আজকের পত্রিকা ডেস্ক

গুজরাটের আহমেদাবাদে সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের কিছুক্ষণের মধ্যেই এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন বিমানবন্দরের কর্মকর্তারা। উড়োজাহাজটি ২৪২ জন যাত্রী নিয়ে লন্ডন যাচ্ছিল।
ভারতীয় গণমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে জানা যায়, আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা ১৭ মিনিটে বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের কয়েক মিনিটের মধ্যেই আহমেদাবাদের মেঘানি এলাকায় উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত হয়। সঙ্গে সঙ্গেই উড়োজাহাজটিতে ব্যাপক বিস্ফোরণ হয়ে আগুন ধরে যায়।
ভারতের অসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (ডিজিসিএ) জানিয়েছে, বিমানে মোট ২৪২ জন আরোহী ছিলেন। এর মধ্যে ২৩০ জন যাত্রী, ২ জন পাইলট ও ১০ জন কেবিন ক্রু।
বিমানটি চালাচ্ছিলেন ক্যাপ্টেন সুমিত সাবারওয়াল। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ফার্স্ট অফিসার ক্লাইভ কুন্দার।
দুর্ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া ভিডিও ও ছবিতে দেখা গেছে, মাটির ওপর থেকে ঘন ধূসর ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠছে।
টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে জানা যায়, বিমানটি সম্পূর্ণ জ্বালানি ভর্তি ছিল। যার ফলে বিধ্বস্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিস্ফোরণ হয়ে আগুন ধরে ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
এখনো পর্যন্ত হতাহতের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি। উদ্ধার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
উদ্ধারকাজে অংশ নিতে ঘটনাস্থলে একাধিক ফায়ার ইঞ্জিন ও অ্যাম্বুলেন্স পাঠানো হয়েছে। তবে এখনো পর্যন্ত হতাহতের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেয়নি কর্তৃপক্ষ।
ডিজিসিএ জানিয়েছে, খুব শিগগিরই এ দুর্ঘটনায় আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু হবে। এ বিষয়ে বোয়িং-এর একটি কারিগরি দলও যুক্ত হতে পারে।
এখনো পর্যন্ত দুর্ঘটনার সম্ভাব্য কারণ সম্পর্কে কোনো সরকারিভাবে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। তবে বিশেষজ্ঞদের ধারণা, দীর্ঘপথের ফ্লাইট হওয়ায় জ্বালানির ভার বেশি ছিল, যা দুর্ঘটনার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা এবং উদ্ধার তৎপরতা কঠিন করে তুলেছে।

গুজরাটের আহমেদাবাদে সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের কিছুক্ষণের মধ্যেই এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন বিমানবন্দরের কর্মকর্তারা। উড়োজাহাজটি ২৪২ জন যাত্রী নিয়ে লন্ডন যাচ্ছিল।
ভারতীয় গণমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে জানা যায়, আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা ১৭ মিনিটে বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের কয়েক মিনিটের মধ্যেই আহমেদাবাদের মেঘানি এলাকায় উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত হয়। সঙ্গে সঙ্গেই উড়োজাহাজটিতে ব্যাপক বিস্ফোরণ হয়ে আগুন ধরে যায়।
ভারতের অসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (ডিজিসিএ) জানিয়েছে, বিমানে মোট ২৪২ জন আরোহী ছিলেন। এর মধ্যে ২৩০ জন যাত্রী, ২ জন পাইলট ও ১০ জন কেবিন ক্রু।
বিমানটি চালাচ্ছিলেন ক্যাপ্টেন সুমিত সাবারওয়াল। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ফার্স্ট অফিসার ক্লাইভ কুন্দার।
দুর্ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া ভিডিও ও ছবিতে দেখা গেছে, মাটির ওপর থেকে ঘন ধূসর ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠছে।
টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে জানা যায়, বিমানটি সম্পূর্ণ জ্বালানি ভর্তি ছিল। যার ফলে বিধ্বস্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিস্ফোরণ হয়ে আগুন ধরে ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
এখনো পর্যন্ত হতাহতের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি। উদ্ধার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
উদ্ধারকাজে অংশ নিতে ঘটনাস্থলে একাধিক ফায়ার ইঞ্জিন ও অ্যাম্বুলেন্স পাঠানো হয়েছে। তবে এখনো পর্যন্ত হতাহতের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেয়নি কর্তৃপক্ষ।
ডিজিসিএ জানিয়েছে, খুব শিগগিরই এ দুর্ঘটনায় আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু হবে। এ বিষয়ে বোয়িং-এর একটি কারিগরি দলও যুক্ত হতে পারে।
এখনো পর্যন্ত দুর্ঘটনার সম্ভাব্য কারণ সম্পর্কে কোনো সরকারিভাবে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। তবে বিশেষজ্ঞদের ধারণা, দীর্ঘপথের ফ্লাইট হওয়ায় জ্বালানির ভার বেশি ছিল, যা দুর্ঘটনার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা এবং উদ্ধার তৎপরতা কঠিন করে তুলেছে।

ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মেয়র হিসেবে প্রথম দিনেই মামদানি তাঁর আসল চেহারা দেখিয়েছেন। তিনি ইহুদি-বিদ্বেষের আন্তর্জাতিক সংজ্ঞা (আইএইচআরএ) বাতিল করেছেন এবং ইসরায়েল বয়কটের ওপর থেকে বিধিনিষেধ তুলে নিয়েছেন। এটি নেতৃত্ব নয়, বরং এটি খোলা আগুনে ইহুদি-বিদ্বেষী ঘি ঢালার সমান।
১ ঘণ্টা আগে
গত মাসে এসটিসি এই অঞ্চলটি দখলের পর সৌদি জোটের পক্ষ থেকে এটিই প্রথম সরাসরি প্রাণঘাতী হামলা। এর আগে সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনী হাজরামাউতের সামরিক স্থাপনাগুলো ‘শান্তিপূর্ণভাবে’ নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার ঘোষণা দেয়। কিন্তু ওই ঘোষণা দেওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই বিমান হামলা শুরু হয়।
২ ঘণ্টা আগে
রাশিয়ার টানা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামো বিপর্যস্ত। তবে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহে দীর্ঘস্থায়ী সংকটের মধ্যেও জীবন থেমে থাকেনি দেশটির মানুষের। বরং অন্ধকার, শীত আর অনিশ্চয়তার সঙ্গে লড়াই করে তারা নতুন নতুন উপায়ে টিকে থাকার পথ খুঁজে নিচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে
বিভিন্ন সময়ে ইরান সরকারের দমন-পীড়নের শিকার পানাহি আরও লিখেছেন, ‘সামষ্টিক যন্ত্রণা এখন রাজপথের প্রতিবাদের ভাষায় পরিণত হয়েছে। এই বিক্ষোভের লক্ষ্য ইতিহাসকে এগিয়ে নেওয়া। যখন হারানোর কিছু থাকে না, তখন ভয় উবে যায়। সব কণ্ঠস্বর এক হয়, নীরবতা ভেঙে যায় এবং ফিরে আসার কোনো পথ থাকে না।’
৩ ঘণ্টা আগে