
মালদ্বীপ থেকে নিজেদের সৈন্য প্রত্যাহার করতে সম্মত হয়েছে ভারত সরকার। আজ রোববার মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু এই তথ্য জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতকে অগ্রাধিকার দেওয়ার নীতি থেকে সরে আসার প্রচারণা চালিয়ে এবং মালদ্বীপে অবস্থানরত ভারতীয় সেনাদের অপসারণের প্রতিশ্রুতি দিয়ে গত সেপ্টেম্বরে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন মুইজ্জু। বিজয়ের পরই দেশটিতে নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে এক সাক্ষাতে সেনাদের দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সেনা প্রত্যাহারে ভারতীয় সিদ্ধান্তের বিষয়ে আজ রোববার মুইজ্জু বলেন, ‘আলোচনায় ভারত সরকার ভারতীয় সৈন্যদের অপসারণে সম্মত হয়েছে।’
তবে ভারত সরকারের সহযোগিতায় চলমান কিছু উন্নয়ন প্রকল্প সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানের জন্য একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করা হচ্ছে বলে জানান মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট।
বর্তমানে কপ-২৮ জলবায়ু সম্মেলনে সুবাদে আরব-আমিরাতের দুবাইয়ে অবস্থান করছেন মুইজ্জু। সেখানেই সম্মেলনের সাইডলাইনে ভারতীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর দ্বিপক্ষীয় বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলেন তিনি।
জানা গেছে, ইতিপূর্বে মালদ্বীপকে কিছু সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করেছে ভারত, দুর্যোগ মোকাবিলায় সহায়তা করা ছাড়াও মালদ্বীপে একটি নৌ ডকইয়ার্ড তৈরিতেও ভারতের সহায়তা রয়েছে।
মুইজ্জুর বক্তব্যের বিষয়ে নয়াদিল্লিতে ভারতের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে ভারত ও মালদ্বীপের মধ্যে আলোচনা হয়েছে এবং উভয় পক্ষই ভারতের সহায়তার গুরুত্ব স্বীকার করেছে। তিনি বলেন, ‘মালদ্বীপ ভারতীয় প্ল্যাটফর্মগুলোর উপযোগিতা স্বীকার করেছে। কীভাবে তাদের সচল রাখা যায়—সে বিষয়ে আলোচনা চলছে।’
এদিকে মুইজ্জুর বক্তব্যের বিষয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করা হলে কর্মকর্তারা সাড়া দেননি।
মালদ্বীপে প্রভাব বিস্তারের ক্ষেত্রে ভারত ও চীনের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা রয়েছে। নতুন প্রেসিডেন্ট মুইজ্জুকে চীনপন্থী হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

মালদ্বীপ থেকে নিজেদের সৈন্য প্রত্যাহার করতে সম্মত হয়েছে ভারত সরকার। আজ রোববার মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু এই তথ্য জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতকে অগ্রাধিকার দেওয়ার নীতি থেকে সরে আসার প্রচারণা চালিয়ে এবং মালদ্বীপে অবস্থানরত ভারতীয় সেনাদের অপসারণের প্রতিশ্রুতি দিয়ে গত সেপ্টেম্বরে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন মুইজ্জু। বিজয়ের পরই দেশটিতে নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে এক সাক্ষাতে সেনাদের দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সেনা প্রত্যাহারে ভারতীয় সিদ্ধান্তের বিষয়ে আজ রোববার মুইজ্জু বলেন, ‘আলোচনায় ভারত সরকার ভারতীয় সৈন্যদের অপসারণে সম্মত হয়েছে।’
তবে ভারত সরকারের সহযোগিতায় চলমান কিছু উন্নয়ন প্রকল্প সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানের জন্য একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করা হচ্ছে বলে জানান মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট।
বর্তমানে কপ-২৮ জলবায়ু সম্মেলনে সুবাদে আরব-আমিরাতের দুবাইয়ে অবস্থান করছেন মুইজ্জু। সেখানেই সম্মেলনের সাইডলাইনে ভারতীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর দ্বিপক্ষীয় বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলেন তিনি।
জানা গেছে, ইতিপূর্বে মালদ্বীপকে কিছু সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করেছে ভারত, দুর্যোগ মোকাবিলায় সহায়তা করা ছাড়াও মালদ্বীপে একটি নৌ ডকইয়ার্ড তৈরিতেও ভারতের সহায়তা রয়েছে।
মুইজ্জুর বক্তব্যের বিষয়ে নয়াদিল্লিতে ভারতের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে ভারত ও মালদ্বীপের মধ্যে আলোচনা হয়েছে এবং উভয় পক্ষই ভারতের সহায়তার গুরুত্ব স্বীকার করেছে। তিনি বলেন, ‘মালদ্বীপ ভারতীয় প্ল্যাটফর্মগুলোর উপযোগিতা স্বীকার করেছে। কীভাবে তাদের সচল রাখা যায়—সে বিষয়ে আলোচনা চলছে।’
এদিকে মুইজ্জুর বক্তব্যের বিষয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করা হলে কর্মকর্তারা সাড়া দেননি।
মালদ্বীপে প্রভাব বিস্তারের ক্ষেত্রে ভারত ও চীনের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা রয়েছে। নতুন প্রেসিডেন্ট মুইজ্জুকে চীনপন্থী হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

ভারতের কেন্দ্র সরকার পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও ত্রিপুরায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার কয়েকটি পরিত্যক্ত এয়ারস্ট্রিপ পুনরুজ্জীবিত করার পরিকল্পনা নিয়েছে। সূত্র জানিয়েছে, বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলোতে আঞ্চলিক যোগাযোগ বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
১৬ মিনিট আগে
হাসান আলী প্রশ্ন করেন—কেন তাঁর বাবাকে দুই দেশের মধ্যে এভাবে ছোড়াছুড়ি করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমার দেশ আমার বাবাকে বাংলাদেশি বলে ঘোষণা করেছে। কিন্তু বাংলাদেশ তাঁকে দুইবার ফেরত পাঠিয়েছে। তাহলে আমাদের দেশ কোনটা? আমাদের দেশ আছে কি?’
২ ঘণ্টা আগে
লোহিত সাগর অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে সব চুক্তি বাতিল করেছে সোমালিয়া সরকার। গতকাল সোমবার মোগাদিসু সরকার এই ঘোষণা দিয়ে পারস্য উপসাগরীয় দেশটিকে তাদের সামরিক ঘাঁটি ও প্রধান বন্দর অবকাঠামো থেকে বহিষ্কার করেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইরানে সামরিক হামলার হুমকি দেওয়া অব্যাহত রেখেছে। দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া বিক্ষোভের মুখে ইরানি সরকার যখন ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে, তখন প্রশাসন জানিয়েছে যে সম্ভাব্য বিভিন্ন বিকল্পের মধ্যে ‘বিমান হামলা’ অন্যতম।
৩ ঘণ্টা আগে