আজকের পত্রিকা ডেস্ক

সিঙ্গাপুরে ধূমপান করে বিপাকে পড়েছেন একজন চীনা পর্যটক। সাধারণত জনসম্মুখে বা নির্ধারিত স্থানের বাইরে ধূমপান করলে সিঙ্গাপুরে ১১৪ পাউন্ড বা ১৫০ ডলার পর্যন্ত জরিমানা দিতে হয়। সম্প্রতি একজন চীনা পর্যটক সিঙ্গাপুরে ঘুরতে গিয়ে নির্ধারিত স্থানের বাইরে ধূমপান করেন। বিষয়টি নজরে আসে এক পুলিশ কর্মকর্তার। তখন ওই চীনা পর্যটক নগদ জরিমানা এড়াতে পুলিশ কর্মকর্তাকে ঘুষ দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু এতে ঘটে বিপত্তি! একে তো ধূমপান করে একটা অপরাধ করেছেন, দ্বিতীয়ত, পুলিশ কর্মকর্তাকে ঘুষ দেওয়ার চেষ্টা করেছেন আরও বড় অপরাধ। যে অপরাধে ওই চীনা পর্যটকের হতে পারে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও বিশাল অঙ্কের জরিমানা।
ডেইলি মেইলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৪১ বছর বয়সী হুয়াং কুইলিন নামের এই চীনা পর্যটক গত মাসে সিঙ্গাপুর সফরে গিয়েছিলেন। তিনি একটি শপিং মলের বাইরে ব্যস্ত রাস্তায় ধূমপান করার সময় ধরা পড়েন। তখন তিনি ১১৪ পাউন্ড (সিঙ্গাপুরি ২০০ ডলার) জরিমানা এড়াতে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাকে ২৯ পাউন্ড (সিঙ্গাপুরি ৫০ ডলার) ঘুষ দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু টান তার চুয়াক নামের ওই পুলিশ কর্মকর্তা ঘুষ নিতে অস্বীকৃতি জানান এবং ন্যাশনাল এনভায়রনমেন্ট এজেন্সিতে ওই চীনা পর্যটকের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ করেন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, যদি হুয়াং কুইলিনের ধূমপানসংক্রান্ত অপরাধের বিষয়টি আদালতে যেত, তাহলে জরিমানা বেড়ে ৫৭২ পাউন্ড (সিঙ্গাপুরি ১ হাজার ডলার) পর্যন্ত হতে পারত। কিন্তু পুলিশকে ঘুষ দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে ন্যাশনাল এনভায়রনমেন্ট এজেন্সির একজন কর্মকর্তা একটি মামলা করেন। এরপর হুয়াং আরও বড় বিপদের মুখে পড়েন। দুর্নীতির মাধ্যমে ঘুষ প্রস্তাব করার জন্য এখন তাঁর সর্বোচ্চ ৫৭ হাজার ১৭৮ পাউন্ড (সিঙ্গাপুরি ১ লাখ ডলার) জরিমানা বা পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা তিনি উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হতে পারেন।
২০১৯ সাল থেকে সিঙ্গাপুরে জনসম্মুখে (বিশেষত, জনবহুল এলাকা যেমন— শপিং মলের সামনে বা ব্যস্ত রাস্তায়) ধূমপান করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সিঙ্গাপুরের আইন অনুযায়ী, ধূমপানসংক্রান্ত এ আইন কেউ ভঙ্গ করলে তাঁর কারাদণ্ড বা জরিমানা উভয়ই হতে পারে।
চীনা পর্যটক হুয়াং অরচার্ড রোডে একটি শপিং মলের সামনে ধূমপান করেন। অবশ্য তিনি এই অপরাধে অভিযুক্ত হওয়ার পর ‘ধূমপান করে অপরাধ করেছেন’ এই মর্মে দোষ স্বীকার করবেন বলে জানিয়েছেন। এই শর্তে তিনি মুক্তিও পেয়েছেন। তবে আগামী মাসে তাঁকে আদালতে হাজির হতে হবে।
সিঙ্গাপুর পরিচ্ছন্নতার জন্য বিশ্বজুড়ে বিখ্যাত। ১৯৮৭ সাল থেকে সিঙ্গাপুরে যেখানে–সেখানে ময়লা ফেলাকে একটি গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়। প্রথমবার কেউ এই অপরাধ করলে তাঁর ১ হাজার ডলার পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে, দ্বিতীয়বার ধরা পড়লে এই জরিমানা দ্বিগুণ হয়। এ ছাড়া এ ধরনের অপরাধ সংশোধনের জন্য অভিযুক্ত ব্যক্তিকে পরিচ্ছন্নতার কাজেও বাধ্য করা হয়।
সিঙ্গাপুরে রাস্তায় চুইংগাম খেয়ে ফেলাকেও অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়। এটি বন্ধে ১৯৯২ সালে চুইংগাম বিক্রিও দেশটিতে অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছিল। অন্যান্য কঠোর আইনগুলোর মধ্যে রয়েছে গ্রাফিতি আঁকা, রাস্তায় নিয়মবহির্ভূত পারাপার, নাক থেকে শ্লেষ্মা ফেলা, টয়লেটের বাইরে প্রস্রাব করা (পাবলিক টয়লেট আইনত ফ্লাশ করা আবশ্যক) ও রাস্তায় থুতু ফেলাও নিষিদ্ধ।

সিঙ্গাপুরে ধূমপান করে বিপাকে পড়েছেন একজন চীনা পর্যটক। সাধারণত জনসম্মুখে বা নির্ধারিত স্থানের বাইরে ধূমপান করলে সিঙ্গাপুরে ১১৪ পাউন্ড বা ১৫০ ডলার পর্যন্ত জরিমানা দিতে হয়। সম্প্রতি একজন চীনা পর্যটক সিঙ্গাপুরে ঘুরতে গিয়ে নির্ধারিত স্থানের বাইরে ধূমপান করেন। বিষয়টি নজরে আসে এক পুলিশ কর্মকর্তার। তখন ওই চীনা পর্যটক নগদ জরিমানা এড়াতে পুলিশ কর্মকর্তাকে ঘুষ দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু এতে ঘটে বিপত্তি! একে তো ধূমপান করে একটা অপরাধ করেছেন, দ্বিতীয়ত, পুলিশ কর্মকর্তাকে ঘুষ দেওয়ার চেষ্টা করেছেন আরও বড় অপরাধ। যে অপরাধে ওই চীনা পর্যটকের হতে পারে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও বিশাল অঙ্কের জরিমানা।
ডেইলি মেইলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৪১ বছর বয়সী হুয়াং কুইলিন নামের এই চীনা পর্যটক গত মাসে সিঙ্গাপুর সফরে গিয়েছিলেন। তিনি একটি শপিং মলের বাইরে ব্যস্ত রাস্তায় ধূমপান করার সময় ধরা পড়েন। তখন তিনি ১১৪ পাউন্ড (সিঙ্গাপুরি ২০০ ডলার) জরিমানা এড়াতে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাকে ২৯ পাউন্ড (সিঙ্গাপুরি ৫০ ডলার) ঘুষ দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু টান তার চুয়াক নামের ওই পুলিশ কর্মকর্তা ঘুষ নিতে অস্বীকৃতি জানান এবং ন্যাশনাল এনভায়রনমেন্ট এজেন্সিতে ওই চীনা পর্যটকের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ করেন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, যদি হুয়াং কুইলিনের ধূমপানসংক্রান্ত অপরাধের বিষয়টি আদালতে যেত, তাহলে জরিমানা বেড়ে ৫৭২ পাউন্ড (সিঙ্গাপুরি ১ হাজার ডলার) পর্যন্ত হতে পারত। কিন্তু পুলিশকে ঘুষ দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে ন্যাশনাল এনভায়রনমেন্ট এজেন্সির একজন কর্মকর্তা একটি মামলা করেন। এরপর হুয়াং আরও বড় বিপদের মুখে পড়েন। দুর্নীতির মাধ্যমে ঘুষ প্রস্তাব করার জন্য এখন তাঁর সর্বোচ্চ ৫৭ হাজার ১৭৮ পাউন্ড (সিঙ্গাপুরি ১ লাখ ডলার) জরিমানা বা পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা তিনি উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হতে পারেন।
২০১৯ সাল থেকে সিঙ্গাপুরে জনসম্মুখে (বিশেষত, জনবহুল এলাকা যেমন— শপিং মলের সামনে বা ব্যস্ত রাস্তায়) ধূমপান করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সিঙ্গাপুরের আইন অনুযায়ী, ধূমপানসংক্রান্ত এ আইন কেউ ভঙ্গ করলে তাঁর কারাদণ্ড বা জরিমানা উভয়ই হতে পারে।
চীনা পর্যটক হুয়াং অরচার্ড রোডে একটি শপিং মলের সামনে ধূমপান করেন। অবশ্য তিনি এই অপরাধে অভিযুক্ত হওয়ার পর ‘ধূমপান করে অপরাধ করেছেন’ এই মর্মে দোষ স্বীকার করবেন বলে জানিয়েছেন। এই শর্তে তিনি মুক্তিও পেয়েছেন। তবে আগামী মাসে তাঁকে আদালতে হাজির হতে হবে।
সিঙ্গাপুর পরিচ্ছন্নতার জন্য বিশ্বজুড়ে বিখ্যাত। ১৯৮৭ সাল থেকে সিঙ্গাপুরে যেখানে–সেখানে ময়লা ফেলাকে একটি গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়। প্রথমবার কেউ এই অপরাধ করলে তাঁর ১ হাজার ডলার পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে, দ্বিতীয়বার ধরা পড়লে এই জরিমানা দ্বিগুণ হয়। এ ছাড়া এ ধরনের অপরাধ সংশোধনের জন্য অভিযুক্ত ব্যক্তিকে পরিচ্ছন্নতার কাজেও বাধ্য করা হয়।
সিঙ্গাপুরে রাস্তায় চুইংগাম খেয়ে ফেলাকেও অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়। এটি বন্ধে ১৯৯২ সালে চুইংগাম বিক্রিও দেশটিতে অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছিল। অন্যান্য কঠোর আইনগুলোর মধ্যে রয়েছে গ্রাফিতি আঁকা, রাস্তায় নিয়মবহির্ভূত পারাপার, নাক থেকে শ্লেষ্মা ফেলা, টয়লেটের বাইরে প্রস্রাব করা (পাবলিক টয়লেট আইনত ফ্লাশ করা আবশ্যক) ও রাস্তায় থুতু ফেলাও নিষিদ্ধ।

এনডিটিভি জানিয়েছে, সীতামাড়ির ঝাঝিহাট গ্রামে সপ্তম শ্রেণির ছাত্র রিতেশ কুমার (ডাকনাম গোলু) সকালে যখন কোচিং ক্লাসে যাচ্ছিল, সে সময় এক দ্রুতগতির পিকআপ ভ্যান তাকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায় ওই ছাত্র। খবর পেয়ে রিতেশের পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাস্থলে ছুটে যায়।
২৪ মিনিট আগে
কানাডা ও চীন বৈদ্যুতিক যান (ইভি) এবং ক্যানোলা (সরিষার মতো তেলবীজ) পণ্যের ওপর শুল্ক কমাতে একটি প্রাথমিক বাণিজ্য চুক্তিতে পৌঁছেছে। আজ শুক্রবার চীন সফররত কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এ কথা জানিয়েছেন। দুই দেশই বাণিজ্য বাধা দূর করা এবং নতুন কৌশলগত সম্পর্ক গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলার নেতা নিকোলাস মাদুরোর কড়া সমালোচক মাচাদো গত বছর ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের’ আন্দোলনের জন্য এই পুরস্কার জিতেছিলেন। এখন তিনি সেই পদক হোয়াইট হাউসে রেখে গেলেন এই আশায়, এই সৌজন্যের বিনিময়ে হয়তো আরও মূল্যবান কিছু মিলবে।
২ ঘণ্টা আগে
দক্ষিণ কোরিয়ার আদালত দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে ক্ষমতার অপব্যবহার করে সামরিক আইন (মার্শাল ল) ঘোষণা করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে