
ইসরায়েলে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাসের আকস্মিক হামলার পরিকল্পনার বিষয়টি আগে থেকে জানতেন না ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তারা। হামলার খবর জানার পর তাঁরা বিস্মিত হয়ে গিয়েছিলেন। গোয়েন্দাদের সংগ্রহ করা তথ্যের ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্র এ বিষয়টি জানিয়েছে। মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএন নিউজ একাধিক গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে তথ্য জানিয়েছে।
গত ৭ অক্টোবর সকালে ইসরায়েলে নজিরবিহীন হামলা শুরু করে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। তারা মাত্র ২০ মিনিটের মধ্যে ইসরায়েলের দিকে ৫ হাজার ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে। একই সঙ্গে স্থলপথ, জলপথ ও আকাশপথে দেশটিতে ঢুকে পড়েন হামাস যোদ্ধারা। ইসরায়েলও এমন পরিস্থিতিতে যুদ্ধ ঘোষণা করে হামাসের বিরুদ্ধে। এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় গাজায় অন্তত ১২ শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে আরও অন্তত ৫ হাজার ৬০০ জন।
হামলার পরপরই পশ্চিমা বিশ্বের গোয়েন্দারা অনুমান করেছিল, হামাসের এই হামলার বিষয়টি বোধ হয় সংগঠনটির অন্যতম শীর্ষ পৃষ্ঠপোষক ইরান জানে। এমনকি ইসরায়েলও অতীতে একাধিকবার অভিযোগ করেছে, ইরান হামাসকে অস্ত্র, অর্থ ও অন্যান্য কৌশলগত উপকরণ দিয়ে সহায়তা করছে।
কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ গোয়েন্দা মূল্যায়ন বলছে, ইরানিরা এই বিষয়ে অন্ধকারে ছিল। মার্কিন গোয়েন্দা বিভাগের শীর্ষ কর্মকর্তাদের অনেকে বলছেন, এর ফলে আরও একটি বিষয় নিয়ে নতুন করে ভাবার প্রয়োজন রয়েছে যে, ইরান এই হামলার সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত কিনা। নতুন গোয়েন্দা তথ্য এই হামলায় ইরানের জড়িত থাকার বিষয়ে বিপরীত অবস্থানই ব্যক্ত করে।
সূত্রগুলো জানিয়েছে, গোয়েন্দা তথ্য যাই হোক না কেন—যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা কর্মকর্তারা ইরান এই হামলায় সরাসরি জড়িত কিনা এ বিষয়ে এখনই নিশ্চিত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে চান না। তাঁরা এখনো এই হামলায় ইরানের সম্পৃক্ততা রয়েছে—এমন প্রমাণ খোঁজার চেষ্টা করছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের ধারণা, হামলার শুরু থেকেই ইরান হামাসকে দীর্ঘমেয়াদি ও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে সহায়তা দিয়েছে। এসব সহায়তার মধ্যে অস্ত্র ও অর্থ সহায়তা উল্লেখ্যযোগ্য। মার্কিন কর্মকর্তাদের অনুমান, ইরানের সহায়তার কারণেই হামাস ইসরায়েলে এ ধরনের বড় আকারের হামলার সাহস পেয়েছে।
ওই সূত্রটি আরও জানিয়েছে, শীর্ষ গোয়েন্দা কর্মকর্তারা যাই মনে করুন না কেন যুক্তরাষ্ট্রের আইনপ্রণেতারা মনে করছেন, এই হামলার পেছনে ইরান সরাসরি কোনো ভূমিকা পালন করেনি। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের জ্যেষ্ঠ এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন বলেছেন, ‘ইরান হয়তো জানত যে, হামাস ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হামলার পরিকল্পনা করছে। কিন্তু তাঁরা জানত না যে, কবে, কখন এবং কীভাবে হামলা করবে হামাস।’
ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘যদিও ইরান হামাসকে দীর্ঘদিন ধরে সমর্থন দিয়ে আসছে কিন্তু বর্তমানে আমাদের কাছে এমন কোনো প্রমাণ নেই যা থেকে উপসংহারে পৌঁছানো যায় যে, এই হামলার পেছনে ইরান হামাসকে সহায়তা দিয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনই কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়াটা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বোকামি হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আসন্ন দিনগুলোতে যেসব তথ্য আমরা এই বিষয়ে পাব তার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
এর আগে, গতকাল বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের কৌশলগত যোগাযোগ সমন্বয়ক জন কিরবি বলেছিলেন—যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এমন কোনো গোয়েন্দা তথ্য নেই যা থেকে প্রমাণ করা যায় যে, ইরান এই হামলার বিষয়ে আগে থেকেই জানত এবং দেশটি এই হামলার পরিকল্পনা, অস্ত্র সহায়তা এবং অভিযান পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত।

ইসরায়েলে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাসের আকস্মিক হামলার পরিকল্পনার বিষয়টি আগে থেকে জানতেন না ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তারা। হামলার খবর জানার পর তাঁরা বিস্মিত হয়ে গিয়েছিলেন। গোয়েন্দাদের সংগ্রহ করা তথ্যের ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্র এ বিষয়টি জানিয়েছে। মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএন নিউজ একাধিক গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে তথ্য জানিয়েছে।
গত ৭ অক্টোবর সকালে ইসরায়েলে নজিরবিহীন হামলা শুরু করে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। তারা মাত্র ২০ মিনিটের মধ্যে ইসরায়েলের দিকে ৫ হাজার ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে। একই সঙ্গে স্থলপথ, জলপথ ও আকাশপথে দেশটিতে ঢুকে পড়েন হামাস যোদ্ধারা। ইসরায়েলও এমন পরিস্থিতিতে যুদ্ধ ঘোষণা করে হামাসের বিরুদ্ধে। এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় গাজায় অন্তত ১২ শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে আরও অন্তত ৫ হাজার ৬০০ জন।
হামলার পরপরই পশ্চিমা বিশ্বের গোয়েন্দারা অনুমান করেছিল, হামাসের এই হামলার বিষয়টি বোধ হয় সংগঠনটির অন্যতম শীর্ষ পৃষ্ঠপোষক ইরান জানে। এমনকি ইসরায়েলও অতীতে একাধিকবার অভিযোগ করেছে, ইরান হামাসকে অস্ত্র, অর্থ ও অন্যান্য কৌশলগত উপকরণ দিয়ে সহায়তা করছে।
কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ গোয়েন্দা মূল্যায়ন বলছে, ইরানিরা এই বিষয়ে অন্ধকারে ছিল। মার্কিন গোয়েন্দা বিভাগের শীর্ষ কর্মকর্তাদের অনেকে বলছেন, এর ফলে আরও একটি বিষয় নিয়ে নতুন করে ভাবার প্রয়োজন রয়েছে যে, ইরান এই হামলার সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত কিনা। নতুন গোয়েন্দা তথ্য এই হামলায় ইরানের জড়িত থাকার বিষয়ে বিপরীত অবস্থানই ব্যক্ত করে।
সূত্রগুলো জানিয়েছে, গোয়েন্দা তথ্য যাই হোক না কেন—যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা কর্মকর্তারা ইরান এই হামলায় সরাসরি জড়িত কিনা এ বিষয়ে এখনই নিশ্চিত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে চান না। তাঁরা এখনো এই হামলায় ইরানের সম্পৃক্ততা রয়েছে—এমন প্রমাণ খোঁজার চেষ্টা করছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের ধারণা, হামলার শুরু থেকেই ইরান হামাসকে দীর্ঘমেয়াদি ও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে সহায়তা দিয়েছে। এসব সহায়তার মধ্যে অস্ত্র ও অর্থ সহায়তা উল্লেখ্যযোগ্য। মার্কিন কর্মকর্তাদের অনুমান, ইরানের সহায়তার কারণেই হামাস ইসরায়েলে এ ধরনের বড় আকারের হামলার সাহস পেয়েছে।
ওই সূত্রটি আরও জানিয়েছে, শীর্ষ গোয়েন্দা কর্মকর্তারা যাই মনে করুন না কেন যুক্তরাষ্ট্রের আইনপ্রণেতারা মনে করছেন, এই হামলার পেছনে ইরান সরাসরি কোনো ভূমিকা পালন করেনি। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের জ্যেষ্ঠ এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন বলেছেন, ‘ইরান হয়তো জানত যে, হামাস ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হামলার পরিকল্পনা করছে। কিন্তু তাঁরা জানত না যে, কবে, কখন এবং কীভাবে হামলা করবে হামাস।’
ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘যদিও ইরান হামাসকে দীর্ঘদিন ধরে সমর্থন দিয়ে আসছে কিন্তু বর্তমানে আমাদের কাছে এমন কোনো প্রমাণ নেই যা থেকে উপসংহারে পৌঁছানো যায় যে, এই হামলার পেছনে ইরান হামাসকে সহায়তা দিয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনই কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়াটা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বোকামি হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আসন্ন দিনগুলোতে যেসব তথ্য আমরা এই বিষয়ে পাব তার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
এর আগে, গতকাল বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের কৌশলগত যোগাযোগ সমন্বয়ক জন কিরবি বলেছিলেন—যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এমন কোনো গোয়েন্দা তথ্য নেই যা থেকে প্রমাণ করা যায় যে, ইরান এই হামলার বিষয়ে আগে থেকেই জানত এবং দেশটি এই হামলার পরিকল্পনা, অস্ত্র সহায়তা এবং অভিযান পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত।

মিনেসোটায় মার্কিন সরকারের অভিবাসনবিরোধী অভিযানের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া বিক্ষোভ চরম আকার ধারণ করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আলাস্কাভিত্তিক সেনাবাহিনীর ১১তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের দুটি পদাতিক ব্যাটালিয়নকে ‘প্রিপেয়ার-টু-ডিপ্লয়’ বা মোতায়েনের জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
রয়টার্স নয়াদিল্লির একটি জ্যেষ্ঠ সরকারি সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, ভারতকে এই বৈশ্বিক শান্তি উদ্যোগের অংশ হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে ভারত এই জোটে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেবে কি না, তা নিয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা প্রতিক্রিয়া জানায়নি দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
৮ ঘণ্টা আগে
গ্রিনল্যান্ড দখলে বাধা দেওয়ায় ইউরোপের আটটি দেশের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের এই পদক্ষেপের জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
১১ ঘণ্টা আগে
চীনের প্রস্তাবিত এই দূতাবাস হবে ইউরোপে তাদের বৃহত্তম কূটনৈতিক মিশন। তবে এই প্রকল্পের নকশা নিয়ে নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ রয়েছে। ২০ হাজার বর্গমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত এই কমপ্লেক্স লন্ডনের প্রধান আর্থিক কেন্দ্র ও গুরুত্বপূর্ণ ডেটা কেব্লের খুব কাছে অবস্থিত। বিরোধীদের দাবি, এটি কেবল
১৩ ঘণ্টা আগে