
আফগানিস্তানে কর্মরত পাঁচটি বৃহত্তম এনজিও দেশটিতে নিজেদের কার্যক্রম স্থগিত করেছে। তালেবান শাসকগোষ্ঠী দেশি-বিদেশি এনজিওতে নারী কর্মী নিষিদ্ধ করার একদিন পরই এই সিদ্ধান্ত জানায় সংস্থাগুলো।
বিবিসির খবরে বলা হয়, এক যৌথ বিবৃতিতে কেয়ার ইন্টারন্যাশনাল, নরওয়েজিয়ান রিফিউজি কাউন্সিল (এনআরসি) এবং সেভ দ্য চিলড্রেন জানায়, ‘নারী কর্মীদের ছাড়া’ তারা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারবে না। এ ছাড়া ইসলামিক রিলিফ জানিয়েছে যে, তারা দেশটিতে বেশির ভাগ পরিষেবা বন্ধ করে দিচ্ছে। এর পর ইন্টারন্যাশনাল রেসকিউ কমিটিও তাদের কার্যক্রম স্থগিতের কথা জানায়।
এর আগে শনিবার (২৪ ডিসেম্বর) আফগানিস্তানে সমস্ত এনজিওগুলোতে নারীদের কাজ নিষিদ্ধ করে তালেবান। ‘হিজাব না পরার’ কারণ দেখিয়ে দেশি-বিদেশি সব এনজিওতে নারীদের কাজ করা নিষিদ্ধ ঘোষণা করে শাসকগোষ্ঠীটি। তালেবান তাদের নির্দেশের পক্ষে ব্যাখ্যা দিয়ে জানায়, হিজাব না পরে শরিয়া আইন ভঙ্গ করছে এনজিও কর্মীরা।
তালেবানের এই নির্দেশকে মৌলিক অধিকারের লঙ্ঘন আখ্যা দিয়ে নিন্দা জানিয়েছে জাতিসংঘ। এমনকি তালেবান তাদের সিদ্ধান্ত বাতিল না করলে দেশটিতে মানবিক সাহায্য দেওয়া বন্ধ করে দিতে পারে সংস্থাটি। তালেবানের সিদ্ধান্তে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন। তিনি বলেন, সারা বিশ্বেই মানবিক সেবামূলক কার্যক্রমে প্রধান ভূমিকায় কাজ করেন নারীরা। এমন সিদ্ধান্তের ফলে লাখ লাখ মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মানবিক সহায়তা কার্যক্রম ব্যাহত হবে।
কিছুদিন আগেই আফগানিস্তানে নারীদের জন্য উচ্চশিক্ষা গ্রহণের পথ বন্ধ করে দেয় তালেবান। দেশটির উচ্চশিক্ষাবিষয়ক মন্ত্রী নেদা মোহাম্মদ নাদিম এক বিজ্ঞপ্তিতে জানান, আফগানিস্তানে নারীদের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তালেবানের এমন ঘোষণার পরে বিভিন্ন মহলে চলছে সমালোচনা। এর মধ্যেই এনজিওগুলোতে নারীদের কাজ নিষিদ্ধের ঘোষণা আসে।

আফগানিস্তানে কর্মরত পাঁচটি বৃহত্তম এনজিও দেশটিতে নিজেদের কার্যক্রম স্থগিত করেছে। তালেবান শাসকগোষ্ঠী দেশি-বিদেশি এনজিওতে নারী কর্মী নিষিদ্ধ করার একদিন পরই এই সিদ্ধান্ত জানায় সংস্থাগুলো।
বিবিসির খবরে বলা হয়, এক যৌথ বিবৃতিতে কেয়ার ইন্টারন্যাশনাল, নরওয়েজিয়ান রিফিউজি কাউন্সিল (এনআরসি) এবং সেভ দ্য চিলড্রেন জানায়, ‘নারী কর্মীদের ছাড়া’ তারা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারবে না। এ ছাড়া ইসলামিক রিলিফ জানিয়েছে যে, তারা দেশটিতে বেশির ভাগ পরিষেবা বন্ধ করে দিচ্ছে। এর পর ইন্টারন্যাশনাল রেসকিউ কমিটিও তাদের কার্যক্রম স্থগিতের কথা জানায়।
এর আগে শনিবার (২৪ ডিসেম্বর) আফগানিস্তানে সমস্ত এনজিওগুলোতে নারীদের কাজ নিষিদ্ধ করে তালেবান। ‘হিজাব না পরার’ কারণ দেখিয়ে দেশি-বিদেশি সব এনজিওতে নারীদের কাজ করা নিষিদ্ধ ঘোষণা করে শাসকগোষ্ঠীটি। তালেবান তাদের নির্দেশের পক্ষে ব্যাখ্যা দিয়ে জানায়, হিজাব না পরে শরিয়া আইন ভঙ্গ করছে এনজিও কর্মীরা।
তালেবানের এই নির্দেশকে মৌলিক অধিকারের লঙ্ঘন আখ্যা দিয়ে নিন্দা জানিয়েছে জাতিসংঘ। এমনকি তালেবান তাদের সিদ্ধান্ত বাতিল না করলে দেশটিতে মানবিক সাহায্য দেওয়া বন্ধ করে দিতে পারে সংস্থাটি। তালেবানের সিদ্ধান্তে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন। তিনি বলেন, সারা বিশ্বেই মানবিক সেবামূলক কার্যক্রমে প্রধান ভূমিকায় কাজ করেন নারীরা। এমন সিদ্ধান্তের ফলে লাখ লাখ মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মানবিক সহায়তা কার্যক্রম ব্যাহত হবে।
কিছুদিন আগেই আফগানিস্তানে নারীদের জন্য উচ্চশিক্ষা গ্রহণের পথ বন্ধ করে দেয় তালেবান। দেশটির উচ্চশিক্ষাবিষয়ক মন্ত্রী নেদা মোহাম্মদ নাদিম এক বিজ্ঞপ্তিতে জানান, আফগানিস্তানে নারীদের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তালেবানের এমন ঘোষণার পরে বিভিন্ন মহলে চলছে সমালোচনা। এর মধ্যেই এনজিওগুলোতে নারীদের কাজ নিষিদ্ধের ঘোষণা আসে।

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
২ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
২ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৫ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৫ ঘণ্টা আগে