
উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে শান্তি প্রতিষ্ঠায় চূড়ান্ত প্রচেষ্টার প্রতিশ্রুতির কথা জানিয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জে ইন। আজ সোমবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে মুনের এমন প্রতিশ্রুতির কথা জানানো হয়েছে। তবে উত্তর কোরিয়া এ ব্যাপারে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
মুন জে ইন বলেন, তাঁর সরকার শেষ পর্যন্ত আন্ত-কোরীয় সম্পর্ক স্বাভাবিককরণ এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য একটি অপরিবর্তনীয় পথ অনুসরণ করবে। এ ছাড়া তিনি তাঁর প্রেসিডেন্ট মেয়াদের বাকি সময়ে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠায় জোর চেষ্টা চালাবেন।
চলতি বছরের মে মাসে মুনের প্রেসিডেন্ট মেয়াদের ৫ বছর শেষ হবে। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘আমি আশা করি পরবর্তী দক্ষিণ কোরিয়ার ক্ষমতায় যারা আসবেন তাঁরাও এই প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবেন।’
কিন্তু ইংরেজি নববর্ষ শুরুর আগে দেওয়া এক ভাষণে উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উন আনুষ্ঠানিকভাবে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে শান্তি আলোচনা বা কূটনৈতিক সম্পর্কের অগ্রগতির ব্যাপারে কিছুই বলেননি। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরমাণু অস্ত্রের আলোচনার ব্যাপারেও কিছু জানাননি।
২০১৮ ও ২০১৯ সালে মুন কিমের সঙ্গে পিয়ংইয়ংসহ একাধিক শীর্ষ বৈঠক করেছিলেন। কিন্তু সেগুলো উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্রের কার্যক্রম এবং শত্রুভাবাপন্ন নীতির কারণে ভেস্তে যায়। তারপরও মুন কোরীয় যুদ্ধের ফলে দুই কোরিয়ার মধ্যে তৈরি হওয়া বৈরী সম্পর্কের অবসান ঘটাতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে শান্তি প্রতিষ্ঠায় চূড়ান্ত প্রচেষ্টার প্রতিশ্রুতির কথা জানিয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জে ইন। আজ সোমবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে মুনের এমন প্রতিশ্রুতির কথা জানানো হয়েছে। তবে উত্তর কোরিয়া এ ব্যাপারে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
মুন জে ইন বলেন, তাঁর সরকার শেষ পর্যন্ত আন্ত-কোরীয় সম্পর্ক স্বাভাবিককরণ এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য একটি অপরিবর্তনীয় পথ অনুসরণ করবে। এ ছাড়া তিনি তাঁর প্রেসিডেন্ট মেয়াদের বাকি সময়ে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠায় জোর চেষ্টা চালাবেন।
চলতি বছরের মে মাসে মুনের প্রেসিডেন্ট মেয়াদের ৫ বছর শেষ হবে। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘আমি আশা করি পরবর্তী দক্ষিণ কোরিয়ার ক্ষমতায় যারা আসবেন তাঁরাও এই প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবেন।’
কিন্তু ইংরেজি নববর্ষ শুরুর আগে দেওয়া এক ভাষণে উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উন আনুষ্ঠানিকভাবে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে শান্তি আলোচনা বা কূটনৈতিক সম্পর্কের অগ্রগতির ব্যাপারে কিছুই বলেননি। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরমাণু অস্ত্রের আলোচনার ব্যাপারেও কিছু জানাননি।
২০১৮ ও ২০১৯ সালে মুন কিমের সঙ্গে পিয়ংইয়ংসহ একাধিক শীর্ষ বৈঠক করেছিলেন। কিন্তু সেগুলো উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্রের কার্যক্রম এবং শত্রুভাবাপন্ন নীতির কারণে ভেস্তে যায়। তারপরও মুন কোরীয় যুদ্ধের ফলে দুই কোরিয়ার মধ্যে তৈরি হওয়া বৈরী সম্পর্কের অবসান ঘটাতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৬ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৬ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৯ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
১০ ঘণ্টা আগে