত্র একদিনেই ৪ শতাংশের বেশি কমে গেছে।
৭ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ গ্রিনল্যান্ড দ্বীপ মার্কিন নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা আবারও জোর দিয়ে বলছেন। তবে তাঁর এমন ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ইউরোপের কয়েক দেশের একটি সম্মিলিত বাহিনী দ্বীপটিতে পৌঁছেছে।
৮ ঘণ্টা আগে