
চীনের কড়া হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করে এবার একজন সিনেটরকে তাইওয়ান সফরে পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার মার্কিন সিনেটর মার্শা ব্ল্যাকবার্ন তাইওয়ানে পৌঁছেছেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীন-তাইওয়ান উত্তেজনার মধ্যে তৃতীয় মার্কিন ব্যক্তি হিসেবে তাইওয়ান সফরে গেলেন তিনি।
ব্ল্যাকবার্নের কার্যালয় জানিয়েছে, একটি মার্কিন সামরিক উড়োজাহাজে চেপে তিনি তাইওয়ানের রাজধানী তাইপেতে পৌঁছেছেন। সেখানে তাইওয়ানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক ডগলাস হু তাঁকে সোংশান বিমানবন্দরে স্বাগত জানিয়েছেন।
ব্ল্যাকবার্ন এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে তাইওয়ান আমাদের সবচেয়ে শক্তিশালী অংশীদার। মার্কিন পররাষ্ট্রনীতি মেনেই তাইপেতে নিয়মিত উচ্চপর্যায়ের সফরগুলো হয়। আমি কমিউনিস্ট চীনের হুমকির কারণে তাইওয়ান থেকে মুখ ফিরিয়ে নেব না।’
তাইওয়ানের গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারের কঠোর আপত্তির পরেও চীন সব সময় তাইওয়ানকে নিজেদের অঞ্চল বলে দাবি করে। চলতি মাসের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি তাইওয়ান সফর করার পর এই দ্বীপরাষ্ট্রের কাছে সামরিক মহড়া শুরু করেছে চীন।
তাইওয়ানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ব্ল্যাকবর্নের সফর শেষ হবে শনিবার। সফরকালে তিনি তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ইং ওয়েন, শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা ওয়েলিংটন কু এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোসেফ উর সঙ্গে বৈঠক করবেন। বৈঠকে দুই দেশের নিরাপত্তা ও বাণিজ্য সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা স্থান পাবে।
আজ শুক্রবার প্রেসিডেন্ট ইং ওয়েনের সঙ্গে ব্ল্যাকবার্নের সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে বলে জানিয়েছে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টের কার্যালয়।
এদিকে ওয়াশিংটনে চীনা দূতাবাসের মুখপাত্র লিউ পেংইউ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র উসকানি দিলে তারা পাল্টা ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। তিনি এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘মার্কিন সিনেটরের সফরটি আবারও প্রমাণ করে যে যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ান প্রণালিজুড়ে স্থিতিশীলতা দেখতে চায় না।’

চীনের কড়া হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করে এবার একজন সিনেটরকে তাইওয়ান সফরে পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার মার্কিন সিনেটর মার্শা ব্ল্যাকবার্ন তাইওয়ানে পৌঁছেছেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীন-তাইওয়ান উত্তেজনার মধ্যে তৃতীয় মার্কিন ব্যক্তি হিসেবে তাইওয়ান সফরে গেলেন তিনি।
ব্ল্যাকবার্নের কার্যালয় জানিয়েছে, একটি মার্কিন সামরিক উড়োজাহাজে চেপে তিনি তাইওয়ানের রাজধানী তাইপেতে পৌঁছেছেন। সেখানে তাইওয়ানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক ডগলাস হু তাঁকে সোংশান বিমানবন্দরে স্বাগত জানিয়েছেন।
ব্ল্যাকবার্ন এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে তাইওয়ান আমাদের সবচেয়ে শক্তিশালী অংশীদার। মার্কিন পররাষ্ট্রনীতি মেনেই তাইপেতে নিয়মিত উচ্চপর্যায়ের সফরগুলো হয়। আমি কমিউনিস্ট চীনের হুমকির কারণে তাইওয়ান থেকে মুখ ফিরিয়ে নেব না।’
তাইওয়ানের গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারের কঠোর আপত্তির পরেও চীন সব সময় তাইওয়ানকে নিজেদের অঞ্চল বলে দাবি করে। চলতি মাসের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি তাইওয়ান সফর করার পর এই দ্বীপরাষ্ট্রের কাছে সামরিক মহড়া শুরু করেছে চীন।
তাইওয়ানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ব্ল্যাকবর্নের সফর শেষ হবে শনিবার। সফরকালে তিনি তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ইং ওয়েন, শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা ওয়েলিংটন কু এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোসেফ উর সঙ্গে বৈঠক করবেন। বৈঠকে দুই দেশের নিরাপত্তা ও বাণিজ্য সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা স্থান পাবে।
আজ শুক্রবার প্রেসিডেন্ট ইং ওয়েনের সঙ্গে ব্ল্যাকবার্নের সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে বলে জানিয়েছে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টের কার্যালয়।
এদিকে ওয়াশিংটনে চীনা দূতাবাসের মুখপাত্র লিউ পেংইউ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র উসকানি দিলে তারা পাল্টা ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। তিনি এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘মার্কিন সিনেটরের সফরটি আবারও প্রমাণ করে যে যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ান প্রণালিজুড়ে স্থিতিশীলতা দেখতে চায় না।’

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৬ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৯ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৯ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
১০ ঘণ্টা আগে