
আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের বিমানবন্দরের নিরাপত্তার দায়িত্বে ফিরেছেন দেশটির পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা। গত রোববার কর্মকর্তারা এমনটি জানিয়েছেন।
বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, আফগানিস্তানের সরকার উৎখাত হওয়ার পর থেকে পুলিশ সদস্যরা তাঁদের দায়িত্ব থেকে সরে যান।
দুজন পুলিশ কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছেন, গত শনিবার তাঁরা কাজে ফিরেছেন। তালেবান কমান্ডাররাই তাঁদের ফোন দিয়েছেন।
গত রোববার কাবুল বিমানবন্দরের পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখতে যান এএফপির একজন প্রতিবেদক। তিনি সেখানে অভ্যন্তরীণ টার্মিনালসহ বিমানবন্দরের বাইরের বেশ কয়েকটি প্রধান প্রধান ভবনের পাশে চেক পয়েন্টে পুলিশ সদস্যদের টহল দিতে দেখতে পান।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে আফগান পুলিশের একজন সদস্য বলেন, `আমি দুই সপ্তাহ পরে কাজে ফিরেছি। আমাকে তালেবান কমান্ডাররা ফোন দিয়ে কাজে ফিরতে বলেছেন।'
আরেক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, `একজন সিনিয়র তালেবান কমান্ডারের কাছ থেকে কাজে যোগ দেওয়ার আহ্বান পেয়ে আমি এখানে এসেছি। গতকাল খুব ভালো দিন ছিল। মানুষকে আবারও সেবা করার সুযোগ পেয়ে আমি খুবই আনন্দিত।
যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন সামরিক বাহিনী গত ৩০ আগস্ট পর্যন্ত কাবুল থেকে দুই সপ্তাহের অভিযানে ১ লাখ ২০ হাজারের বেশি মানুষকে সরিয়ে নেয়। বিশৃঙ্খলপূর্ণভাবে লোকজনকে সরিয়ে নেওয়ার পর কাবুলের হামিদ কারজাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়, বন্ধ হয়ে যায় সব ধরনের বিমানের চলাচল। সাবেক আফগান সরকারের পক্ষ হয়ে যাঁরা কাজ করেছেন, তাঁদের জন্য সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছে তালেবান।
সম্প্রতি কাতার এয়ারওয়েজ চলতি সপ্তাহে কাবুল থেকে চার্টার ফ্লাইট পরিচালনা করেছে, যার মধ্যে ২৫০ জন বিদেশি নাগরিক ছিল। গত সপ্তাহে আফগানিস্তানে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট চালু হয়েছে।
এএফপি জানিয়েছে, সোমবার পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনসের (পিআইএ) একটি বিমান কাবুলে পৌঁছানোর পর সেখান থেকে যাত্রী নিয়ে ইসলামাবাদে ফিরে গেছে। খুব শিগগিরই পাকিস্তান ইসলামাবাদ থেকে কাবুলের ফ্লাইট চালু করবে বলে জানা গেছে।

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের বিমানবন্দরের নিরাপত্তার দায়িত্বে ফিরেছেন দেশটির পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা। গত রোববার কর্মকর্তারা এমনটি জানিয়েছেন।
বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, আফগানিস্তানের সরকার উৎখাত হওয়ার পর থেকে পুলিশ সদস্যরা তাঁদের দায়িত্ব থেকে সরে যান।
দুজন পুলিশ কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছেন, গত শনিবার তাঁরা কাজে ফিরেছেন। তালেবান কমান্ডাররাই তাঁদের ফোন দিয়েছেন।
গত রোববার কাবুল বিমানবন্দরের পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখতে যান এএফপির একজন প্রতিবেদক। তিনি সেখানে অভ্যন্তরীণ টার্মিনালসহ বিমানবন্দরের বাইরের বেশ কয়েকটি প্রধান প্রধান ভবনের পাশে চেক পয়েন্টে পুলিশ সদস্যদের টহল দিতে দেখতে পান।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে আফগান পুলিশের একজন সদস্য বলেন, `আমি দুই সপ্তাহ পরে কাজে ফিরেছি। আমাকে তালেবান কমান্ডাররা ফোন দিয়ে কাজে ফিরতে বলেছেন।'
আরেক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, `একজন সিনিয়র তালেবান কমান্ডারের কাছ থেকে কাজে যোগ দেওয়ার আহ্বান পেয়ে আমি এখানে এসেছি। গতকাল খুব ভালো দিন ছিল। মানুষকে আবারও সেবা করার সুযোগ পেয়ে আমি খুবই আনন্দিত।
যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন সামরিক বাহিনী গত ৩০ আগস্ট পর্যন্ত কাবুল থেকে দুই সপ্তাহের অভিযানে ১ লাখ ২০ হাজারের বেশি মানুষকে সরিয়ে নেয়। বিশৃঙ্খলপূর্ণভাবে লোকজনকে সরিয়ে নেওয়ার পর কাবুলের হামিদ কারজাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়, বন্ধ হয়ে যায় সব ধরনের বিমানের চলাচল। সাবেক আফগান সরকারের পক্ষ হয়ে যাঁরা কাজ করেছেন, তাঁদের জন্য সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছে তালেবান।
সম্প্রতি কাতার এয়ারওয়েজ চলতি সপ্তাহে কাবুল থেকে চার্টার ফ্লাইট পরিচালনা করেছে, যার মধ্যে ২৫০ জন বিদেশি নাগরিক ছিল। গত সপ্তাহে আফগানিস্তানে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট চালু হয়েছে।
এএফপি জানিয়েছে, সোমবার পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনসের (পিআইএ) একটি বিমান কাবুলে পৌঁছানোর পর সেখান থেকে যাত্রী নিয়ে ইসলামাবাদে ফিরে গেছে। খুব শিগগিরই পাকিস্তান ইসলামাবাদ থেকে কাবুলের ফ্লাইট চালু করবে বলে জানা গেছে।

ইরানের গোয়েন্দা সংস্থা দাবি করেছে, দেশটির বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে একাধিক বাড়ি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র ও বিস্ফোরক সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। সংস্থাটি জানায়, এসব অস্ত্র ও বিস্ফোরক তথাকথিত ‘সেল সদস্যরা’ গোপনে নিজেদের বাড়িতে লুকিয়ে রেখেছিল।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান অস্থিরতায় প্রায় দুই হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন দেশটির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ তথ্য জানান। দেশজুড়ে টানা দুই সপ্তাহ ধরে চলা বিক্ষোভ ও কঠোর দমন-পীড়নে মৃত্যুর এই সংখ্যা প্রথমবারের মতো কর্তৃপক্ষ
২ ঘণ্টা আগে
ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী বলেছেন, বাংলাদেশে চলমান পরিস্থিতির ওপর নয়াদিল্লি নিবিড়ভাবে নজর রাখছে এবং কোনো ধরনের ‘ভুল-বোঝাবুঝি বা ভুল ব্যাখ্যা’ এড়াতে দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে যোগাযোগের সব চ্যানেল খোলা রাখা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর বার্ষিক সং
২ ঘণ্টা আগে
তাঁর এই মন্তব্য শুধু সংবেদনশীল সময়ে বিজয়ের পাশে দাঁড়ানোই নয়, একই সঙ্গে জল্পনা আরও জোরদার করেছে যে—রাজ্যে ক্ষমতাসীন দ্রাবিড়া মুন্নেত্রা কাজাগামের (ডিএমকে) সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেও কংগ্রেস হয়তো বিজয়ের দল তামিলগা ভেত্রি কড়গম বা টিভিকের সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতার পথ খোলা রাখছে।
৪ ঘণ্টা আগে