
তুরস্কের আইডিইএফ প্রতিরক্ষা সম্মেলনে একটি পাকিস্তানি প্রতিরক্ষা সংস্থা নতুন কিছু ক্ষেপণাস্ত্র এবং একটি ড্রোন উন্মোচন করেছে। গত ২৫-২৮ জুলাই এই সম্মেলন হয়। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডিফেন্স নিউজ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
এই সম্মেলনে পাকিস্তানের গ্লোবাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড ডিফেন্স সলিউশন (জিআইডিএস) আকাশ থেকে নিক্ষেপযোগ্য মাঝারি পাল্লার ফাজ-আরএফ এবং ফাজ-আইআইআর ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন করেছে। এ সময় মাঝারি উচ্চতায় এবং দীর্ঘ সময় উড্ডয়নে সক্ষম শাহপার–৩ যুদ্ধ ড্রোনও উন্মোচন করে।
জিআইডিএসের প্রধান নির্বাহী আসাদ কামাল ডিফেন্স নিউজকে বলেন, ‘ফাজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন প্রদর্শন করা হয়েছে। ফাজ-আরএফ একটি সক্রিয় রাডার গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র। আর ফাজ-আইআইআর একটি ইমেজিং ইনফ্রারেড সিকার বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ক্ষেপণাস্ত্র। উভয়ই ১০০ কিলোমিটার (৬২ মাইল) দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। এর গতি মাক ৩ দশমিক ৫ (শব্দের ৩.৫ গুন বেশি গতিসম্পন্ন) পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে এবং জিআডিএস অনুসারে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৬ হাজার ফুট ওপরে উড়তে পারে।’
ফাজ-আরএফ যে কোনো দিকে ২৫ কিলোমিটারের মধ্যে লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করতে পারে এবং ফাজ-আইআইআরের এই সক্ষমতা ৪০ কিলোমিটার। ফাজ ডিজাইনটি আংশিকভাবে চীনা এসডি-১০/পিএল-১২ ক্ষেপণাস্ত্রের মতো। এটি পাকিস্তান অ্যারোনটিক্যাল কমপ্লেক্সের লাইসেন্সের অধীনে তৈরি করা হয়েছে।
জিআইডিএস বলছে, যুদ্ধাস্ত্রগুলো স্থানীয়ভাবে তৈরি এবং এসবের মেধাস্বত্বের মালিক পাকিস্তান।
শাহপার–৩ গ্রুপ ৪+ শ্রেণির ড্রোন, যা অস্ত্র বহনে সক্ষম। এটির ওজন ১ হাজার ৩২০ পাউন্ডের বেশি। এটিতে ৫৩০ কিলোগ্রাম (১ হাজার ১৬৮ পাউন্ড) অস্ত্র সরঞ্জাম রাখার জন্য ছয়টি হার্ডপয়েন্ট রয়েছে। এটি উড্ডয়নের সময় সর্বোচ্চ ১ হাজার ৬৫০ কিলোগ্রাম ওজন বহন করতে পারে।
এটি দেশীয়ভাবে তৈরি একটি এভিওনিক্স। এতে অ্যান্টি-আইসিং/ডিসিং সিস্টেম ও ১৫৫৩ আর্কিটেকচারের দুটি অতিরিক্ত ফ্লাইট কন্ট্রোল কম্পিউটার রয়েছে। ইলেকট্রো-অপটিক্যাল/ইনফ্রারেড, সিনথেটিক অ্যাপারচার রাডার, কমিউনিকেশন ইন্টেলিজেন্স এবং সিগন্যাল ইন্টেলিজেন্সসহ একাধিক বিকল্প সেন্সরও রয়েছে।
এতে ১৪০ হর্সপাওয়ার এবং ১৭০ হর্সপাওয়ারের ইঞ্জিন স্থাপনের সুযোগ রয়েছে। এর মধ্যে ১৪০ হর্সপাওয়ার মেশিনেরটি ২৪ ঘণ্টা ৩০ হাজার ফুট উচ্চতা থেকে তথ্য সংগ্রহ, নজরদারি এবং গোয়েন্দা মিশন পরিচালনায় সক্ষম। এ ছাড়া এটি ২৮ হাজার ফুট উচ্চতায় সশস্ত্র অবস্থায় টানা ১৭ ঘণ্টা উড়তে পারে।
আর ১৭০ হর্সপাওয়ারে দুইভাবে এটি পরিচালনা করা সম্ভব। একটি ৪১ হাজার ফুট উচ্চতায় ৪০ ঘণ্টা এবং অপরটি ৩৫ হাজার ফুট উচ্চতায় ৩৫ ঘণ্টা উড়তে সক্ষম।
ড্রোনের ইঞ্জিনগুলো বিদেশি হলেও জিআইডিএস উৎস প্রকাশ করেনি। অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর আগামী বছর শাহপার–৩ রপ্তানির জন্য তৈরি করা হবে বলে সংস্থাটি জানিয়েছে।

তুরস্কের আইডিইএফ প্রতিরক্ষা সম্মেলনে একটি পাকিস্তানি প্রতিরক্ষা সংস্থা নতুন কিছু ক্ষেপণাস্ত্র এবং একটি ড্রোন উন্মোচন করেছে। গত ২৫-২৮ জুলাই এই সম্মেলন হয়। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডিফেন্স নিউজ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
এই সম্মেলনে পাকিস্তানের গ্লোবাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড ডিফেন্স সলিউশন (জিআইডিএস) আকাশ থেকে নিক্ষেপযোগ্য মাঝারি পাল্লার ফাজ-আরএফ এবং ফাজ-আইআইআর ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন করেছে। এ সময় মাঝারি উচ্চতায় এবং দীর্ঘ সময় উড্ডয়নে সক্ষম শাহপার–৩ যুদ্ধ ড্রোনও উন্মোচন করে।
জিআইডিএসের প্রধান নির্বাহী আসাদ কামাল ডিফেন্স নিউজকে বলেন, ‘ফাজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন প্রদর্শন করা হয়েছে। ফাজ-আরএফ একটি সক্রিয় রাডার গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র। আর ফাজ-আইআইআর একটি ইমেজিং ইনফ্রারেড সিকার বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ক্ষেপণাস্ত্র। উভয়ই ১০০ কিলোমিটার (৬২ মাইল) দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। এর গতি মাক ৩ দশমিক ৫ (শব্দের ৩.৫ গুন বেশি গতিসম্পন্ন) পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে এবং জিআডিএস অনুসারে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৬ হাজার ফুট ওপরে উড়তে পারে।’
ফাজ-আরএফ যে কোনো দিকে ২৫ কিলোমিটারের মধ্যে লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করতে পারে এবং ফাজ-আইআইআরের এই সক্ষমতা ৪০ কিলোমিটার। ফাজ ডিজাইনটি আংশিকভাবে চীনা এসডি-১০/পিএল-১২ ক্ষেপণাস্ত্রের মতো। এটি পাকিস্তান অ্যারোনটিক্যাল কমপ্লেক্সের লাইসেন্সের অধীনে তৈরি করা হয়েছে।
জিআইডিএস বলছে, যুদ্ধাস্ত্রগুলো স্থানীয়ভাবে তৈরি এবং এসবের মেধাস্বত্বের মালিক পাকিস্তান।
শাহপার–৩ গ্রুপ ৪+ শ্রেণির ড্রোন, যা অস্ত্র বহনে সক্ষম। এটির ওজন ১ হাজার ৩২০ পাউন্ডের বেশি। এটিতে ৫৩০ কিলোগ্রাম (১ হাজার ১৬৮ পাউন্ড) অস্ত্র সরঞ্জাম রাখার জন্য ছয়টি হার্ডপয়েন্ট রয়েছে। এটি উড্ডয়নের সময় সর্বোচ্চ ১ হাজার ৬৫০ কিলোগ্রাম ওজন বহন করতে পারে।
এটি দেশীয়ভাবে তৈরি একটি এভিওনিক্স। এতে অ্যান্টি-আইসিং/ডিসিং সিস্টেম ও ১৫৫৩ আর্কিটেকচারের দুটি অতিরিক্ত ফ্লাইট কন্ট্রোল কম্পিউটার রয়েছে। ইলেকট্রো-অপটিক্যাল/ইনফ্রারেড, সিনথেটিক অ্যাপারচার রাডার, কমিউনিকেশন ইন্টেলিজেন্স এবং সিগন্যাল ইন্টেলিজেন্সসহ একাধিক বিকল্প সেন্সরও রয়েছে।
এতে ১৪০ হর্সপাওয়ার এবং ১৭০ হর্সপাওয়ারের ইঞ্জিন স্থাপনের সুযোগ রয়েছে। এর মধ্যে ১৪০ হর্সপাওয়ার মেশিনেরটি ২৪ ঘণ্টা ৩০ হাজার ফুট উচ্চতা থেকে তথ্য সংগ্রহ, নজরদারি এবং গোয়েন্দা মিশন পরিচালনায় সক্ষম। এ ছাড়া এটি ২৮ হাজার ফুট উচ্চতায় সশস্ত্র অবস্থায় টানা ১৭ ঘণ্টা উড়তে পারে।
আর ১৭০ হর্সপাওয়ারে দুইভাবে এটি পরিচালনা করা সম্ভব। একটি ৪১ হাজার ফুট উচ্চতায় ৪০ ঘণ্টা এবং অপরটি ৩৫ হাজার ফুট উচ্চতায় ৩৫ ঘণ্টা উড়তে সক্ষম।
ড্রোনের ইঞ্জিনগুলো বিদেশি হলেও জিআইডিএস উৎস প্রকাশ করেনি। অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর আগামী বছর শাহপার–৩ রপ্তানির জন্য তৈরি করা হবে বলে সংস্থাটি জানিয়েছে।

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৭ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৭ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
১০ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
১০ ঘণ্টা আগে