আজকের পত্রিকা ডেস্ক

তাইওয়ান দ্বীপ ও এশিয়া মহাদেশ বিভাজনকারী তাইওয়ান প্রণালিতে যুক্তরাজ্যের একটি যুদ্ধজাহাজ টহল দেওয়ার ঘটনায় খেপেছে চীন। তাদের সেনাবাহিনী এটিকে ‘ইচ্ছাকৃত উসকানি’ হিসেবে দেখছে। তারা মনে করছে, ব্রিটিশদের এই ধরনের কর্মকাণ্ড তাইওয়ান প্রণালি অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি।
তবে ব্রিটিশ রয়্যাল নেভির ভাষ্য, তাদের যুদ্ধজাহাজ এইচএমএস স্পের বুধবারের টহল আগেই পরিকল্পনা করা ছিল এবং আন্তর্জাতিক আইন মেনেই তা করা হয়েছে।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, তাইওয়ান প্রণালিতে গত চার বছরের মধ্যে এই প্রথম কোনো যুদ্ধজাহাজের টহল পরিচালনা করেছে ব্রিটিশ নৌবাহিনী। কেবল জাহাজ নয়, তাদের একটি বড় নৌবহরও ওই অঞ্চলে পৌঁছেছে, যা কয়েক মাস সেখানেই থাকবে।
তাইওয়ানকে নিজের ভূখণ্ড বলে দাবি করে চীন। প্রয়োজনে সামরিক শক্তি ব্যবহার করে দ্বীপটিকে নিজের ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করার ইঙ্গিত বহুবার দিয়েছে দেশটি।
যদিও স্বশাসিত তাইওয়ান এই দাবি মানে না।
তাইওয়ান প্রণালিতে যুক্তরাজ্যের যুদ্ধজাহাজ টহল দেওয়ার ঘটনার সমালোচনা করে চীনের নৌবাহিনীর এক মুখপাত্র বলেন, পশ্চিমা দেশটি এইচএমএস স্পের যাত্রাকে ‘প্রকাশ্যে অতিরঞ্জিত’ করছে। তাঁর মতে, এইচএমএস স্পের সাধারণ টহলকে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি বড় করে দেখাচ্ছে যুক্তরাজ্য; এর গুরুত্ব বাড়িয়ে বলছে এবং এর মাধ্যমে একটি রাজনৈতিক বার্তা দিতে চাইছে।
তিনি বলেন, ‘এই ধরনের কার্যকলাপ ইচ্ছাকৃত উসকানি, যা পরিস্থিতি অশান্ত করে এবং তাইওয়ান প্রণালি অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতা ক্ষতিগ্রস্ত করে।’
এক বিবৃতিতে চীনের নৌবাহিনী বলেছে, ‘তাইওয়ান প্রণালি পার হওয়ার পুরো সময়জুড়ে এইচএমএস স্পেকে নজরদারির মধ্যে রাখা হয়েছিল এবং চীনা সেনারা সব ধরনের হুমকি ও উসকানির কঠোর জবাব দেবে।’
এ বিষয়ে পরে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র বলেন, ‘তাইওয়ান প্রণালি দিয়ে অন্য দেশের জাহাজ চলাচলের অধিকারকে সম্মান করে চীন। তবে নৌ চলাচলের স্বাধীনতার নামে যেকোনো দেশের চীনের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার হুমকি দৃঢ়ভাবে বিরোধিতা করে বেইজিং।’
তাইওয়ানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অবশ্য এই টহলকে তাইওয়ান প্রণালিতে নৌ চলাচলের স্বাধীনতা রক্ষাকারী পদক্ষেপ হিসেবে প্রশংসা করেছে।

তাইওয়ান দ্বীপ ও এশিয়া মহাদেশ বিভাজনকারী তাইওয়ান প্রণালিতে যুক্তরাজ্যের একটি যুদ্ধজাহাজ টহল দেওয়ার ঘটনায় খেপেছে চীন। তাদের সেনাবাহিনী এটিকে ‘ইচ্ছাকৃত উসকানি’ হিসেবে দেখছে। তারা মনে করছে, ব্রিটিশদের এই ধরনের কর্মকাণ্ড তাইওয়ান প্রণালি অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি।
তবে ব্রিটিশ রয়্যাল নেভির ভাষ্য, তাদের যুদ্ধজাহাজ এইচএমএস স্পের বুধবারের টহল আগেই পরিকল্পনা করা ছিল এবং আন্তর্জাতিক আইন মেনেই তা করা হয়েছে।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, তাইওয়ান প্রণালিতে গত চার বছরের মধ্যে এই প্রথম কোনো যুদ্ধজাহাজের টহল পরিচালনা করেছে ব্রিটিশ নৌবাহিনী। কেবল জাহাজ নয়, তাদের একটি বড় নৌবহরও ওই অঞ্চলে পৌঁছেছে, যা কয়েক মাস সেখানেই থাকবে।
তাইওয়ানকে নিজের ভূখণ্ড বলে দাবি করে চীন। প্রয়োজনে সামরিক শক্তি ব্যবহার করে দ্বীপটিকে নিজের ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করার ইঙ্গিত বহুবার দিয়েছে দেশটি।
যদিও স্বশাসিত তাইওয়ান এই দাবি মানে না।
তাইওয়ান প্রণালিতে যুক্তরাজ্যের যুদ্ধজাহাজ টহল দেওয়ার ঘটনার সমালোচনা করে চীনের নৌবাহিনীর এক মুখপাত্র বলেন, পশ্চিমা দেশটি এইচএমএস স্পের যাত্রাকে ‘প্রকাশ্যে অতিরঞ্জিত’ করছে। তাঁর মতে, এইচএমএস স্পের সাধারণ টহলকে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি বড় করে দেখাচ্ছে যুক্তরাজ্য; এর গুরুত্ব বাড়িয়ে বলছে এবং এর মাধ্যমে একটি রাজনৈতিক বার্তা দিতে চাইছে।
তিনি বলেন, ‘এই ধরনের কার্যকলাপ ইচ্ছাকৃত উসকানি, যা পরিস্থিতি অশান্ত করে এবং তাইওয়ান প্রণালি অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতা ক্ষতিগ্রস্ত করে।’
এক বিবৃতিতে চীনের নৌবাহিনী বলেছে, ‘তাইওয়ান প্রণালি পার হওয়ার পুরো সময়জুড়ে এইচএমএস স্পেকে নজরদারির মধ্যে রাখা হয়েছিল এবং চীনা সেনারা সব ধরনের হুমকি ও উসকানির কঠোর জবাব দেবে।’
এ বিষয়ে পরে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র বলেন, ‘তাইওয়ান প্রণালি দিয়ে অন্য দেশের জাহাজ চলাচলের অধিকারকে সম্মান করে চীন। তবে নৌ চলাচলের স্বাধীনতার নামে যেকোনো দেশের চীনের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার হুমকি দৃঢ়ভাবে বিরোধিতা করে বেইজিং।’
তাইওয়ানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অবশ্য এই টহলকে তাইওয়ান প্রণালিতে নৌ চলাচলের স্বাধীনতা রক্ষাকারী পদক্ষেপ হিসেবে প্রশংসা করেছে।

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৬ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৬ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৯ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৯ ঘণ্টা আগে