
সুইজারল্যান্ডের দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক নিরপেক্ষতার নীতিকে আরও কঠোর করার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন দেশটির ভোটারেরা। সরকারি ফলাফলে দেখা গেছে, ৭০ শতাংশের বেশি ভোটার এমন প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন।
প্রস্তাবটি পাস হলে জাতিসংঘের অনুমোদন ছাড়া কোনো দেশের বিরুদ্ধে সুইজারল্যান্ডের নিষেধাজ্ঞা আরোপের সুযোগ সীমিত হয়ে যেত। একই সঙ্গে ন্যাটো সামরিক জোটের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ার ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ তৈরি হতো।
ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসনের পর সুইজারল্যান্ডের শতাব্দীপ্রাচীন নিরপেক্ষতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়। রাশিয়া প্রকাশ্যে এই উদ্যোগকে সমর্থন করেছিল। দেশটির ডানপন্থী সুইস পিপলস পার্টি (এসভিপি) প্রস্তাবটির পক্ষে থাকলেও সরকার ও অন্যান্য প্রধান রাজনৈতিক দল এর বিরোধিতা করে।
সুইস সম্প্রচারমাধ্যম এসআরএফ-কে গবেষণা প্রতিষ্ঠান Gfs. bern-এর সহপরিচালক লুকাস গোল্ডার বলেন, ভোটারেরা নিরপেক্ষতার ধারণা প্রত্যাখ্যান করেননি; বরং ভোটের ফলাফলে রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রতি তাঁদের সমর্থনের বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে।
সুইজারল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইগনাজিও ক্যাসিস বলেন, দেশটির নিরপেক্ষতা ঐতিহাসিকভাবেই কিছুটা নমনীয়ভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। তিনি বলেন, নিরপেক্ষতার অর্থ আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনা দেখে নীরব থাকা নয়।
তবে যুদ্ধরত দেশগুলোর কাছে অস্ত্র বিক্রির নিষেধাজ্ঞা, যার মধ্যে ইউক্রেনও রয়েছে, প্রত্যাহারের কোনো পরিকল্পনা সুইজারল্যান্ডের নেই।
১৮১৫ সালে ভিয়েনা কংগ্রেসের মাধ্যমে সুইজারল্যান্ডের ‘চিরস্থায়ী নিরপেক্ষতা’ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পায়। পরে ১৯০৭ সালের হেগ কনভেনশনে এর আইনি কাঠামো নির্ধারিত হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ও দেশটি নিরপেক্ষ ছিল।
তবে সেই সময় নাৎসি জার্মানির লুট করা সোনা গ্রহণ এবং ইহুদি শরণার্থীদের ফিরিয়ে দেওয়ার মতো নীতির জন্য পরবর্তী সময়ে সমালোচনার মুখে পড়ে সুইজারল্যান্ড। ১৯৯০-এর দশকে দেশটির সরকার এসব নীতির জন্য ক্ষমা চায়।
সুইজারল্যান্ডের সরাসরি গণতন্ত্রের ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক সিদ্ধান্ত প্রায়ই গণভোটের মাধ্যমে জনগণের কাছে উপস্থাপন করা হয়।

এইচ-১বি ভিসা কর্মসূচির নিয়ম লঙ্ঘন করলে মার্কিন নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সর্বোচ্চ ২ লাখ ৫০ হাজার ডলার বা প্রায় ৩ কোটি ৮ লাখ টাকা জরিমানা গুনতে হতে পারে। এমনকি নিয়োগদাতাদের সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত বিদেশি নিয়োগ থেকে নিষিদ্ধও করা হতে পারে।
১ ঘণ্টা আগে
ফ্রান্সজুড়ে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ এখন আর শুধু শিক্ষা ও স্কুলের দাবিতে সীমাবদ্ধ নেই, শুরু হয়েছে বৃহত্তর রাজনৈতিক বিতর্ক। দেশটির রাস্তায় যখন লাখো শিক্ষার্থী এবং সাধারণ বিক্ষোভে নেমেছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে, তখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই অস্থিরতার জন্য....
১ ঘণ্টা আগে
শিক্ষা সংস্কারের দাবিতে ফ্রান্সজুড়ে বিক্ষোভ অব্যাহত থাকায় চলতি সপ্তাহের বাকি সময় দেশটির সব হাইস্কুলের ক্লাস স্থগিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়েন লেকর্নু। গতকাল মঙ্গলবার বিভিন্ন হাইস্কুল অবরোধ করে বিক্ষোভ করা শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। একই দিন দেশটির বিভিন্ন...
৩ ঘণ্টা আগে
ইরান লস অ্যাঞ্জেলেস ও সান দিয়েগোর মতো মার্কিন শহর ধ্বংস করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় গতকাল মঙ্গলবার রাতে নেব্রাস্কার এক সমাবেশে তিনি বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধের কারণে আমেরিকানদের যে আর্থিক মূল্য দিতে হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্বকে নিরাপদ....
৪ ঘণ্টা আগে