
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করা একটি ছবিতে দেখা গেছে, রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গের দক্ষিণে সোলটসি-টু বিমানঘাঁটিতে একটি সুপারসনিক বোমারু বিমানে (Tupolev Tu-22) আগুন জ্বলছে। পরে বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছে বিবিসি।
মস্কোর বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে, ছোট্ট একটি ড্রোনের আঘাতেই পুরো বিমানটি ধ্বংস হয়ে গেছে। তবে এ বিষয়ে ইউক্রেন কর্তৃপক্ষের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
টিইউ-২২ সুপারসনিক বম্বার শব্দের চেয়েও দ্বিগুণ গতিতে ছুটতে পারে। ইউক্রেনের শহরগুলোতে আক্রমণ করার জন্য এই বিমানটিকে ব্যাপকভাবে ব্যবহার করছে রাশিয়া।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, কপ্টার ধরনের একটি ড্রোন দিয়ে হামলা হয়েছিল মস্কোর সময় সোমবার সকাল ৮টার দিকে। হামলার আগে ড্রোনটিকে এয়ারফিল্ডের পর্যবেক্ষকেরা শনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছিল এবং ছোট অস্ত্রের গুলি দিয়ে আঘাত করেছিল। তারপরও এটি এসে আঘাত হানে এবং একটি বিমান পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে। এ ছাড়া আর কোনো ক্ষয়-ক্ষতি হয়নি এবং কোনো হতাহতের ঘটনাও ঘটেনি।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এয়ারফিল্ডের পার্কিং লটে যে আগুন লেগেছিল তা দ্রুত নিভিয়ে ফেলা হয়।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে পোস্ট করা ছবিতে আগুনটিকে অনেক বড় মনে হয়েছে। এতে একটি বিমান ধ্বংস হলেও তা ক্ষতির দিক থেকে খুবই কম। কারণ এই বহরে রাশিয়ার ৬০টি বিমান রয়েছে। তবে, হামলাটি রাশিয়ার ভূখণ্ডের ভেতরে হওয়ায় তা ইউক্রেনের ক্রমবর্ধমান ক্ষমতাকে প্রকাশ করছে।
গত কয়েক মাস ধরে ইউক্রেন এ ধরনের মনুষ্যবিহীন ড্রোন দিয়ে কয়েক শ মাইল দূরে রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতেও বেশ কয়েকটি হামলা চালিয়েছে। সর্বশেষ হামলার স্থানটি ইউক্রেনের সীমান্ত থেকে প্রায় ৬৫০ কিলোমিটার দূরে।
এদিকে ধ্বংস হওয়া টিইউ-২২ সুপারসনিক মূলত স্নায়ু যুদ্ধকালীন বোমারু বিমান। ইউক্রেন ছাড়াও এগুলো সিরিয়া, চেচনিয়া এবং জর্জিয়ার যুদ্ধেও ব্যবহার করা হয়েছে। এর আধুনিক সংস্করণগুলো হলো—মাছ-২, যা ঘণ্টায় ২ হাজার ৩০০ কিলোমিটার গতিতে ছুটতে পারে এবং ২৪ হাজার কেজি পর্যন্ত বিস্ফোরক বহন করতে পারে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করা একটি ছবিতে দেখা গেছে, রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গের দক্ষিণে সোলটসি-টু বিমানঘাঁটিতে একটি সুপারসনিক বোমারু বিমানে (Tupolev Tu-22) আগুন জ্বলছে। পরে বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছে বিবিসি।
মস্কোর বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে, ছোট্ট একটি ড্রোনের আঘাতেই পুরো বিমানটি ধ্বংস হয়ে গেছে। তবে এ বিষয়ে ইউক্রেন কর্তৃপক্ষের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
টিইউ-২২ সুপারসনিক বম্বার শব্দের চেয়েও দ্বিগুণ গতিতে ছুটতে পারে। ইউক্রেনের শহরগুলোতে আক্রমণ করার জন্য এই বিমানটিকে ব্যাপকভাবে ব্যবহার করছে রাশিয়া।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, কপ্টার ধরনের একটি ড্রোন দিয়ে হামলা হয়েছিল মস্কোর সময় সোমবার সকাল ৮টার দিকে। হামলার আগে ড্রোনটিকে এয়ারফিল্ডের পর্যবেক্ষকেরা শনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছিল এবং ছোট অস্ত্রের গুলি দিয়ে আঘাত করেছিল। তারপরও এটি এসে আঘাত হানে এবং একটি বিমান পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে। এ ছাড়া আর কোনো ক্ষয়-ক্ষতি হয়নি এবং কোনো হতাহতের ঘটনাও ঘটেনি।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এয়ারফিল্ডের পার্কিং লটে যে আগুন লেগেছিল তা দ্রুত নিভিয়ে ফেলা হয়।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে পোস্ট করা ছবিতে আগুনটিকে অনেক বড় মনে হয়েছে। এতে একটি বিমান ধ্বংস হলেও তা ক্ষতির দিক থেকে খুবই কম। কারণ এই বহরে রাশিয়ার ৬০টি বিমান রয়েছে। তবে, হামলাটি রাশিয়ার ভূখণ্ডের ভেতরে হওয়ায় তা ইউক্রেনের ক্রমবর্ধমান ক্ষমতাকে প্রকাশ করছে।
গত কয়েক মাস ধরে ইউক্রেন এ ধরনের মনুষ্যবিহীন ড্রোন দিয়ে কয়েক শ মাইল দূরে রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতেও বেশ কয়েকটি হামলা চালিয়েছে। সর্বশেষ হামলার স্থানটি ইউক্রেনের সীমান্ত থেকে প্রায় ৬৫০ কিলোমিটার দূরে।
এদিকে ধ্বংস হওয়া টিইউ-২২ সুপারসনিক মূলত স্নায়ু যুদ্ধকালীন বোমারু বিমান। ইউক্রেন ছাড়াও এগুলো সিরিয়া, চেচনিয়া এবং জর্জিয়ার যুদ্ধেও ব্যবহার করা হয়েছে। এর আধুনিক সংস্করণগুলো হলো—মাছ-২, যা ঘণ্টায় ২ হাজার ৩০০ কিলোমিটার গতিতে ছুটতে পারে এবং ২৪ হাজার কেজি পর্যন্ত বিস্ফোরক বহন করতে পারে।

হাসান আলী প্রশ্ন করেন—কেন তাঁর বাবাকে দুই দেশের মধ্যে এভাবে ছোড়াছুড়ি করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমার দেশ আমার বাবাকে বাংলাদেশি বলে ঘোষণা করেছে। কিন্তু বাংলাদেশ তাঁকে দুইবার ফেরত পাঠিয়েছে। তাহলে আমাদের দেশ কোনটা? আমাদের দেশ আছে কি?’
১ ঘণ্টা আগে
লোহিত সাগর অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে সব চুক্তি বাতিল করেছে সোমালিয়া সরকার। গতকাল সোমবার মোগাদিসু সরকার এই ঘোষণা দিয়ে পারস্য উপসাগরীয় দেশটিকে তাদের সামরিক ঘাঁটি ও প্রধান বন্দর অবকাঠামো থেকে বহিষ্কার করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইরানে সামরিক হামলার হুমকি দেওয়া অব্যাহত রেখেছে। দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া বিক্ষোভের মুখে ইরানি সরকার যখন ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে, তখন প্রশাসন জানিয়েছে যে সম্ভাব্য বিভিন্ন বিকল্পের মধ্যে ‘বিমান হামলা’ অন্যতম।
২ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা যেকোনো দেশের ওপর বাড়তি ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন। দেশটিতে বিক্ষোভ সহিংসভাবে দমনের কারণে তেহরান সরকারের ওপর চাপ বাড়াতে তিনি এই পদক্ষেপ নিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে