
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের আশপাশের এলাকায় হামলা তীব্র করেছে রাশিয়ার সেনাবাহিনী। শনিবার সকালে রাজধানীর দক্ষিণ ও উত্তর পাশ দিয়ে তীব্র আক্রমণ চালিয়েছে। এই আক্রমণে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে রাজধানীর কর্মকর্তারা। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন নিউজের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
এ দিকে, কিয়েভ থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার উত্তরের শহর চেরনিহিভেও তীব্র আক্রমণ চালিয়েছে রুশ সৈন্যরা। আক্রমণে স্থানীয় ‘হোটেল ইউক্রেন’—যা শহরটির একটি অন্যতম পরিচিতি চিহ্ন—তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
চেরনিহিভের প্রশাসনের প্রধান ব্যাচেস্লাভ চাউস শনিবার বলেছেন, ‘আমি এখনো এখানে আছি কিন্তু এখানে আর কোনো হোটেল নেই।’
ব্যাচেস্লাভ চাউস আরও বলেন, ‘শত্রুরা চেরনিহিভ শহরে ক্রমাগত বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েই যাচ্ছে। এতে বহু বেসামরিক মানুষ মারা যাচ্ছে, আহতও হচ্ছেন অনেক। শত্রুরা বেসামরিক অঞ্চলে গোলাবর্ষণ করেছে অথচ সেখানে কোনো সামরিক বাহিনী নেই।’
রুশ বাহিনী প্রায় এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে অবরোধ করে রেখেছে। চাউস আরও বলেছেন, ‘শহরে বিদ্যুৎ নেই, পানি নেই বললেই চলে, নেই গ্যাসও। শুক্রবার বিদ্যুৎ ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের প্রচেষ্টা সফল হওয়ার সময় শত্রুরা আবারও তা নষ্ট করে দিয়েছে।’
এ দিকে, কিয়েভের দক্ষিণে ভ্যাসিলকিভ শহর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিও থেকে দেখা গেছে, ‘শনিবার ভোরে একটি আঘাতের পর সেখানকার সামরিক বিমানঘাঁটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।
শহরের মেয়র নাটালিয়া বালাসিনোভিচ ফেসবুকে বলেছেন, ‘আজ সকাল ৭টার দিকে শত্রু বাহিনী ভাসিলকিভ শহরে গোলাবর্ষণ করেছে। আটটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে, বিমানবন্দরে গোলা বর্ষণ করেছে। ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ফলে বিমানবন্দরটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে।’

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের আশপাশের এলাকায় হামলা তীব্র করেছে রাশিয়ার সেনাবাহিনী। শনিবার সকালে রাজধানীর দক্ষিণ ও উত্তর পাশ দিয়ে তীব্র আক্রমণ চালিয়েছে। এই আক্রমণে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে রাজধানীর কর্মকর্তারা। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন নিউজের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
এ দিকে, কিয়েভ থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার উত্তরের শহর চেরনিহিভেও তীব্র আক্রমণ চালিয়েছে রুশ সৈন্যরা। আক্রমণে স্থানীয় ‘হোটেল ইউক্রেন’—যা শহরটির একটি অন্যতম পরিচিতি চিহ্ন—তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
চেরনিহিভের প্রশাসনের প্রধান ব্যাচেস্লাভ চাউস শনিবার বলেছেন, ‘আমি এখনো এখানে আছি কিন্তু এখানে আর কোনো হোটেল নেই।’
ব্যাচেস্লাভ চাউস আরও বলেন, ‘শত্রুরা চেরনিহিভ শহরে ক্রমাগত বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েই যাচ্ছে। এতে বহু বেসামরিক মানুষ মারা যাচ্ছে, আহতও হচ্ছেন অনেক। শত্রুরা বেসামরিক অঞ্চলে গোলাবর্ষণ করেছে অথচ সেখানে কোনো সামরিক বাহিনী নেই।’
রুশ বাহিনী প্রায় এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে অবরোধ করে রেখেছে। চাউস আরও বলেছেন, ‘শহরে বিদ্যুৎ নেই, পানি নেই বললেই চলে, নেই গ্যাসও। শুক্রবার বিদ্যুৎ ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের প্রচেষ্টা সফল হওয়ার সময় শত্রুরা আবারও তা নষ্ট করে দিয়েছে।’
এ দিকে, কিয়েভের দক্ষিণে ভ্যাসিলকিভ শহর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিও থেকে দেখা গেছে, ‘শনিবার ভোরে একটি আঘাতের পর সেখানকার সামরিক বিমানঘাঁটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।
শহরের মেয়র নাটালিয়া বালাসিনোভিচ ফেসবুকে বলেছেন, ‘আজ সকাল ৭টার দিকে শত্রু বাহিনী ভাসিলকিভ শহরে গোলাবর্ষণ করেছে। আটটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে, বিমানবন্দরে গোলা বর্ষণ করেছে। ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ফলে বিমানবন্দরটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে।’

গাজায় ইসরায়েলের চালানো গণহত্যামূলক যুদ্ধ বন্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ হিসেবে ট্রাম্প প্রথম এই বোর্ডের কথা প্রকাশ করেন। সে সময় তিনি বলেছিলেন, এই সংস্থাটি গাজায় ‘শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলা, আঞ্চলিক সম্পর্ক উন্নয়ন, পুনর্গঠন, বিনিয়োগ আকর্ষণ, বৃহৎ তহবিল সংগ্রহ এবং মূলধন ব্যবস্থাপনা’ তদারকি করবে।
১৩ মিনিট আগে
গাজায় প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের জন্য গঠিত নতুন ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট কমিটি শান্তি, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার অর্জনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এমনটি বলা হয়েছে কমিটির শীর্ষ কর্মকর্তা ড. আলী শাথ প্রকাশিত এক মিশন স্টেটমেন্টে।
২ ঘণ্টা আগে
হোয়াইট হাউস গাজা শাসনে প্রস্তাবিত ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পরিষদের সদস্যদের নাম প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে গাজার শাসনের জন্য জাতীয় কমিটি ন্যাশনাল কমিটি ফর দ্য অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব গাজার (এনসিএজি) সদস্যদের নামও ঘোষণা করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
গাজা শান্তি পরিকল্পনার অর্থাৎ,শান্তি পরিকল্পনার অর্থাৎ, যুদ্ধবিরতির পাশাপাশি অঞ্চলটির পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার ‘দ্বিতীয় ধাপ’ নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে ইসরায়েল। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা এই প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর আপত্তিতে কান দিচ্ছেন না।
৩ ঘণ্টা আগে