
গাজার সমুদ্র উপকূলে পুরোপুরি নিরস্ত্র ছিল দুই ফিলিস্তিনি। তাঁদের মধ্যে একজন ইসরায়েলি সেনাদের উদ্দেশে হাতে থাকা সাদা কাপড় উড়িয়েছেন। কিন্তু তাতেও রক্ষা হয়নি। ইসরায়েলি সেনারা সেই দুই নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিকে গুলি করে হত্যা করেছে এবং তারপর বুলডোজার দিয়ে বালিচাপা দিয়েছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার কাছে এই হত্যাকাণ্ডের ভিডিও ফুটেজ আছে। ভিডিও থেকে দেখা গেছে, গাজার একটি এলাকায় বিচ্ছিন্নভাবে হেঁটে যাচ্ছেন দুই ব্যক্তি। তাঁদের মধ্যে একজনের হাতে ছোট্ট এক টুকরো সাদা কাপড় ছিল। তিনি বারবার সেই সাদা কাপড় উড়িয়ে বার্তা দিতে চাইলেন, তাঁরা ইসরায়েলি সেনাদের জন্য কোনো হুমকি না।
ভিডিও থেকে আরও দেখা গেছে, তবে সাদা কাপড় উড়িয়েও লাভ হয়নি। তাঁদের দুজনকেই গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। পরে একটি বুলডোজারের সাহায্যে কাছাকাছি, কিন্তু পৃথক দুটি স্থানে ওই দুই ব্যক্তিকে বালিচাপা দেওয়া হয়।
ফিলিস্তিনে মানবাধিকার বিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ দূত অধ্যাপক রিচার্ড ফাল্ক বলেছেন, ‘এই ঘটনা ইসরায়েলি সেনারা দৈনন্দিন ভিত্তিতে গাজায় যে নৃশংসতা চালাচ্ছে তার জ্বলন্ত প্রমাণ।’ তবে এই প্রথম নয়, এর আগেও হাজারো বার ইসরায়েলি সেনারা নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিদের ওপর গুলি চালিয়েছে।
এই তো কিছুদিন আগেই, উত্তর গাজার একটি ত্রাণ ক্যাম্পে ত্রাণের জন্য অপেক্ষায় থাকা নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিদের ওপর গুলি চালিয়েছিল ইসরায়েলি সেনারা। গত ২৯ ফেব্রুয়ারি গাজা শহরের পশ্চিম নাবুলসি গোলচত্বরে ত্রাণের ট্রাকের দিকে খাবারের জন্য মরিয়া হাজার হাজার মানুষ ছুটে গেলে ভিড়ের ওপর গুলি চালায় ইসরায়েলিরা। সেই গুলিতে ঘটনাস্থলেই নিহত হয় অন্তত ১১২ জন এবং আহত হয় আরও অন্তত ৭ শতাধিক ফিলিস্তিনি।
একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটে গত মার্চ। সেদিন গাজা শহরের উপকণ্ঠে কুয়েত গোলচত্বরে ত্রাণবাহী ট্রাকের জন্য অপেক্ষায় থাকা ফিলিস্তিনিদের ওপর বিনা কারণে ছোড়া ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে অন্তত ৯ জন নিহত হয়।

গাজার সমুদ্র উপকূলে পুরোপুরি নিরস্ত্র ছিল দুই ফিলিস্তিনি। তাঁদের মধ্যে একজন ইসরায়েলি সেনাদের উদ্দেশে হাতে থাকা সাদা কাপড় উড়িয়েছেন। কিন্তু তাতেও রক্ষা হয়নি। ইসরায়েলি সেনারা সেই দুই নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিকে গুলি করে হত্যা করেছে এবং তারপর বুলডোজার দিয়ে বালিচাপা দিয়েছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার কাছে এই হত্যাকাণ্ডের ভিডিও ফুটেজ আছে। ভিডিও থেকে দেখা গেছে, গাজার একটি এলাকায় বিচ্ছিন্নভাবে হেঁটে যাচ্ছেন দুই ব্যক্তি। তাঁদের মধ্যে একজনের হাতে ছোট্ট এক টুকরো সাদা কাপড় ছিল। তিনি বারবার সেই সাদা কাপড় উড়িয়ে বার্তা দিতে চাইলেন, তাঁরা ইসরায়েলি সেনাদের জন্য কোনো হুমকি না।
ভিডিও থেকে আরও দেখা গেছে, তবে সাদা কাপড় উড়িয়েও লাভ হয়নি। তাঁদের দুজনকেই গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। পরে একটি বুলডোজারের সাহায্যে কাছাকাছি, কিন্তু পৃথক দুটি স্থানে ওই দুই ব্যক্তিকে বালিচাপা দেওয়া হয়।
ফিলিস্তিনে মানবাধিকার বিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ দূত অধ্যাপক রিচার্ড ফাল্ক বলেছেন, ‘এই ঘটনা ইসরায়েলি সেনারা দৈনন্দিন ভিত্তিতে গাজায় যে নৃশংসতা চালাচ্ছে তার জ্বলন্ত প্রমাণ।’ তবে এই প্রথম নয়, এর আগেও হাজারো বার ইসরায়েলি সেনারা নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিদের ওপর গুলি চালিয়েছে।
এই তো কিছুদিন আগেই, উত্তর গাজার একটি ত্রাণ ক্যাম্পে ত্রাণের জন্য অপেক্ষায় থাকা নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিদের ওপর গুলি চালিয়েছিল ইসরায়েলি সেনারা। গত ২৯ ফেব্রুয়ারি গাজা শহরের পশ্চিম নাবুলসি গোলচত্বরে ত্রাণের ট্রাকের দিকে খাবারের জন্য মরিয়া হাজার হাজার মানুষ ছুটে গেলে ভিড়ের ওপর গুলি চালায় ইসরায়েলিরা। সেই গুলিতে ঘটনাস্থলেই নিহত হয় অন্তত ১১২ জন এবং আহত হয় আরও অন্তত ৭ শতাধিক ফিলিস্তিনি।
একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটে গত মার্চ। সেদিন গাজা শহরের উপকণ্ঠে কুয়েত গোলচত্বরে ত্রাণবাহী ট্রাকের জন্য অপেক্ষায় থাকা ফিলিস্তিনিদের ওপর বিনা কারণে ছোড়া ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে অন্তত ৯ জন নিহত হয়।

সিরীয় সরকার এবং কুর্দি নেতৃত্বাধীন সিরিয়ান ডেমোক্র্যাটিক ফোর্সেসের (এসডিএফ) মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির অধীনে এসডিএফ তাদের বাহিনীকে ইউফ্রেটিস বা ফোরাত নদীর পশ্চিম তীরবর্তী এলাকাগুলো থেকে প্রত্যাহার করে নেবে। গতকাল রোববার এই চুক্তি হয়।
১ ঘণ্টা আগে
স্পেনের দক্ষিণাঞ্চলে দুটি উচ্চগতির ট্রেনের সংঘর্ষে অন্তত ২১ জন নিহত এবং ৩০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় গতকাল রোববার সন্ধ্যায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে আল-জাজিরা।
১ ঘণ্টা আগে
মিনেসোটায় মার্কিন সরকারের অভিবাসনবিরোধী অভিযানের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া বিক্ষোভ চরম আকার ধারণ করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আলাস্কাভিত্তিক সেনাবাহিনীর ১১তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের দুটি পদাতিক ব্যাটালিয়নকে ‘প্রিপেয়ার-টু-ডিপ্লয়’ বা মোতায়েনের জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
রয়টার্স নয়াদিল্লির একটি জ্যেষ্ঠ সরকারি সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, ভারতকে এই বৈশ্বিক শান্তি উদ্যোগের অংশ হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে ভারত এই জোটে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেবে কি না, তা নিয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা প্রতিক্রিয়া জানায়নি দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
১০ ঘণ্টা আগে