আজকের পত্রিকা ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে সাড়া দিয়ে ৩০ দিনের যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে ইউক্রেন। গতকাল মঙ্গলবার সৌদি আরবের জেদ্দায় দুই দেশের মধ্যে অনুষ্ঠিত আলোচনা থেকে এই সিদ্ধান্ত বের হয়ে আসে। ইউক্রেনের এই সম্মতি তিন বছর ধরে চলমান যুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ মোড় বলে বিবেচিত হচ্ছে। এই ঘোষণার পর মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, ‘বল এখন রাশিয়ার কোর্টে।’
বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউক্রেনের ইতিবাচক সাড়া পাওয়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন সামরিক সহায়তার ওপর আরোপিত স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করেছে এবং তিন বছরের যুদ্ধের অবসান শিগগিরই শুরু হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছে।
ট্রাম্প ইউক্রেনের ওপর প্রবল চাপ প্রয়োগ করে এবং মস্কোর সঙ্গে সংলাপ শুরু করে মিত্রদের বিস্মিত করেছেন। এর ফলে, ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা সৌদি আরবে আলোচনায় অংশ নিয়ে আপসের পথ খোঁজার চেষ্টা করেন এবং জল ও আকাশ পথে হামলা আংশিকভাবে বন্ধ রাখার প্রস্তাব দেন।
তবে ট্রাম্পের উপদেষ্টাদের চাওয়া আরও বেশি কিছু। তাঁরা জানিয়েছেন, ইউক্রেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব অনুযায়ী এক মাসব্যাপী পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। মার্কো রুবিও বলেন, ‘আমরা যে প্রস্তাব দিয়েছি, ইউক্রেন তা গ্রহণ করেছে। এটি যুদ্ধবিরতিতে প্রবেশ এবং অবিলম্বে আলোচনার এক পদক্ষেপ।’
জেদ্দার এক অভিজাত হোটেলে প্রায় ৯ ঘণ্টা আলোচনার পর মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সাংবাদিকদের আরও বলেন, ‘এখন আমরা এই প্রস্তাব রাশিয়ার কাছে নিয়ে যাব এবং আশা করি তারা শান্তির পক্ষে সাড়া দেবে। সিদ্ধান্ত এখন তাদের হাতে। যদি তারা না বলে, তবে শান্তির পথে আসল বাধা কোথায়, তা স্পষ্ট হয়ে যাবে।’
রুবিও জানান, যুক্তরাষ্ট্র অবিলম্বে ইউক্রেনে সামরিক সহায়তা ও গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় পুনরায় শুরু করবে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ট্রাম্প ও প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির মধ্যে বিপর্যয়কর বৈঠকের পর এসব সহায়তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। ওয়াশিংটনে ট্রাম্প জানান, তিনি জেলেনস্কিকে হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রণ জানাতে প্রস্তুত এবং এই সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে কথা বলতে পারেন।
এক সাংবাদিক ইউক্রেনে একটি ব্যাপক যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা সম্পর্কে জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি আশা করি এটি আগামী কয়েক দিনের মধ্যে শেষ হবে, আমি সেটাই দেখতে চাই।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি জানি, রাশিয়ার সঙ্গে আমাদের একটি বড় বৈঠক আছে আগামীকাল এবং আশা করি, এতে ভালো আলোচনা হবে।’
এক যৌথ বিবৃতিতে, ইউক্রেন ও যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, তারা ‘যত দ্রুত সম্ভব’ চুক্তি সম্পন্ন করবে, যাতে যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনের খনিজ সম্পদে প্রবেশাধিকার পায়। এই চুক্তি হোয়াইট হাউসে স্বাক্ষর করার কথা থাকলেও সেই অনুষ্ঠানের পরিবর্তে এক নাটকীয় প্রকাশ্য বিবাদ দেখা যায়, যেখানে ট্রাম্প ও ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জেলেনস্কিকে প্রকাশ্যে অপমান করেন এবং অকৃতজ্ঞতার অভিযোগ তোলেন।
জেলেনস্কি দ্রুত জেদ্দায় উত্থাপিত ‘ইতিবাচক’ যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবের জন্য ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানান এবং বলেন, এখন রাশিয়াকে রাজি করানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, ‘আমেরিকান পক্ষ আমাদের যুক্তি বুঝেছে, আমাদের প্রস্তাব গ্রহণ করেছে এবং আমি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে আমাদের গঠনমূলক আলোচনার জন্য ধন্যবাদ জানাই।’

যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে সাড়া দিয়ে ৩০ দিনের যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে ইউক্রেন। গতকাল মঙ্গলবার সৌদি আরবের জেদ্দায় দুই দেশের মধ্যে অনুষ্ঠিত আলোচনা থেকে এই সিদ্ধান্ত বের হয়ে আসে। ইউক্রেনের এই সম্মতি তিন বছর ধরে চলমান যুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ মোড় বলে বিবেচিত হচ্ছে। এই ঘোষণার পর মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, ‘বল এখন রাশিয়ার কোর্টে।’
বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউক্রেনের ইতিবাচক সাড়া পাওয়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন সামরিক সহায়তার ওপর আরোপিত স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করেছে এবং তিন বছরের যুদ্ধের অবসান শিগগিরই শুরু হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছে।
ট্রাম্প ইউক্রেনের ওপর প্রবল চাপ প্রয়োগ করে এবং মস্কোর সঙ্গে সংলাপ শুরু করে মিত্রদের বিস্মিত করেছেন। এর ফলে, ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা সৌদি আরবে আলোচনায় অংশ নিয়ে আপসের পথ খোঁজার চেষ্টা করেন এবং জল ও আকাশ পথে হামলা আংশিকভাবে বন্ধ রাখার প্রস্তাব দেন।
তবে ট্রাম্পের উপদেষ্টাদের চাওয়া আরও বেশি কিছু। তাঁরা জানিয়েছেন, ইউক্রেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব অনুযায়ী এক মাসব্যাপী পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। মার্কো রুবিও বলেন, ‘আমরা যে প্রস্তাব দিয়েছি, ইউক্রেন তা গ্রহণ করেছে। এটি যুদ্ধবিরতিতে প্রবেশ এবং অবিলম্বে আলোচনার এক পদক্ষেপ।’
জেদ্দার এক অভিজাত হোটেলে প্রায় ৯ ঘণ্টা আলোচনার পর মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সাংবাদিকদের আরও বলেন, ‘এখন আমরা এই প্রস্তাব রাশিয়ার কাছে নিয়ে যাব এবং আশা করি তারা শান্তির পক্ষে সাড়া দেবে। সিদ্ধান্ত এখন তাদের হাতে। যদি তারা না বলে, তবে শান্তির পথে আসল বাধা কোথায়, তা স্পষ্ট হয়ে যাবে।’
রুবিও জানান, যুক্তরাষ্ট্র অবিলম্বে ইউক্রেনে সামরিক সহায়তা ও গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় পুনরায় শুরু করবে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ট্রাম্প ও প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির মধ্যে বিপর্যয়কর বৈঠকের পর এসব সহায়তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। ওয়াশিংটনে ট্রাম্প জানান, তিনি জেলেনস্কিকে হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রণ জানাতে প্রস্তুত এবং এই সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে কথা বলতে পারেন।
এক সাংবাদিক ইউক্রেনে একটি ব্যাপক যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা সম্পর্কে জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি আশা করি এটি আগামী কয়েক দিনের মধ্যে শেষ হবে, আমি সেটাই দেখতে চাই।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি জানি, রাশিয়ার সঙ্গে আমাদের একটি বড় বৈঠক আছে আগামীকাল এবং আশা করি, এতে ভালো আলোচনা হবে।’
এক যৌথ বিবৃতিতে, ইউক্রেন ও যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, তারা ‘যত দ্রুত সম্ভব’ চুক্তি সম্পন্ন করবে, যাতে যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনের খনিজ সম্পদে প্রবেশাধিকার পায়। এই চুক্তি হোয়াইট হাউসে স্বাক্ষর করার কথা থাকলেও সেই অনুষ্ঠানের পরিবর্তে এক নাটকীয় প্রকাশ্য বিবাদ দেখা যায়, যেখানে ট্রাম্প ও ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জেলেনস্কিকে প্রকাশ্যে অপমান করেন এবং অকৃতজ্ঞতার অভিযোগ তোলেন।
জেলেনস্কি দ্রুত জেদ্দায় উত্থাপিত ‘ইতিবাচক’ যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবের জন্য ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানান এবং বলেন, এখন রাশিয়াকে রাজি করানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, ‘আমেরিকান পক্ষ আমাদের যুক্তি বুঝেছে, আমাদের প্রস্তাব গ্রহণ করেছে এবং আমি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে আমাদের গঠনমূলক আলোচনার জন্য ধন্যবাদ জানাই।’

গত বছরের ডিসেম্বরে মিসরের সশস্ত্র বাহিনীর কাছে দেশের ঋণ সংকট সামাল দিতে সহায়তা চায় সরকার। কিন্তু বাহিনী সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে। অথচ সেনাবাহিনীর গোপন রিজার্ভে মিসরের মোট বৈদেশিক ঋণের চেয়েও বেশি পরিমাণ অর্থ রয়েছে—এমন দাবি করেছেন দেশটির জ্যেষ্ঠ ব্যাংকিং ও সরকারি কর্মকর্তারা। তারা এই তথ্য জানিয়েছেন
৪৪ মিনিট আগে
ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ এনেছেন। তিনি দাবি করেছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গকে ‘বাংলাদেশে পরিণত করার চেষ্টা করছেন’ এবং তিনি সংবিধানের বিরুদ্ধে কাজ করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
এমিরেটলিকস নামের এক অনুসন্ধানী প্ল্যাটফর্মের হাতে আসা ফাঁস হওয়া নথিতে দেখা গেছে, গাজায় চলমান যুদ্ধের পুরো সময়জুড়ে ইসরায়েলকে সরাসরি সামরিক, গোয়েন্দা ও লজিস্টিক সহায়তা দিতে লোহিত সাগর এলাকায় নিজেদের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) সরকার। মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক
৪ ঘণ্টা আগে
তাঁর গায়ে ছিল লম্বা কালো ওভারকোট। ভিডিওতে দেখা যায়, নিচ থেকে কিছু চিৎকার শোনার পর ট্রাম্প কারখানার মেঝেতে থাকা ওই বিক্ষোভকারীর দিকে আঙুল তুলে তাকান। এরপর তিনি বিরক্ত মুখভঙ্গিতে কয়েকটি কড়া শব্দ বলেন এবং মাঝের আঙুল তুলে দেখান। এ সময় তাঁকে ওই ব্যক্তির উদ্দেশে ‘এফ-বম্ব’ তথা ‘ফাক ইউ’ উচ্চারণ করতে
৪ ঘণ্টা আগে