
নিজেদের মহাকাশ স্টেশন তিয়ানগংয়ে সর্বশেষ মডিউল পাঠিয়েছে চীন। এর মধ্য দিয়ে চীনের তিয়ানগং মহাকাশ স্টেশনটি পূর্ণাঙ্গ রূপ পেতে যাচ্ছে। নাসার নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের পর এটি দ্বিতীয় মহাকাশ স্টেশন এবং কোনো দেশের এককভাবে তৈরি কোনো মহাকাশ স্টেশন। স্থানীয় সময় আজ সোমবার চীন সর্বশেষ এই মডিউলটি পাঠিয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মানুষবিহীন ‘মংতিয়েন’ বা ‘স্বর্গের স্বপ্ন’ নামে পরিচিত ওই মডিউলটিকে চীনের তৈরি শক্তিশালী রকেট লং মার্চ ৫বিতে পাঠানো হয়েছে। চীনের স্থানীয় সময় আজ সোমবার বিকেল ৩টা ৩৭ মিনিটে রকেটটি উৎক্ষেপণ করা হয়। চীনের দক্ষিণাঞ্চলের হাইনান প্রদেশের ওয়েনচাং মহাকাশ উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে রকেটটি উৎক্ষেপণ করা হয়।
এর আগে, ২০২১ সালের এপ্রিল মাসে চীন তিয়ানহে স্পেস মডিউল পাঠানোর মাধ্যমে নিজেদের মহাকাশ স্টেশন নির্মাণ শুরু করে। তিয়ানহে মূলত মহাকাশচারীদের বাসস্থান হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এর পর চলতি বছরের জুলাইয়ে ওয়েনতিয়ান বা ‘স্বর্গের সন্ধানে’ নামে আরও একটি মডিউল পাঠানো হয়। এই মডিউলটি মূলত গবেষণাগার হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২৩ টনের ‘মংতিয়েন’ মডিউলটি মূল মডিউল তিয়ানহের অক্ষাংশের সঙ্গে সংযুক্ত করা হবে। এই স্পেস স্টেশনটির সব মডিউল সংযুক্ত করার পর থেকে প্রায় ১০ বছর এতে কাজ চালিয়ে নেওয়া যাবে। চীনের তিয়ানহে মহাকাশ স্টেশনই আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন ব্যতীত একমাত্র মহাকাশ স্টেশন।
উল্লেখ্য, মহাকাশে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে (আইএসএস) অংশগ্রহণ করতে চীনকে বাধা দেওয়ার পর থেকেই চীন গত ১০ বছর ধরেই নিজেদের মহাকাশ স্টেশন তিয়ানগং নির্মাণের প্রযুক্তির উন্নয়নে ব্যয় করেছে। দেশটির লক্ষ্য আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে তারা মহাকাশ শক্তিতে পরিণত হবে এবং এ ক্ষেত্রে তারা যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়াকে পাল্লা দেবে। দেশটি এরই মধ্যে মঙ্গল গ্রহে নিজেদের একটি যান পাঠিয়েছে, চাঁদেও মহাকাশ যান পাঠিয়েছে।

নিজেদের মহাকাশ স্টেশন তিয়ানগংয়ে সর্বশেষ মডিউল পাঠিয়েছে চীন। এর মধ্য দিয়ে চীনের তিয়ানগং মহাকাশ স্টেশনটি পূর্ণাঙ্গ রূপ পেতে যাচ্ছে। নাসার নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের পর এটি দ্বিতীয় মহাকাশ স্টেশন এবং কোনো দেশের এককভাবে তৈরি কোনো মহাকাশ স্টেশন। স্থানীয় সময় আজ সোমবার চীন সর্বশেষ এই মডিউলটি পাঠিয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মানুষবিহীন ‘মংতিয়েন’ বা ‘স্বর্গের স্বপ্ন’ নামে পরিচিত ওই মডিউলটিকে চীনের তৈরি শক্তিশালী রকেট লং মার্চ ৫বিতে পাঠানো হয়েছে। চীনের স্থানীয় সময় আজ সোমবার বিকেল ৩টা ৩৭ মিনিটে রকেটটি উৎক্ষেপণ করা হয়। চীনের দক্ষিণাঞ্চলের হাইনান প্রদেশের ওয়েনচাং মহাকাশ উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে রকেটটি উৎক্ষেপণ করা হয়।
এর আগে, ২০২১ সালের এপ্রিল মাসে চীন তিয়ানহে স্পেস মডিউল পাঠানোর মাধ্যমে নিজেদের মহাকাশ স্টেশন নির্মাণ শুরু করে। তিয়ানহে মূলত মহাকাশচারীদের বাসস্থান হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এর পর চলতি বছরের জুলাইয়ে ওয়েনতিয়ান বা ‘স্বর্গের সন্ধানে’ নামে আরও একটি মডিউল পাঠানো হয়। এই মডিউলটি মূলত গবেষণাগার হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২৩ টনের ‘মংতিয়েন’ মডিউলটি মূল মডিউল তিয়ানহের অক্ষাংশের সঙ্গে সংযুক্ত করা হবে। এই স্পেস স্টেশনটির সব মডিউল সংযুক্ত করার পর থেকে প্রায় ১০ বছর এতে কাজ চালিয়ে নেওয়া যাবে। চীনের তিয়ানহে মহাকাশ স্টেশনই আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন ব্যতীত একমাত্র মহাকাশ স্টেশন।
উল্লেখ্য, মহাকাশে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে (আইএসএস) অংশগ্রহণ করতে চীনকে বাধা দেওয়ার পর থেকেই চীন গত ১০ বছর ধরেই নিজেদের মহাকাশ স্টেশন তিয়ানগং নির্মাণের প্রযুক্তির উন্নয়নে ব্যয় করেছে। দেশটির লক্ষ্য আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে তারা মহাকাশ শক্তিতে পরিণত হবে এবং এ ক্ষেত্রে তারা যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়াকে পাল্লা দেবে। দেশটি এরই মধ্যে মঙ্গল গ্রহে নিজেদের একটি যান পাঠিয়েছে, চাঁদেও মহাকাশ যান পাঠিয়েছে।

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৬ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৬ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৯ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৯ ঘণ্টা আগে