
ঢাকা: আফগানিস্তান থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সেনা প্রত্যাহার শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র এবং সামরিক জোট ন্যাটো। গতকাল শনিবার থেকে এই সেনা প্রত্যহার শুরু হয়।
যুক্তরাষ্ট্র ও নেটো সামরিক জোট প্রায় ২০ বছর ধরে আফগানিস্তানে তাদের উপস্থিতি বজায় রেখেছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, ১ মে, শনিবার শুরু হওয়া সেনা প্রত্যাহার পর্ব আগামী ১১ সেপ্টেম্বর শেষ করার কথা রয়েছে। আফগানিস্তানজুড়ে সহিংসতা বৃদ্ধির মধ্যেই এ সেনা প্রত্যাহার শুরু হল।
গত বছর আফগানিস্তানের জঙ্গি গোষ্ঠী তালেবানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি চুক্তি হয়েছিল। ওই চুক্তি অনুযায়ী ১ মে-র মধ্যে বিদেশি বাহিনীগুলো আফগানিস্তানে ছাড়বে এমন প্রতিশ্রুতির বিনিময়ে আন্তর্জাতিক সেনাদের ওপর হামলা না চালানোর বিষয়ে সম্মত হয়েছিল তালেবান।
গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জানান, ১ মে থেকে শুরু হবে সেনা প্রত্যাহার। আর এটি শেষ হবে ১১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে। তখন বাইডেন বলেছিলেন, আফগানিস্তান ‘চিরকালীন যুদ্ধ’ শেষ করতে চান তিনি।
প্রসঙ্গত, ৯/১১ হামলার ২০ বছর পূর্তি হবে ১১ সেপ্টেম্বর।
এদিকে সেনা প্রত্যাহার দেরি হওয়ার তালেবানরা সতর্ক করে জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক সেনাদের ওপর হামলা না করার যে চুক্তি এতদিন কার্যকর ছিল তার মেয়াদ ফুরনোয় তারা এর বাধ্যবাধকতা আর মেনে চলবে না।
এদিকে মার্কিন জেনারেল স্কট মিলারও সেনা প্রত্যাহারের মধ্যে হামলা চালানোর বিষয়ে তালেবানদের সতর্ক করে দিয়েছেন। একটি টুইট বার্তায় তিনি বলেন, কোনো ভুল করবেন না। আফগান নিরাপত্তা বাহিনীকে সমর্থিত জোটের বিরুদ্ধে যে কোনো ধরণের হামলার জোরালো প্রতিক্রিয়া জানানোর সামরিক ক্ষমতা আমাদের রয়েছে।

ঢাকা: আফগানিস্তান থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সেনা প্রত্যাহার শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র এবং সামরিক জোট ন্যাটো। গতকাল শনিবার থেকে এই সেনা প্রত্যহার শুরু হয়।
যুক্তরাষ্ট্র ও নেটো সামরিক জোট প্রায় ২০ বছর ধরে আফগানিস্তানে তাদের উপস্থিতি বজায় রেখেছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, ১ মে, শনিবার শুরু হওয়া সেনা প্রত্যাহার পর্ব আগামী ১১ সেপ্টেম্বর শেষ করার কথা রয়েছে। আফগানিস্তানজুড়ে সহিংসতা বৃদ্ধির মধ্যেই এ সেনা প্রত্যাহার শুরু হল।
গত বছর আফগানিস্তানের জঙ্গি গোষ্ঠী তালেবানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি চুক্তি হয়েছিল। ওই চুক্তি অনুযায়ী ১ মে-র মধ্যে বিদেশি বাহিনীগুলো আফগানিস্তানে ছাড়বে এমন প্রতিশ্রুতির বিনিময়ে আন্তর্জাতিক সেনাদের ওপর হামলা না চালানোর বিষয়ে সম্মত হয়েছিল তালেবান।
গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জানান, ১ মে থেকে শুরু হবে সেনা প্রত্যাহার। আর এটি শেষ হবে ১১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে। তখন বাইডেন বলেছিলেন, আফগানিস্তান ‘চিরকালীন যুদ্ধ’ শেষ করতে চান তিনি।
প্রসঙ্গত, ৯/১১ হামলার ২০ বছর পূর্তি হবে ১১ সেপ্টেম্বর।
এদিকে সেনা প্রত্যাহার দেরি হওয়ার তালেবানরা সতর্ক করে জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক সেনাদের ওপর হামলা না করার যে চুক্তি এতদিন কার্যকর ছিল তার মেয়াদ ফুরনোয় তারা এর বাধ্যবাধকতা আর মেনে চলবে না।
এদিকে মার্কিন জেনারেল স্কট মিলারও সেনা প্রত্যাহারের মধ্যে হামলা চালানোর বিষয়ে তালেবানদের সতর্ক করে দিয়েছেন। একটি টুইট বার্তায় তিনি বলেন, কোনো ভুল করবেন না। আফগান নিরাপত্তা বাহিনীকে সমর্থিত জোটের বিরুদ্ধে যে কোনো ধরণের হামলার জোরালো প্রতিক্রিয়া জানানোর সামরিক ক্ষমতা আমাদের রয়েছে।

ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হোয়াইট হাউসের নীতিনির্ধারকেরা গ্যাবার্ডের পূর্বতন রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে সন্দিহান ছিলেন। তাই তাঁকে এই অভিযানের পরিকল্পনায় সম্পৃক্ত করা হয়নি।
১ ঘণ্টা আগে
ফক্স নিউজকে ট্রাম্প বলেন, ‘সে (মাচাদো) আগামী সপ্তাহে আমার সঙ্গে দেখা করতে আসছে। আমি তার সঙ্গে দেখা করার জন্য অপেক্ষা করছি। আমি নোবেলের বিষয়টি শুনেছি। যদি সে এমন কিছু করে, তবে এটি বড় সম্মানের বিষয় হবে।’
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে কঠোর অবস্থান নিয়েছে দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ডস (আইআরজিসি)। শনিবার (১০ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে তারা বিক্ষুব্ধ জনতার উদ্দেশ্যে রেডলাইন ঘোষণা করে।
৩ ঘণ্টা আগে
মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ কিউবার বর্তমান অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে অত্যন্ত ‘শোচনীয়’ হিসেবে বর্ণনা করলেও, দেশটির কমিউনিস্ট সরকারের পতন এখন সময়ের ব্যাপার—এমন কোনো প্রমাণ পায়নি। গত সপ্তাহে ভেনেজুয়েলায় মার্কিন সামরিক অভিযানের পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, কারাকাসের সমর্থন...
৫ ঘণ্টা আগে