চীনের দক্ষিণাঞ্চলের জানঝুতে ৬ কোটি ৬০ লাখ বছর পুরোনো একটি ডাইনোসরের ভ্রূণের সন্ধান পাওয়া গেছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, ভ্রূণটি সঠিকভাবে সংরক্ষিত অবস্থায় ছিল। এটি মুরগির বাচ্চার মতো, ডাইনোসরের এই ভ্রূণ ডিম ফুটে বের হওয়ার অপেক্ষায় ছিল। আজ বুধবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ধারণা করা হচ্ছে, এটি দাঁতবিহীন থেরোপেড বা ওভিরাপটোরোসর ডাইনোসরের ভ্রূণ। ভ্রূণটির নাম দেওয়া হয়েছে বেবি ইংলিয়াং।
গবেষক ড. ফিয়ন ওয়াইসুম মা বলেছেন, এখন পর্যন্ত যত ডাইনোসরের ভ্রূণ পাওয়া গেছে, তার মধ্যে এটিই সবচেয়ে ভালো।
এই আবিষ্কার এখনকার পাখির সঙ্গে ডাইনোসরের মিল বোঝার ক্ষেত্রে বড় একটা সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। বিজ্ঞানীরা ডিমের ভেতরে ডাইনোসরের ভ্রূণের অবস্থানের সঙ্গে পাখির ভ্রূণের অনেক মিল খুঁজে পেয়েছেন।
ড. ফিয়ন ওয়াইসুম মা বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেছেন, এটা থেকে ইঙ্গিত পাওয়া যায় যে আধুনিক পাখিদের আচরণ বিবর্তিত হয়েছে আর এর মূলে রয়েছে ডাইনোসর।
মাথা থেকে লেজ পর্যন্ত ভ্রূণটি ১০ দশমিক ৬ ইঞ্চি লম্বা। এটি ৬ দশমিক ৭ ইঞ্চি দীর্ঘ একটি ডিমের মধ্যে সংরক্ষিত ছিল। ডিমটি প্রথমে ২০০০ সালে আবিষ্কৃত হয়। এরপর ১০ বছর স্টোরেজে রাখা হয়েছিল। বর্তমানে এটিকে চীনের ইংলিয়াং স্টোন নেচার হিস্টোরি মিউজিয়ামে রাখা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত শনিবার ইরানে বিনা উসকানিতে হামলা চালায়। জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। এমনকি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকেও অ্যান্টিশিপ ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছিল।
১৮ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনাই ছিল না ইরানের। তেহরান আগে যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণের পরিকল্পনা করেছিল—গোয়েন্দা তথ্যে এমন কোনো লক্ষণই ছিল না। মার্কিন কংগ্রেসকে এমনটিই জানিয়েছে পেন্টাগন।
২৫ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার মাত্রা ও সময় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সৌদি আরবের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। তারা উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করেছেন, এমন কোনো পদক্ষেপ না নিতে যা তেহরান বা তাদের মিত্র গোষ্ঠীর পাল্টা প্রতিক্রিয়া উসকে দিতে পারে এবং অঞ্চলকে আরও বড় সংঘাতে ঠেলে দিতে পারে।
১ ঘণ্টা আগে
যুদ্ধকে ইরানিরা খুব একটা ভয় পায় না, যতটা পায় আত্মসমর্পণকে। এই ধারণার প্রমাণ মেলে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত সরকার কখনোই হুমকির কাছে মাথা নত করেনি। এমনকি সর্বশেষ যুদ্ধের আগেও ইরানিরা তাদের ন্যায্য অবস্থান থেকে সরে এসে যুদ্ধ ঠেকানোর চেষ্টা করেনি।
১ ঘণ্টা আগে