কলকাতা প্রতিনিধি

ভারতে ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ার’ বলে খ্যাত প্রশান্ত কিশোর ওরফে পিকের কংগ্রেস যোগদান নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি দলটির নেতৃত্ব। সোমবার কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের সঙ্গে দলের প্রেসিডেন্ট সোনিয়া গান্ধীর বৈঠকের দলীয় মুখপাত্র রণদীপ সিং সুরজেওয়ালা এই কথা জানিয়েছেন।
কংগ্রেস রণদীপ সিং সাংবাদিকদের জানান, ২০২৪-এর জাতীয় নির্বাচনকে বিবেচনায় রেখে বিশেষ কমিটি গঠন করা হচ্ছে। শক্তিশালী সেই বিশেষ কমিটি ঘোষণা করা হবে আগামী ১৩ থেকে ১৫ মে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ‘চিন্তন শিবিরে’। সেই শিবিরের পরই এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত ঘোষিত হবে। তবে পিকে কংগ্রেসে যোগ দেবেন কিনা সে বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানা গিয়েছে।
কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ একটি সূত্রে খবর, পিকের কংগ্রেসে যোগদানের বিষয়টি নিয়ে সোনিয়া গান্ধীর নির্দেশে গঠিত ৭ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির মধ্যেই মতানৈক্য রয়েছে।
আগামী ১৩ মে কংগ্রেস শাসিত রাজস্থানের উদয়পুরে বসছে কংগ্রেসের বিশেষ ‘চিন্তন শিবির’। চলবে ১৫ মে পর্যন্ত। ৪ শতাধিক প্রতিনিধি অংশ নেবেন সেই শিবিরে। তাদের সামনেই ঘোষিত হবে কংগ্রেসের বিশেষ উচ্চশক্তিসম্পন্ন কমিটি। কিন্তু সেই কমিটিতে পিকে থাকবেন কিনা সেটা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে ঠিক হয়েছে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন সোনিয়াই। পিকের কৌশল নিয়ে অবশ্য কংগ্রেসে মতবিরোধ নেই। বিরোধ হচ্ছে তাঁকে নেতা হিসেবে মেনে নেওয়ার প্রশ্নে। পিকের তরফ থেকেও এই ব্যাপারে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো কিছু জানানো হয়নি।
এরই মধ্যে, পিকে পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। কংগ্রেস শিবিরে ভাঙন ধরানোর অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। সর্বশেষ তেলেঙ্গানা রাজ্যের ক্ষমতাসীন দল তেলেঙ্গানা রাজ্য সমিতির (টিআরএস) প্রধান কে চন্দ্রশেখর রাওয়ের সঙ্গেও চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন তিনি। আর দুটি দলই কংগ্রেস বিরোধী। তাই পিকের বিশ্বাসযোগ্যতা ও দলের প্রতি দায়বদ্ধতা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে কংগ্রেসের মধ্যে। তাই সব মিলিয়ে কংগ্রেস ও পিকের মধ্যকার সমঝোতা এখনো অনেকটাই অনিশ্চিত।

ভারতে ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ার’ বলে খ্যাত প্রশান্ত কিশোর ওরফে পিকের কংগ্রেস যোগদান নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি দলটির নেতৃত্ব। সোমবার কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের সঙ্গে দলের প্রেসিডেন্ট সোনিয়া গান্ধীর বৈঠকের দলীয় মুখপাত্র রণদীপ সিং সুরজেওয়ালা এই কথা জানিয়েছেন।
কংগ্রেস রণদীপ সিং সাংবাদিকদের জানান, ২০২৪-এর জাতীয় নির্বাচনকে বিবেচনায় রেখে বিশেষ কমিটি গঠন করা হচ্ছে। শক্তিশালী সেই বিশেষ কমিটি ঘোষণা করা হবে আগামী ১৩ থেকে ১৫ মে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ‘চিন্তন শিবিরে’। সেই শিবিরের পরই এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত ঘোষিত হবে। তবে পিকে কংগ্রেসে যোগ দেবেন কিনা সে বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানা গিয়েছে।
কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ একটি সূত্রে খবর, পিকের কংগ্রেসে যোগদানের বিষয়টি নিয়ে সোনিয়া গান্ধীর নির্দেশে গঠিত ৭ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির মধ্যেই মতানৈক্য রয়েছে।
আগামী ১৩ মে কংগ্রেস শাসিত রাজস্থানের উদয়পুরে বসছে কংগ্রেসের বিশেষ ‘চিন্তন শিবির’। চলবে ১৫ মে পর্যন্ত। ৪ শতাধিক প্রতিনিধি অংশ নেবেন সেই শিবিরে। তাদের সামনেই ঘোষিত হবে কংগ্রেসের বিশেষ উচ্চশক্তিসম্পন্ন কমিটি। কিন্তু সেই কমিটিতে পিকে থাকবেন কিনা সেটা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে ঠিক হয়েছে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন সোনিয়াই। পিকের কৌশল নিয়ে অবশ্য কংগ্রেসে মতবিরোধ নেই। বিরোধ হচ্ছে তাঁকে নেতা হিসেবে মেনে নেওয়ার প্রশ্নে। পিকের তরফ থেকেও এই ব্যাপারে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো কিছু জানানো হয়নি।
এরই মধ্যে, পিকে পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। কংগ্রেস শিবিরে ভাঙন ধরানোর অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। সর্বশেষ তেলেঙ্গানা রাজ্যের ক্ষমতাসীন দল তেলেঙ্গানা রাজ্য সমিতির (টিআরএস) প্রধান কে চন্দ্রশেখর রাওয়ের সঙ্গেও চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন তিনি। আর দুটি দলই কংগ্রেস বিরোধী। তাই পিকের বিশ্বাসযোগ্যতা ও দলের প্রতি দায়বদ্ধতা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে কংগ্রেসের মধ্যে। তাই সব মিলিয়ে কংগ্রেস ও পিকের মধ্যকার সমঝোতা এখনো অনেকটাই অনিশ্চিত।

এনডিটিভি জানিয়েছে, সীতামাড়ির ঝাঝিহাট গ্রামে সপ্তম শ্রেণির ছাত্র রিতেশ কুমার (ডাকনাম গোলু) সকালে যখন কোচিং ক্লাসে যাচ্ছিল, সে সময় এক দ্রুতগতির পিকআপ ভ্যান তাকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায় ওই ছাত্র। খবর পেয়ে রিতেশের পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাস্থলে ছুটে যায়।
৪৩ মিনিট আগে
কানাডা ও চীন বৈদ্যুতিক যান (ইভি) এবং ক্যানোলা (সরিষার মতো তেলবীজ) পণ্যের ওপর শুল্ক কমাতে একটি প্রাথমিক বাণিজ্য চুক্তিতে পৌঁছেছে। আজ শুক্রবার চীন সফররত কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এ কথা জানিয়েছেন। দুই দেশই বাণিজ্য বাধা দূর করা এবং নতুন কৌশলগত সম্পর্ক গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলার নেতা নিকোলাস মাদুরোর কড়া সমালোচক মাচাদো গত বছর ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের’ আন্দোলনের জন্য এই পুরস্কার জিতেছিলেন। এখন তিনি সেই পদক হোয়াইট হাউসে রেখে গেলেন এই আশায়, এই সৌজন্যের বিনিময়ে হয়তো আরও মূল্যবান কিছু মিলবে।
২ ঘণ্টা আগে
দক্ষিণ কোরিয়ার আদালত দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে ক্ষমতার অপব্যবহার করে সামরিক আইন (মার্শাল ল) ঘোষণা করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে