আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ব্রিটিশ এমপি ও সাবেক মন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এমনটাই অভিযোগ তুলেছেন টিউলিপ সিদ্দিকের আইনজীবীরা। বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছেন তাঁরা। যুক্তরাজ্যের সাবেক এই মন্ত্রীর ‘ন্যায়বিচার পাওয়ার মৌলিক অধিকার’ ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলে দাবি তাঁদের।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ইভিনিং স্ট্যান্ডার্ডের খবরে বলা হয়েছে, লন্ডন থেকে পাওয়া খবরে জানা গেছে, দুর্নীতির অভিযোগে জারি হওয়া গ্রেপ্তারি পরোয়ানা নিয়ে সরব হয়েছেন টিউলিপ সিদ্দিকের আইনজীবীরা। ব্রিটেনের হ্যাম্পস্টেড-হাইগেট এলাকার এমপি টিউলিপের আইনজীবীরা বলছেন, দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে বাংলাদেশ দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এক মাস আগে অনুরোধ করা সত্ত্বেও ‘তথ্য-প্রমাণ জমা দিতে ব্যর্থ হয়েছে।’
টিউলিপ ও তাঁর পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্যের বিরুদ্ধে দুদক দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করছে। অভিযোগ অনুযায়ী, টিউলিপের খালা বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ও তাঁর পরিবার বাংলাদেশের একটি অবকাঠামো প্রকল্প থেকে ৫ বিলিয়ন ডলার আত্মসাৎ করেছেন।
টিউলিপের বিরুদ্ধে আরেকটি অভিযোগ হলো, তিনি ঢাকার পূর্বাচল আবাসিক প্রকল্পে তাঁর মা ও দুই-ভাইবোনকে তিনটি প্লট বরাদ্দ দিতে খালার ওপর চাপ সৃষ্টি করেছিলেন। গত ১৩ এপ্রিল বাংলাদেশের একটি আদালত টিউলিপকে ২৭ এপ্রিলের মধ্যে ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
টিউলিপের মা শেখ রেহানা (৬৯), বড় ভাই রাদওয়ান মুজিব (৪৪) এবং ছোট বোন আজমিনার (৩৪) বিরুদ্ধেও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। তাঁরা অবৈধভাবে প্লট নিয়েছেন বলে অভিযোগ। দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর টিউলিপ গত জানুয়ারিতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেন। তিনি ও তাঁর পরিবার এসব অভিযোগ দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করেছেন।
দুদক এই মামলা নিয়ে প্রকাশ্যে নানা কথা বললেও টিউলিপ সিদ্দিকের আইনজীবীরা বলছেন, তাঁদের মক্কেলকে কোনো ফৌজদারি অভিযোগের বিষয়ে বাংলাদেশ থেকে কিছুই জানানো হয়নি। দ্য ইভিনিং স্ট্যান্ডার্ডের দেখা টিউলিপের আইনজীবীদের বাংলাদেশে পাঠানো একটি চিঠিতে এমন দাবি করা হয়েছে।
টিউলিপকে আইনি সেবা দেওয়া প্রতিষ্ঠান স্টিফেনসন হারউড গত ১৮ মার্চ দুদককে চিঠি দেয়। তারা দাবি করে, টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে কোনো মামলাই টেকে না, তাঁর বাংলাদেশে আসার তো প্রশ্নই ওঠে না। তারা দুদকের বিরুদ্ধে ‘সাজানো অভিযান’ চালানোর অভিযোগও তুলেছে। তারা বলেছে, দুদক ‘মিথ্যা ও হয়রানিমূলক অভিযোগ’ এনে, সংবাদমাধ্যমে খবর ফাঁস করে এবং ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারির হুমকি দিয়ে টিউলিপ সিদ্দিকের সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘দুদক আদালতের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছে, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা পেয়েছে, ইন্টারপোলের রেড নোটিশ চাওয়ার হুমকি দিয়েছে এবং এসব বিষয়ে সংবাদমাধ্যমে ব্রিফ করেছে। অথচ টিউলিপ সিদ্দিক বা তাঁর আইনজীবীদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগই করেনি। এটি সম্পূর্ণ অস্বাভাবিক এবং সুষ্ঠু প্রক্রিয়া ও ন্যায্য পদ্ধতির পরিপন্থী।’
এতে আরও বলা হয়েছে, ‘এই আচরণ আন্তর্জাতিক রীতির স্পষ্ট লঙ্ঘন। এটি ইঙ্গিত দেয়, দুদক ও বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষ টিউলিপ সিদ্দিকের সঙ্গে কেমন আচরণ করতে চলেছে।’ চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘দুদক, এর তদন্তকারী কর্মকর্তা, প্রসিকিউশন এবং বাংলাদেশের আদালত সবাই টিউলিপ সিদ্দিকের ন্যায়বিচার পাওয়ার মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে তাঁদের আইনি বাধ্যবাধকতা পূরণে ব্যর্থ হচ্ছেন।’
চিঠিতে আরও বলা হয়, ‘দুদকের উচিত সংবাদমাধ্যমের সাহায্য নিয়ে খেলা না খেলে সামনে এগিয়ে আসা। টিউলিপ সিদ্দিকের মুখোমুখি হওয়া থেকে পিছু হটা বন্ধ করে তাঁর সঙ্গে ন্যায্য ও খোলাখুলিভাবে আলোচনা করা।’ স্টিফেনসন হারউড দ্য স্ট্যান্ডার্ডকে জানিয়েছে, তারা এই দুটি চিঠির কোনো জবাব পায়নি।
গত সপ্তাহে দুদক চেয়ারম্যান আবদুল মোমেন বলেছেন, বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ টিউলিপ সিদ্দিকের সঙ্গে চিঠি চালাচালি করবে না। বিষয়টি আদালতই দেখবেন। তিনি বলেন, ‘চিঠি চালাচালি আদালতের প্রক্রিয়ার বিকল্প হতে পারে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘পরোয়ানা জারির পরও যদি তিনি হাজির না হন, তাহলে তাঁকে পলাতক আসামি হিসেবে গণ্য করা হবে।’
আরও খবর পড়ুন:

ব্রিটিশ এমপি ও সাবেক মন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এমনটাই অভিযোগ তুলেছেন টিউলিপ সিদ্দিকের আইনজীবীরা। বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছেন তাঁরা। যুক্তরাজ্যের সাবেক এই মন্ত্রীর ‘ন্যায়বিচার পাওয়ার মৌলিক অধিকার’ ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলে দাবি তাঁদের।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ইভিনিং স্ট্যান্ডার্ডের খবরে বলা হয়েছে, লন্ডন থেকে পাওয়া খবরে জানা গেছে, দুর্নীতির অভিযোগে জারি হওয়া গ্রেপ্তারি পরোয়ানা নিয়ে সরব হয়েছেন টিউলিপ সিদ্দিকের আইনজীবীরা। ব্রিটেনের হ্যাম্পস্টেড-হাইগেট এলাকার এমপি টিউলিপের আইনজীবীরা বলছেন, দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে বাংলাদেশ দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এক মাস আগে অনুরোধ করা সত্ত্বেও ‘তথ্য-প্রমাণ জমা দিতে ব্যর্থ হয়েছে।’
টিউলিপ ও তাঁর পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্যের বিরুদ্ধে দুদক দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করছে। অভিযোগ অনুযায়ী, টিউলিপের খালা বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ও তাঁর পরিবার বাংলাদেশের একটি অবকাঠামো প্রকল্প থেকে ৫ বিলিয়ন ডলার আত্মসাৎ করেছেন।
টিউলিপের বিরুদ্ধে আরেকটি অভিযোগ হলো, তিনি ঢাকার পূর্বাচল আবাসিক প্রকল্পে তাঁর মা ও দুই-ভাইবোনকে তিনটি প্লট বরাদ্দ দিতে খালার ওপর চাপ সৃষ্টি করেছিলেন। গত ১৩ এপ্রিল বাংলাদেশের একটি আদালত টিউলিপকে ২৭ এপ্রিলের মধ্যে ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
টিউলিপের মা শেখ রেহানা (৬৯), বড় ভাই রাদওয়ান মুজিব (৪৪) এবং ছোট বোন আজমিনার (৩৪) বিরুদ্ধেও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। তাঁরা অবৈধভাবে প্লট নিয়েছেন বলে অভিযোগ। দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর টিউলিপ গত জানুয়ারিতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেন। তিনি ও তাঁর পরিবার এসব অভিযোগ দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করেছেন।
দুদক এই মামলা নিয়ে প্রকাশ্যে নানা কথা বললেও টিউলিপ সিদ্দিকের আইনজীবীরা বলছেন, তাঁদের মক্কেলকে কোনো ফৌজদারি অভিযোগের বিষয়ে বাংলাদেশ থেকে কিছুই জানানো হয়নি। দ্য ইভিনিং স্ট্যান্ডার্ডের দেখা টিউলিপের আইনজীবীদের বাংলাদেশে পাঠানো একটি চিঠিতে এমন দাবি করা হয়েছে।
টিউলিপকে আইনি সেবা দেওয়া প্রতিষ্ঠান স্টিফেনসন হারউড গত ১৮ মার্চ দুদককে চিঠি দেয়। তারা দাবি করে, টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে কোনো মামলাই টেকে না, তাঁর বাংলাদেশে আসার তো প্রশ্নই ওঠে না। তারা দুদকের বিরুদ্ধে ‘সাজানো অভিযান’ চালানোর অভিযোগও তুলেছে। তারা বলেছে, দুদক ‘মিথ্যা ও হয়রানিমূলক অভিযোগ’ এনে, সংবাদমাধ্যমে খবর ফাঁস করে এবং ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারির হুমকি দিয়ে টিউলিপ সিদ্দিকের সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘দুদক আদালতের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছে, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা পেয়েছে, ইন্টারপোলের রেড নোটিশ চাওয়ার হুমকি দিয়েছে এবং এসব বিষয়ে সংবাদমাধ্যমে ব্রিফ করেছে। অথচ টিউলিপ সিদ্দিক বা তাঁর আইনজীবীদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগই করেনি। এটি সম্পূর্ণ অস্বাভাবিক এবং সুষ্ঠু প্রক্রিয়া ও ন্যায্য পদ্ধতির পরিপন্থী।’
এতে আরও বলা হয়েছে, ‘এই আচরণ আন্তর্জাতিক রীতির স্পষ্ট লঙ্ঘন। এটি ইঙ্গিত দেয়, দুদক ও বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষ টিউলিপ সিদ্দিকের সঙ্গে কেমন আচরণ করতে চলেছে।’ চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘দুদক, এর তদন্তকারী কর্মকর্তা, প্রসিকিউশন এবং বাংলাদেশের আদালত সবাই টিউলিপ সিদ্দিকের ন্যায়বিচার পাওয়ার মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে তাঁদের আইনি বাধ্যবাধকতা পূরণে ব্যর্থ হচ্ছেন।’
চিঠিতে আরও বলা হয়, ‘দুদকের উচিত সংবাদমাধ্যমের সাহায্য নিয়ে খেলা না খেলে সামনে এগিয়ে আসা। টিউলিপ সিদ্দিকের মুখোমুখি হওয়া থেকে পিছু হটা বন্ধ করে তাঁর সঙ্গে ন্যায্য ও খোলাখুলিভাবে আলোচনা করা।’ স্টিফেনসন হারউড দ্য স্ট্যান্ডার্ডকে জানিয়েছে, তারা এই দুটি চিঠির কোনো জবাব পায়নি।
গত সপ্তাহে দুদক চেয়ারম্যান আবদুল মোমেন বলেছেন, বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ টিউলিপ সিদ্দিকের সঙ্গে চিঠি চালাচালি করবে না। বিষয়টি আদালতই দেখবেন। তিনি বলেন, ‘চিঠি চালাচালি আদালতের প্রক্রিয়ার বিকল্প হতে পারে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘পরোয়ানা জারির পরও যদি তিনি হাজির না হন, তাহলে তাঁকে পলাতক আসামি হিসেবে গণ্য করা হবে।’
আরও খবর পড়ুন:

মুসলিম ব্রাদারহুডের মিসর ও জর্ডান শাখাকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে এবং লেবাননের শাখাকে আরও কঠোর শ্রেণি ভুক্তি অনুযায়ী ‘বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এই সংক্রান্ত ঘোষণা দেয় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
৬ ঘণ্টা আগে
ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা দেশগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্র ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করতে পারে—এমন ঘোষণা দিয়ে নতুন করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও ভূরাজনীতিতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমন ও মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতির প্রেক্ষাপটে এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
৭ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে দেশটির জনগণের প্রতি বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার সরাসরি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি ইরানিদের নিজ নিজ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দখল করে নেওয়ার কথা বলেন এবং বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার অনুরোধ জানান।
৮ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সালে ভারতে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ঘৃণাত্মক বক্তব্যের এক নতুন নজির স্থাপন করেছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি গবেষণা সংস্থা। ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক ‘সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অব অর্গানাইজড হেট’ পরিচালিত ‘ইন্ডিয়া হেট ল্যাব’ (আইএইচএল) এর এক নতুন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—গত বছর জুড়ে ভারতে মুসলিম
৯ ঘণ্টা আগে