
গত বৃহস্পতিবার ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর খেরসনের নিয়ন্ত্রণ নেয় রাশিয়া। রাশিয়ার দখলদারির বিরুদ্ধে জাতীয় পতাকা হাতে খেরসনের রাস্তায় নেমে এসেছেন হাজার হাজার ইউক্রেনীয়। তাঁদের কণ্ঠে ধ্বনিত হচ্ছে ইউক্রেনের জাতীয় সংগীত। খেরসন ফিরে পেতে তাঁরা নানান স্লোগান দিচ্ছেন। তাঁরা বলছেন, ‘রাশিয়ানরা বাড়ি ফিরে যাও, খেরসন ইউক্রেনের।’
রোববার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভিডিওতে দেখা গেছে, মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে রুশ সেনারা ফাঁকা গুলি ছুড়ছে।
ইয়েভেন নামের স্থানীয় এক বাসিন্দা বিবিসিকে বলেন, ‘ইউক্রেনের স্বাধীনতার জন্য আমাদের এই বিক্ষোভ।’
ইউক্রেনীয় বাহিনী খেরসনকে পুনরুদ্ধার করার চেষ্টা করছে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘প্রতি রাতে আমরা ৬ থেকে ১০টি বিস্ফোরণের শব্দ শুনি। এটি মর্টারের মতো শোনায়। আমরা জানি না কে কাকে বোমা নিক্ষেপ করছে।’
ইয়েভেন আরও বলেন, ‘ঘরের বাইরে বের হলেই রুশ সেনারা গাড়ি থামিয়ে দিচ্ছে। তারা গাড়ি সার্চ করছে। এমনকি তারা ফোনও সার্চ করছে। ফোন সার্চ করে তারা ইউক্রেনের সেনাবাহিনীকে সাহায্য করার প্রমাণ খুঁজছে। তালিকা ধরে ধরে তারা ইউক্রেনের আন্দোলনকারীদের গ্রেপ্তার করতে চায়।’
উল্লেখ্য, রাশিয়ার জন্য খেরসন দখল একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর কারণ হলো ওই শহরের কৌশলগত অবস্থান।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার খবরে বলা হয়, খেরসন নিপার নদীর মুখে অবস্থিত কৌশলগত একটি শহর, যেখান থেকে সহজে কৃষ্ণসাগরে বের হওয়া যায়।
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া হামলার পর যেসব এলাকা রাশিয়া নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে, সেগুলোর মধ্যে এই শহরের গুরুত্ব অনেক বেশি।
এই শহরে বাস করে ৩ লাখের মতো মানুষ। এর নিয়ন্ত্রণ রাশিয়াকে অত্যধিক মাত্রায় সুবিধা দেবে।

গত বৃহস্পতিবার ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর খেরসনের নিয়ন্ত্রণ নেয় রাশিয়া। রাশিয়ার দখলদারির বিরুদ্ধে জাতীয় পতাকা হাতে খেরসনের রাস্তায় নেমে এসেছেন হাজার হাজার ইউক্রেনীয়। তাঁদের কণ্ঠে ধ্বনিত হচ্ছে ইউক্রেনের জাতীয় সংগীত। খেরসন ফিরে পেতে তাঁরা নানান স্লোগান দিচ্ছেন। তাঁরা বলছেন, ‘রাশিয়ানরা বাড়ি ফিরে যাও, খেরসন ইউক্রেনের।’
রোববার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভিডিওতে দেখা গেছে, মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে রুশ সেনারা ফাঁকা গুলি ছুড়ছে।
ইয়েভেন নামের স্থানীয় এক বাসিন্দা বিবিসিকে বলেন, ‘ইউক্রেনের স্বাধীনতার জন্য আমাদের এই বিক্ষোভ।’
ইউক্রেনীয় বাহিনী খেরসনকে পুনরুদ্ধার করার চেষ্টা করছে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘প্রতি রাতে আমরা ৬ থেকে ১০টি বিস্ফোরণের শব্দ শুনি। এটি মর্টারের মতো শোনায়। আমরা জানি না কে কাকে বোমা নিক্ষেপ করছে।’
ইয়েভেন আরও বলেন, ‘ঘরের বাইরে বের হলেই রুশ সেনারা গাড়ি থামিয়ে দিচ্ছে। তারা গাড়ি সার্চ করছে। এমনকি তারা ফোনও সার্চ করছে। ফোন সার্চ করে তারা ইউক্রেনের সেনাবাহিনীকে সাহায্য করার প্রমাণ খুঁজছে। তালিকা ধরে ধরে তারা ইউক্রেনের আন্দোলনকারীদের গ্রেপ্তার করতে চায়।’
উল্লেখ্য, রাশিয়ার জন্য খেরসন দখল একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর কারণ হলো ওই শহরের কৌশলগত অবস্থান।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার খবরে বলা হয়, খেরসন নিপার নদীর মুখে অবস্থিত কৌশলগত একটি শহর, যেখান থেকে সহজে কৃষ্ণসাগরে বের হওয়া যায়।
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া হামলার পর যেসব এলাকা রাশিয়া নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে, সেগুলোর মধ্যে এই শহরের গুরুত্ব অনেক বেশি।
এই শহরে বাস করে ৩ লাখের মতো মানুষ। এর নিয়ন্ত্রণ রাশিয়াকে অত্যধিক মাত্রায় সুবিধা দেবে।

গাজায় ইসরায়েলের চালানো গণহত্যামূলক যুদ্ধ বন্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ হিসেবে ট্রাম্প প্রথম এই বোর্ডের কথা প্রকাশ করেন। সে সময় তিনি বলেছিলেন, এই সংস্থাটি গাজায় ‘শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলা, আঞ্চলিক সম্পর্ক উন্নয়ন, পুনর্গঠন, বিনিয়োগ আকর্ষণ, বৃহৎ তহবিল সংগ্রহ এবং মূলধন ব্যবস্থাপনা’ তদারকি করবে।
১৫ মিনিট আগে
গাজায় প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের জন্য গঠিত নতুন ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট কমিটি শান্তি, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার অর্জনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এমনটি বলা হয়েছে কমিটির শীর্ষ কর্মকর্তা ড. আলী শাথ প্রকাশিত এক মিশন স্টেটমেন্টে।
২ ঘণ্টা আগে
হোয়াইট হাউস গাজা শাসনে প্রস্তাবিত ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পরিষদের সদস্যদের নাম প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে গাজার শাসনের জন্য জাতীয় কমিটি ন্যাশনাল কমিটি ফর দ্য অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব গাজার (এনসিএজি) সদস্যদের নামও ঘোষণা করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
গাজা শান্তি পরিকল্পনার অর্থাৎ,শান্তি পরিকল্পনার অর্থাৎ, যুদ্ধবিরতির পাশাপাশি অঞ্চলটির পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার ‘দ্বিতীয় ধাপ’ নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে ইসরায়েল। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা এই প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর আপত্তিতে কান দিচ্ছেন না।
৩ ঘণ্টা আগে