
জাপান থেকে যুক্তরাষ্ট্রগামী একটি ফ্লাইটে এক মদ্যপ যাত্রী কেবিন ক্রুকে কামড়ে দেওয়ায় মাঝপথ থেকেই ফিরে এসেছে উড়োজাহাজটি। আজ বুধবার অল নিপ্পন এয়ারওয়েজের (এএনএ) এক মুখপাত্র বার্তা সংস্থা এএফপিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মুখপাত্র বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, ৫৫ বছর বয়সী ওই মদ্যপ যাত্রী যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। তিনি মদ্যপ অবস্থায় কেবিন ক্রুর হাতে কামড় দেন। এতে ওই কেবিন ক্রু কিছুটা জখম হয়েছেন।
এএনএ বলছে, এ ঘটনার পরই পাইলটরা ১৫৯ যাত্রীসহ উড়োজাহাজটি জাপানের হানেদা বিমানবন্দরে ফিরিয়ে আনেন। অবতরণের পর অভিযুক্ত ব্যক্তিকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
অভিযুক্ত যাত্রীকে উদ্ধৃত করে জাপানের সম্প্রচারমাধ্যম টিবিএস বলে, ফ্লাইটে থাকার সময় কী করেছেন, তার কিছুই তিনি মনে করতে পারছেন না।
এ ঘটনাকে জম্বি সিনেমার গল্পের সঙ্গে তুলনা করেছেন সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারীরা।
এ বছর জাপানে উড়োজাহাজকেন্দ্রিক একের পর এক ঘটনা ঘটেই চলছে। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুতর ছিল ২ জানুয়ারি হানেদা বিমানবন্দরে জাপান এয়ারলাইনসের যাত্রীবাহী উড়োজাহাজের সঙ্গে একটি কোস্ট গার্ড উড়োজাহাজের সংঘর্ষ। উড়োজাহাজে আগুন ধরার ঠিক আগমুহূর্তে অবিশ্বাস্যভাবে বের হতে সক্ষম হন ৩৭৯ আরোহী। তবে কোস্ট গার্ড উড়োজাহাজের ছয় আরোহীর মধ্যে ৫ জনের মৃত্যু হয়।
এরপর গতকাল মঙ্গলবার জাপানের উত্তরাঞ্চলের দ্বীপ হোক্কাইদো বিমানবন্দরে কোরিয়ান এয়ারের উড়োজাহাজের ডানার প্রান্ত যাত্রীশূন্য ক্যাথে প্যাসিফিক উড়োজাহাজকে ধাক্কা দেয়। ভারী তুষারের কারণে উড়োজাহাজের থার্ড-পার্টি গ্রাউন্ড হ্যান্ডলার পিছলে পড়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি।
১৪ জানুয়ারি শিকাগো বিমানবন্দরে একই ঘটনা ঘটে। এএনএর একটি উড়োজাহাজের সঙ্গে ডেলটা এয়ারলাইনসের উড়োজাহাজের সংঘর্ষ হয়। এতেও কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

জাপান থেকে যুক্তরাষ্ট্রগামী একটি ফ্লাইটে এক মদ্যপ যাত্রী কেবিন ক্রুকে কামড়ে দেওয়ায় মাঝপথ থেকেই ফিরে এসেছে উড়োজাহাজটি। আজ বুধবার অল নিপ্পন এয়ারওয়েজের (এএনএ) এক মুখপাত্র বার্তা সংস্থা এএফপিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মুখপাত্র বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, ৫৫ বছর বয়সী ওই মদ্যপ যাত্রী যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। তিনি মদ্যপ অবস্থায় কেবিন ক্রুর হাতে কামড় দেন। এতে ওই কেবিন ক্রু কিছুটা জখম হয়েছেন।
এএনএ বলছে, এ ঘটনার পরই পাইলটরা ১৫৯ যাত্রীসহ উড়োজাহাজটি জাপানের হানেদা বিমানবন্দরে ফিরিয়ে আনেন। অবতরণের পর অভিযুক্ত ব্যক্তিকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
অভিযুক্ত যাত্রীকে উদ্ধৃত করে জাপানের সম্প্রচারমাধ্যম টিবিএস বলে, ফ্লাইটে থাকার সময় কী করেছেন, তার কিছুই তিনি মনে করতে পারছেন না।
এ ঘটনাকে জম্বি সিনেমার গল্পের সঙ্গে তুলনা করেছেন সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারীরা।
এ বছর জাপানে উড়োজাহাজকেন্দ্রিক একের পর এক ঘটনা ঘটেই চলছে। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুতর ছিল ২ জানুয়ারি হানেদা বিমানবন্দরে জাপান এয়ারলাইনসের যাত্রীবাহী উড়োজাহাজের সঙ্গে একটি কোস্ট গার্ড উড়োজাহাজের সংঘর্ষ। উড়োজাহাজে আগুন ধরার ঠিক আগমুহূর্তে অবিশ্বাস্যভাবে বের হতে সক্ষম হন ৩৭৯ আরোহী। তবে কোস্ট গার্ড উড়োজাহাজের ছয় আরোহীর মধ্যে ৫ জনের মৃত্যু হয়।
এরপর গতকাল মঙ্গলবার জাপানের উত্তরাঞ্চলের দ্বীপ হোক্কাইদো বিমানবন্দরে কোরিয়ান এয়ারের উড়োজাহাজের ডানার প্রান্ত যাত্রীশূন্য ক্যাথে প্যাসিফিক উড়োজাহাজকে ধাক্কা দেয়। ভারী তুষারের কারণে উড়োজাহাজের থার্ড-পার্টি গ্রাউন্ড হ্যান্ডলার পিছলে পড়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি।
১৪ জানুয়ারি শিকাগো বিমানবন্দরে একই ঘটনা ঘটে। এএনএর একটি উড়োজাহাজের সঙ্গে ডেলটা এয়ারলাইনসের উড়োজাহাজের সংঘর্ষ হয়। এতেও কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৪ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৭ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৭ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৮ ঘণ্টা আগে