আজকের পত্রিকা ডেস্ক

থাইল্যান্ডের সরকার আবারও গাঁজাকে অবৈধ ঘোষণা করার পদক্ষেপ নিচ্ছে। এতে দেশটির ১ বিলিয়ন বা ১০০ কোটি ডলারের বেশি মূল্যের শিল্প খাত অনিশ্চয়তায় পড়তে যাচ্ছে। ২০২২ সালে দেশটি গাঁজাকে মাদকদ্রব্যের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার পর এই শিল্প ব্যাপকভাবে প্রসারিত হয়েছিল।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাঁজার বিনোদনমূলক ব্যবহারে নতুন করে নিয়ন্ত্রণ আরোপের এই উদ্যোগ আসছে এমন সময়ে, যখন গাঁজার বৈধতার পক্ষে থাকা ভূমজাইথাই পার্টি গত সপ্তাহে ক্ষমতাসীন জোট থেকে বেরিয়ে গেছে। কারণ, থাই প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা প্রতিবেশী কম্বোডিয়ার সঙ্গে সীমান্ত বিরোধ পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
গত মঙ্গলবার রাতে থাইল্যান্ডের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এক নির্দেশনা জারি করে গাঁজার বিনোদনমূলক ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে। পাশাপাশি বলা হয়েছে, গাঁজা কিনতে হলে চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন বাধ্যতামূলক। এই নতুন নিয়ম রাজকীয় গেজেটে প্রকাশিত হওয়ার পরই কার্যকর হবে, যা আগামী কয়েক দিনের মধ্যে হতে পারে।
এ বিষয়ে থাইল্যান্ডের স্বাস্থ্যমন্ত্রী সোমসাক থেপসুথিন বলেন, ভবিষ্যতে গাঁজাকে আবারও মাদকদ্রব্য হিসেবে ঘোষণা করা হবে।
তিন বছর আগে থাইল্যান্ড এশিয়ার প্রথম দিকের দেশগুলোর একটি হিসেবে গাঁজার বিনোদনমূলক ব্যবহারের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়। তবে তখন এ খাতের জন্য কোনো নির্দিষ্ট আইন-কানুন তৈরি করা হয়নি। এরপর থাইল্যান্ডে হাজার হাজার দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠে গাঁজা ক্রয় ও বিক্রয়কে কেন্দ্র করে। এসব প্রতিষ্ঠানের বেশির ভাগই দেশটির পর্যটন এলাকাগুলোতে অবস্থিত।
থাই চেম্বার অব কমার্সের এক পূর্ববর্তী হিসাব বলছে, চিকিৎসাসংক্রান্ত পণ্যসহ গাঁজাশিল্পের বাজার ২০২৫ সালের মধ্যে প্রায় ১২০ কোটি ডলারে পৌঁছাতে পারত। সরকারি মুখপাত্র জিরায়ু হুংসুব জানিয়েছেন, গাঁজার নিয়ন্ত্রণহীন ব্যবহার সমাজে বিশেষ করে শিশু-কিশোরদের জন্য বড় ধরনের সামাজিক সমস্যা তৈরি করেছে। তিনি বলেন, ‘নীতিকে অবশ্যই তার মূল লক্ষ্য—শুধু চিকিৎসার কাজে গাঁজা ব্যবহারের নিয়ন্ত্রণে—ফিরে যেতে হবে।’
এই ঘোষণায় হতবাক হয়ে গেছেন গাঁজাশিল্পের অনেক উদ্যোক্তা। তাঁদের মধ্যে আছেন ব্যাংককের গ্রিন হাউস থাইল্যান্ড ডিসপেনসারির কর্মী পুনাথাত ফুট্তিসাওং। ২৫ বছর বয়সী পুনাথাত রয়টার্সকে বলেন, ‘এটাই আমার প্রধান আয়ের উৎস। অনেক দোকানিই হয়তো আমার মতো হতভম্ব, কারণ তারা প্রচুর বিনিয়োগ করেছে।’
ক্যানাবিস অ্যাকটিভিস্ট চকওয়ান কিটি চোপাকা বলেন, থাইল্যান্ডের কৃষি, চিকিৎসা ও পর্যটনে গাঁজাশিল্প বিপ্লব ঘটাতে পারত। কিন্তু অনিশ্চয়তা ও নীতির বারবার পরিবর্তনের কারণে টেকসই উন্নয়ন হয়নি। তিনি বলেন, ‘গাঁজাশিল্প এখন রাজনীতির জিম্মি হয়ে পড়েছে।’
গতকাল বুধবারও ব্যাংককের খাও সান রোড এলাকায় গাঁজার দোকানগুলোতে ক্রেতাদের আনাগোনা দেখা গেছে। বেশির ভাগই ছিলেন পর্যটক। তাঁদের মধ্যে ছিলেন অস্ট্রেলিয়া থেকে আসা ড্যানিয়েল উলফ। তিনি বলেন, ‘এখানে সর্বত্র গাঁজার দোকান। তারা কীভাবে এটা বন্ধ করবে? আমার তো মনে হয় এটা আর সম্ভব না। পুরো ব্যাপারটাই পাগলামি।’

থাইল্যান্ডের সরকার আবারও গাঁজাকে অবৈধ ঘোষণা করার পদক্ষেপ নিচ্ছে। এতে দেশটির ১ বিলিয়ন বা ১০০ কোটি ডলারের বেশি মূল্যের শিল্প খাত অনিশ্চয়তায় পড়তে যাচ্ছে। ২০২২ সালে দেশটি গাঁজাকে মাদকদ্রব্যের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার পর এই শিল্প ব্যাপকভাবে প্রসারিত হয়েছিল।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাঁজার বিনোদনমূলক ব্যবহারে নতুন করে নিয়ন্ত্রণ আরোপের এই উদ্যোগ আসছে এমন সময়ে, যখন গাঁজার বৈধতার পক্ষে থাকা ভূমজাইথাই পার্টি গত সপ্তাহে ক্ষমতাসীন জোট থেকে বেরিয়ে গেছে। কারণ, থাই প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা প্রতিবেশী কম্বোডিয়ার সঙ্গে সীমান্ত বিরোধ পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
গত মঙ্গলবার রাতে থাইল্যান্ডের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এক নির্দেশনা জারি করে গাঁজার বিনোদনমূলক ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে। পাশাপাশি বলা হয়েছে, গাঁজা কিনতে হলে চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন বাধ্যতামূলক। এই নতুন নিয়ম রাজকীয় গেজেটে প্রকাশিত হওয়ার পরই কার্যকর হবে, যা আগামী কয়েক দিনের মধ্যে হতে পারে।
এ বিষয়ে থাইল্যান্ডের স্বাস্থ্যমন্ত্রী সোমসাক থেপসুথিন বলেন, ভবিষ্যতে গাঁজাকে আবারও মাদকদ্রব্য হিসেবে ঘোষণা করা হবে।
তিন বছর আগে থাইল্যান্ড এশিয়ার প্রথম দিকের দেশগুলোর একটি হিসেবে গাঁজার বিনোদনমূলক ব্যবহারের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়। তবে তখন এ খাতের জন্য কোনো নির্দিষ্ট আইন-কানুন তৈরি করা হয়নি। এরপর থাইল্যান্ডে হাজার হাজার দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠে গাঁজা ক্রয় ও বিক্রয়কে কেন্দ্র করে। এসব প্রতিষ্ঠানের বেশির ভাগই দেশটির পর্যটন এলাকাগুলোতে অবস্থিত।
থাই চেম্বার অব কমার্সের এক পূর্ববর্তী হিসাব বলছে, চিকিৎসাসংক্রান্ত পণ্যসহ গাঁজাশিল্পের বাজার ২০২৫ সালের মধ্যে প্রায় ১২০ কোটি ডলারে পৌঁছাতে পারত। সরকারি মুখপাত্র জিরায়ু হুংসুব জানিয়েছেন, গাঁজার নিয়ন্ত্রণহীন ব্যবহার সমাজে বিশেষ করে শিশু-কিশোরদের জন্য বড় ধরনের সামাজিক সমস্যা তৈরি করেছে। তিনি বলেন, ‘নীতিকে অবশ্যই তার মূল লক্ষ্য—শুধু চিকিৎসার কাজে গাঁজা ব্যবহারের নিয়ন্ত্রণে—ফিরে যেতে হবে।’
এই ঘোষণায় হতবাক হয়ে গেছেন গাঁজাশিল্পের অনেক উদ্যোক্তা। তাঁদের মধ্যে আছেন ব্যাংককের গ্রিন হাউস থাইল্যান্ড ডিসপেনসারির কর্মী পুনাথাত ফুট্তিসাওং। ২৫ বছর বয়সী পুনাথাত রয়টার্সকে বলেন, ‘এটাই আমার প্রধান আয়ের উৎস। অনেক দোকানিই হয়তো আমার মতো হতভম্ব, কারণ তারা প্রচুর বিনিয়োগ করেছে।’
ক্যানাবিস অ্যাকটিভিস্ট চকওয়ান কিটি চোপাকা বলেন, থাইল্যান্ডের কৃষি, চিকিৎসা ও পর্যটনে গাঁজাশিল্প বিপ্লব ঘটাতে পারত। কিন্তু অনিশ্চয়তা ও নীতির বারবার পরিবর্তনের কারণে টেকসই উন্নয়ন হয়নি। তিনি বলেন, ‘গাঁজাশিল্প এখন রাজনীতির জিম্মি হয়ে পড়েছে।’
গতকাল বুধবারও ব্যাংককের খাও সান রোড এলাকায় গাঁজার দোকানগুলোতে ক্রেতাদের আনাগোনা দেখা গেছে। বেশির ভাগই ছিলেন পর্যটক। তাঁদের মধ্যে ছিলেন অস্ট্রেলিয়া থেকে আসা ড্যানিয়েল উলফ। তিনি বলেন, ‘এখানে সর্বত্র গাঁজার দোকান। তারা কীভাবে এটা বন্ধ করবে? আমার তো মনে হয় এটা আর সম্ভব না। পুরো ব্যাপারটাই পাগলামি।’

জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালত আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) আজ সোমবার থেকে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগে দায়ের করা ঐতিহাসিক মামলার পূর্ণাঙ্গ শুনানি শুরু হচ্ছে। পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়া ২০১৯ সালে এই মামলাটি করে।
২ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল রোববার বলেছেন, ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানে ব্যাপক সরকারবিরোধী বিক্ষোভের মধ্যে সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকি দেওয়ার পর দেশটির নেতৃত্ব তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে ‘আলোচনায় বসতে’ চেয়েছে। তবে তিনি এও বলেছেন যে, আলোচনায় বসার আগেই একটা কিছু করে ফেলতে পারেন তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
ভারতের কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুতে সপ্তাহখানেক আগে এক নারী সফটওয়্যার প্রকৌশলীর মরদেহ উদ্ধার করা হয় তাঁর ভাড়া বাসায়। উদ্ধারের এক সপ্তাহ পর তদন্তকারীরা চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, যৌন হেনস্তার চেষ্টা প্রতিরোধ করায় ১৮ বছর বয়সী এক তরুণ ওই নারীকে হত্যা করেছে।
৪ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড প্রস্তাবিত গাজা যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপের জন্য নির্ধারিত হলুদ রেখা আরও গভীরে ঠেলে দিতে চায় ইসরায়েল। উদ্দেশ্য অবরুদ্ধ ছিটমহলটির আরও ভূখণ্ড নিজের কবজায় নেওয়া। এ লক্ষ্যে আগামী মার্চে দখলদার বাহিনী গাজায় ফের আগ্রাসন শুরু করতে চায়।
৪ ঘণ্টা আগে