
ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে নিরাপত্তা জোরদারে সম্প্রতি বিশেষ নিরাপত্তা চুক্তির ঘোষণা দেয় যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া। এই চুক্তির আওতায় অস্ট্রেলিয়াকে পরমাণু শক্তিচালিত অত্যাধুনিক সাবমেরিন বানাতে প্রযুক্তিগত সহায়তা দেবে দেশ দুটি। তবে এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ফ্রান্স। কারণ, ত্রিদেশীয় জোট গঠন করতে গিয়ে সাবমেরিন বানাতে ফ্রান্সের সঙ্গে করা প্রায় তিন হাজার কোটি পাউন্ডের একটি চুক্তি বাতিল করেছে অস্ট্রেলিয়া।
‘অকাস’ নামের এই চুক্তির আওতায় তৈরি সাবমেরিন পেলে দক্ষিণ চীন সাগরে নৌবাহিনীর সক্ষমতা বাড়াবে অস্ট্রেলিয়া, যা এই অঞ্চলে প্রভাব বিস্তারে সহায়তা করবে যুক্তরাষ্ট্রকে। বিষয়টি সহজভাবে নেয়নি চীন। ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে মালয়েশিয়া, উত্তর কোরিয়া। সামগ্রিকভাবে ত্রিদেশীয় এই চুক্তি নিয়ে একধরনের কূটনৈতিক সংকট সৃষ্টি হয়েছে দেশগুলোর মধ্যে।
এসব ঘটনার জেরে ক্যানবেরা ও ওয়াশিংটন থেকে নিজ রাষ্ট্রদূতদের ডেকে পাঠানোর পর এবার যুক্তরাজ্যের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিরক্ষা বৈঠকও বাতিল করেছে ফ্রান্স। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ফ্লোরেন্স পারলে এবং ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেন ওয়ালেসের মধ্যে চলতি সপ্তাহে লন্ডনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।
তবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি ফ্রান্সের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও।
ফ্রান্স দাবি করছে, ত্রিদেশীয় চুক্তির আগে তাদের সঙ্গে পরামর্শ করেনি মিত্র দেশগুলো। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়া বলছে, ২০১৬ সালে প্যারিসের সঙ্গে করা সাবমেরিন চুক্তি নিয়ে নিজেদের উদ্বেগ অনেক আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছে তারা।
এ অবস্থায় কূটনৈতিক টানাপোড়েন এবং ভুল বোঝাবুঝি দূর করতে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁর সঙ্গে আলোচনায় বসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।
ত্রিদেশীয় নিরাপত্তা চুক্তিকে ‘অনাকাঙ্ক্ষিত এবং অত্যন্ত বিপজ্জনক’ উল্লেখ করে উত্তর কোরিয়া বলছে, ‘অকাস’ চুক্তির কারণে উত্তর কোরিয়া কোনো নিরাপত্তা হুমকিতে পড়লে এর পাল্টা জবাব দেবে পিয়ংইয়ং।
এদিকে ফ্রান্সের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই গতকাল সোমবার যুক্তরাষ্ট্র সফরে গেছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন। মার্কিন নেতৃত্বাধীন চীনবিরোধী সামরিক জোট কোয়াডের সম্মেলনে অংশ নিতেই তাঁর এ সফর।

ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে নিরাপত্তা জোরদারে সম্প্রতি বিশেষ নিরাপত্তা চুক্তির ঘোষণা দেয় যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া। এই চুক্তির আওতায় অস্ট্রেলিয়াকে পরমাণু শক্তিচালিত অত্যাধুনিক সাবমেরিন বানাতে প্রযুক্তিগত সহায়তা দেবে দেশ দুটি। তবে এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ফ্রান্স। কারণ, ত্রিদেশীয় জোট গঠন করতে গিয়ে সাবমেরিন বানাতে ফ্রান্সের সঙ্গে করা প্রায় তিন হাজার কোটি পাউন্ডের একটি চুক্তি বাতিল করেছে অস্ট্রেলিয়া।
‘অকাস’ নামের এই চুক্তির আওতায় তৈরি সাবমেরিন পেলে দক্ষিণ চীন সাগরে নৌবাহিনীর সক্ষমতা বাড়াবে অস্ট্রেলিয়া, যা এই অঞ্চলে প্রভাব বিস্তারে সহায়তা করবে যুক্তরাষ্ট্রকে। বিষয়টি সহজভাবে নেয়নি চীন। ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে মালয়েশিয়া, উত্তর কোরিয়া। সামগ্রিকভাবে ত্রিদেশীয় এই চুক্তি নিয়ে একধরনের কূটনৈতিক সংকট সৃষ্টি হয়েছে দেশগুলোর মধ্যে।
এসব ঘটনার জেরে ক্যানবেরা ও ওয়াশিংটন থেকে নিজ রাষ্ট্রদূতদের ডেকে পাঠানোর পর এবার যুক্তরাজ্যের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিরক্ষা বৈঠকও বাতিল করেছে ফ্রান্স। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ফ্লোরেন্স পারলে এবং ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেন ওয়ালেসের মধ্যে চলতি সপ্তাহে লন্ডনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।
তবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি ফ্রান্সের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও।
ফ্রান্স দাবি করছে, ত্রিদেশীয় চুক্তির আগে তাদের সঙ্গে পরামর্শ করেনি মিত্র দেশগুলো। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়া বলছে, ২০১৬ সালে প্যারিসের সঙ্গে করা সাবমেরিন চুক্তি নিয়ে নিজেদের উদ্বেগ অনেক আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছে তারা।
এ অবস্থায় কূটনৈতিক টানাপোড়েন এবং ভুল বোঝাবুঝি দূর করতে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁর সঙ্গে আলোচনায় বসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।
ত্রিদেশীয় নিরাপত্তা চুক্তিকে ‘অনাকাঙ্ক্ষিত এবং অত্যন্ত বিপজ্জনক’ উল্লেখ করে উত্তর কোরিয়া বলছে, ‘অকাস’ চুক্তির কারণে উত্তর কোরিয়া কোনো নিরাপত্তা হুমকিতে পড়লে এর পাল্টা জবাব দেবে পিয়ংইয়ং।
এদিকে ফ্রান্সের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই গতকাল সোমবার যুক্তরাষ্ট্র সফরে গেছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন। মার্কিন নেতৃত্বাধীন চীনবিরোধী সামরিক জোট কোয়াডের সম্মেলনে অংশ নিতেই তাঁর এ সফর।

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৮ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৮ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
১১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
১২ ঘণ্টা আগে