
আর্থিক কেলেঙ্কারির ঘটনায় জাপানের ক্ষমতাসীন দল লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সংসদ সদস্য এবং দেশটির সাবেক শিক্ষা উপমন্ত্রী ইয়োশিতাকা ইকেদাকে গতকাল রোববার গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে আর্থিক কেলেঙ্কারি ইস্যুতে প্রথমবারের মতো কোনো সংসদ সদস্যকে গ্রেপ্তার করলেন দেশটির কৌঁসুলিরা। প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদার ভবিষ্যৎ নিয়েও চলছে জল্পনাকল্পনা।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টোকিও পাবলিক কৌঁসুলির কার্যালয় গতকাল ইয়োশিতাকা ইকেদাকে গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করেছে। ফুমিও কিশিদার এলডিপিতে ইকেদা তাঁর অংশের সংগ্রহ করা তহবিলের পরিমাণ উল্লেখ করতে ব্যর্থ হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাঁর বিরুদ্ধে ৪ কোটি ৮০ লাখ ইয়েন (প্রায় ৩ কোটি ৬৩ লাখ টাকা) অবৈধভাবে গ্রহণের অভিযোগ রয়েছে।
সন্দেহ করা হচ্ছে, এলডিপির শিনজো আবের অংশের দ্বারা সংগৃহীত তহবিলের অতিরিক্ত অর্থ সম্পর্কে প্রতিবেদনে দাখিল করেননি ইকেদা। কৌঁসুলিরা অভিযোগে বলেন, ২০১৮ থেকে ২০২২-এর মধ্যে তিনি তাঁর রাজনৈতিক তহবিলের প্রতিবেদনে ৪ কোটি ৮০ লাখ ইয়েনের কথা উল্লেখ করেননি।
এই আর্থিক কেলেঙ্কারির ঘটনায় ইকেদা একা জড়িত নন। বরং, গত ডিসেম্বরে সরকারি কর্মকর্তাসহ চারজন মন্ত্রীকে বরখাস্ত করেছিলেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা। সেই চার মন্ত্রীর একজন ইয়োশিতাকা ইকেদা। নির্বাচনী তহবিলে সংগৃহীত ৬০ কোটি ইয়েনের (প্রায় ৪৬ কোটি টাকা) প্রতিবেদন দাখিলে ব্যর্থ হন এলডিপির কয়েকজন রাজনীতিবিদ। জাপানের গণমাধ্যমে বলা হয়েছে, তহবিলের এই অর্থের প্রতিবেদন কর কর্তৃপক্ষের কাছেও দেওয়া হয়নি।
নির্বাচনী প্রচারণা-সংক্রান্ত আইনের সম্ভাব্য লঙ্ঘনের কারণে ফুমিও কিশিদা ও তাঁর রাজনৈতিক দলের জনপ্রিয়তা হ্রাস পেয়েছে। দলীয় দুর্নীতিকে কেন্দ্র করে এ গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদার ভবিষ্যৎ সম্পর্কেও আলোচনা শুরু হয়েছে।
টোকিওর সরকারি কৌঁসুলিরা গত মাসে ক্ষমতাসীন এলডিপি কার্যালয়ে অভিযান চালানোর পর ইকেদাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গত বছর আততায়ীর হাতে নিহত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের নেতৃত্বাধীন এলডিপির বৃহত্তম উপদলের অনুসারী ছিলেন তিনি। বরখাস্ত হওয়া ওই চার মন্ত্রীও ওই উপদলের অনুসারী ছিলেন। কেলেঙ্কারির ঘটনা তদন্তে কৌঁসুলিরা দলীয় কার্যালয়গুলোতে তল্লাশি এবং আইনপ্রণেতাদের জেরার উদ্যোগ নিচ্ছেন—এমন খবরের মধ্যে চার মন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন।
এই মন্ত্রীরা ১০০ সদস্যের শক্তিশালী আবে উপদলের সদস্য। জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদার ক্ষমতাসীন এলডিপিতে এই আবে উপদলের এমপির সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। অভিযোগ আছে, আবে উপদলের সদস্যরা গত পাঁচ বছরে তহবিল সংগ্রহের বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সংগৃহীত ৫০ কোটিরও বেশি ইয়েনের হিসাব দিতে পারেননি।
জাপানে অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তহবিল সংগ্রহ করা বৈধ। দলের তহবিল সংগ্রহের অনুষ্ঠানের জন্য টিকিট বিক্রির যে কোটা থাকে, তা আবে উপদলের সদস্যরা ছাড়িয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু সংগৃহীত অর্থের পরিমাণ উল্লেখ করেননি তাঁরা—যা রাজনৈতিক তহবিল আইনের লঙ্ঘন।
এ ঘটনায় ফুমিও কিশিদার ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। এই কেলেঙ্কারি এলডিপির নির্বাচনী সম্ভাবনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে কি না, তা স্পষ্ট নয়। ১৯৫০-এর দশকের মাঝামাঝি থেকে প্রায় নিরবচ্ছিন্নভাবে শাসন করা দল এলডিপিকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত সাধারণ নির্বাচনে ভোটারদের মুখোমুখি হতে হবে না। তা ছাড়া, খুব কম মানুষই বিশ্বাস করে, বিভক্ত বিরোধীরা ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য এই ঘটনাকে কাজে লাগাতে পারবে।

আর্থিক কেলেঙ্কারির ঘটনায় জাপানের ক্ষমতাসীন দল লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সংসদ সদস্য এবং দেশটির সাবেক শিক্ষা উপমন্ত্রী ইয়োশিতাকা ইকেদাকে গতকাল রোববার গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে আর্থিক কেলেঙ্কারি ইস্যুতে প্রথমবারের মতো কোনো সংসদ সদস্যকে গ্রেপ্তার করলেন দেশটির কৌঁসুলিরা। প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদার ভবিষ্যৎ নিয়েও চলছে জল্পনাকল্পনা।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টোকিও পাবলিক কৌঁসুলির কার্যালয় গতকাল ইয়োশিতাকা ইকেদাকে গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করেছে। ফুমিও কিশিদার এলডিপিতে ইকেদা তাঁর অংশের সংগ্রহ করা তহবিলের পরিমাণ উল্লেখ করতে ব্যর্থ হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাঁর বিরুদ্ধে ৪ কোটি ৮০ লাখ ইয়েন (প্রায় ৩ কোটি ৬৩ লাখ টাকা) অবৈধভাবে গ্রহণের অভিযোগ রয়েছে।
সন্দেহ করা হচ্ছে, এলডিপির শিনজো আবের অংশের দ্বারা সংগৃহীত তহবিলের অতিরিক্ত অর্থ সম্পর্কে প্রতিবেদনে দাখিল করেননি ইকেদা। কৌঁসুলিরা অভিযোগে বলেন, ২০১৮ থেকে ২০২২-এর মধ্যে তিনি তাঁর রাজনৈতিক তহবিলের প্রতিবেদনে ৪ কোটি ৮০ লাখ ইয়েনের কথা উল্লেখ করেননি।
এই আর্থিক কেলেঙ্কারির ঘটনায় ইকেদা একা জড়িত নন। বরং, গত ডিসেম্বরে সরকারি কর্মকর্তাসহ চারজন মন্ত্রীকে বরখাস্ত করেছিলেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা। সেই চার মন্ত্রীর একজন ইয়োশিতাকা ইকেদা। নির্বাচনী তহবিলে সংগৃহীত ৬০ কোটি ইয়েনের (প্রায় ৪৬ কোটি টাকা) প্রতিবেদন দাখিলে ব্যর্থ হন এলডিপির কয়েকজন রাজনীতিবিদ। জাপানের গণমাধ্যমে বলা হয়েছে, তহবিলের এই অর্থের প্রতিবেদন কর কর্তৃপক্ষের কাছেও দেওয়া হয়নি।
নির্বাচনী প্রচারণা-সংক্রান্ত আইনের সম্ভাব্য লঙ্ঘনের কারণে ফুমিও কিশিদা ও তাঁর রাজনৈতিক দলের জনপ্রিয়তা হ্রাস পেয়েছে। দলীয় দুর্নীতিকে কেন্দ্র করে এ গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদার ভবিষ্যৎ সম্পর্কেও আলোচনা শুরু হয়েছে।
টোকিওর সরকারি কৌঁসুলিরা গত মাসে ক্ষমতাসীন এলডিপি কার্যালয়ে অভিযান চালানোর পর ইকেদাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গত বছর আততায়ীর হাতে নিহত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের নেতৃত্বাধীন এলডিপির বৃহত্তম উপদলের অনুসারী ছিলেন তিনি। বরখাস্ত হওয়া ওই চার মন্ত্রীও ওই উপদলের অনুসারী ছিলেন। কেলেঙ্কারির ঘটনা তদন্তে কৌঁসুলিরা দলীয় কার্যালয়গুলোতে তল্লাশি এবং আইনপ্রণেতাদের জেরার উদ্যোগ নিচ্ছেন—এমন খবরের মধ্যে চার মন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন।
এই মন্ত্রীরা ১০০ সদস্যের শক্তিশালী আবে উপদলের সদস্য। জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদার ক্ষমতাসীন এলডিপিতে এই আবে উপদলের এমপির সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। অভিযোগ আছে, আবে উপদলের সদস্যরা গত পাঁচ বছরে তহবিল সংগ্রহের বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সংগৃহীত ৫০ কোটিরও বেশি ইয়েনের হিসাব দিতে পারেননি।
জাপানে অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তহবিল সংগ্রহ করা বৈধ। দলের তহবিল সংগ্রহের অনুষ্ঠানের জন্য টিকিট বিক্রির যে কোটা থাকে, তা আবে উপদলের সদস্যরা ছাড়িয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু সংগৃহীত অর্থের পরিমাণ উল্লেখ করেননি তাঁরা—যা রাজনৈতিক তহবিল আইনের লঙ্ঘন।
এ ঘটনায় ফুমিও কিশিদার ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। এই কেলেঙ্কারি এলডিপির নির্বাচনী সম্ভাবনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে কি না, তা স্পষ্ট নয়। ১৯৫০-এর দশকের মাঝামাঝি থেকে প্রায় নিরবচ্ছিন্নভাবে শাসন করা দল এলডিপিকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত সাধারণ নির্বাচনে ভোটারদের মুখোমুখি হতে হবে না। তা ছাড়া, খুব কম মানুষই বিশ্বাস করে, বিভক্ত বিরোধীরা ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য এই ঘটনাকে কাজে লাগাতে পারবে।

ইরানে চলমান অস্থিরতায় প্রায় দুই হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন দেশটির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ তথ্য জানান। দেশজুড়ে টানা দুই সপ্তাহ ধরে চলা বিক্ষোভ ও কঠোর দমন-পীড়নে মৃত্যুর এই সংখ্যা প্রথমবারের মতো কর্তৃপক্ষ
১ ঘণ্টা আগে
ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী বলেছেন, বাংলাদেশে চলমান পরিস্থিতির ওপর নয়াদিল্লি নিবিড়ভাবে নজর রাখছে এবং কোনো ধরনের ‘ভুল-বোঝাবুঝি বা ভুল ব্যাখ্যা’ এড়াতে দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে যোগাযোগের সব চ্যানেল খোলা রাখা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর বার্ষিক সং
১ ঘণ্টা আগে
তাঁর এই মন্তব্য শুধু সংবেদনশীল সময়ে বিজয়ের পাশে দাঁড়ানোই নয়, একই সঙ্গে জল্পনা আরও জোরদার করেছে যে—রাজ্যে ক্ষমতাসীন দ্রাবিড়া মুন্নেত্রা কাজাগামের (ডিএমকে) সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেও কংগ্রেস হয়তো বিজয়ের দল তামিলগা ভেত্রি কড়গম বা টিভিকের সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতার পথ খোলা রাখছে।
২ ঘণ্টা আগে
অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযানের অংশ হিসেবে ২০২৫ সালে ১ লাখের বেশি ভিসা বাতিল করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে শিক্ষার্থী ভিসা রয়েছে প্রায় ৮ হাজারের বেশি। গতকাল সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানায়...
৫ ঘণ্টা আগে