Ajker Patrika

লেবাননে সীমান্তবর্তী গ্রামগুলো দখলের পরিকল্পনা ইসরায়েলের

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­
লেবাননে সীমান্তবর্তী গ্রামগুলো দখলের পরিকল্পনা ইসরায়েলের
লেবানন সীমান্তে ইসরায়েলি সশস্ত্রবাহিনীর ট্যাংক ও অন্যান্য যান। ছবি: আনাদোলু

ইসরায়েল দেশটির উত্তরাঞ্চলে লেবাননের দক্ষিণ সীমান্ত এলাকার গ্রামগুলো দখল করে নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। এই দখল অনির্দিষ্টকাল বজায় থাকবে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি গণমাধ্যম। তুরস্কের রাষ্ট্র পরিচালিত সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল–১২ এর বরাত দিয়ে আনাদোলু এজেন্সি জানিয়েছে, ইসরায়েল দক্ষিণ লেবাননের সীমান্তবর্তী প্রথম সারির গ্রামগুলো দখল করার পরিকল্পনা করছে, যাতে সেখান থেকে রকেট হামলা ঠেকানো যায়। গতকাল বুধবার ইসরায়েলি গণমাধ্যমের বরাতে এমন খবর জানিয়েছে আনাদোলু।

চ্যানেল–১২ জানায়, রাজনৈতিক নেতৃত্ব সেনাবাহিনীকে নির্দেশ দিতে চায় লেবাননের যে কোনো এলাকা দখল করতে, যেখান থেকে ট্যাংকবিধ্বংসী অস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। এই দখল ‘পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত’ বহাল থাকবে। নেলটি আরও জানায়, ইসরায়েল এমন সব এলাকা নিয়ন্ত্রণে নিতে চায় যেগুলো তাদের বেসামরিক জনগণের জন্য হুমকি সৃষ্টি করে, বিশেষ করে দক্ষিণ লেবাননের সীমান্তবর্তী প্রথম সারির গ্রামগুলো। তবে ঠিক কোন গ্রামগুলোকে বোঝানো হয়েছে, তা উল্লেখ করা হয়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একইসরায়েলি নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে চ্যানেলটি বলেছে, ‘এটি কেবল একটি দরকষাকষির হাতিয়ার, যাতে পরবর্তীতে ইসরায়েলের শর্তে সেটি ফিরিয়ে নেওয়া যায়।’ ওই সূত্র আরও দাবি করে, ‘হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র বা ভেঙে দেওয়া ছাড়া লেবানন সরকারের আর কোনো পথ নেই, কারণ এটিই সবচেয়ে কার্যকর ব্যবস্থা।’

এদিকে, ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে কার্যকর থাকা যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও সাম্প্রতিক দিনগুলোতে হিজবুল্লাহর সঙ্গে সীমান্তপারের হামলা-পাল্টা হামলার প্রেক্ষাপটে লেবাননজুড়ে ইসরায়েলি বিমান হামলা বেড়ে গেছে। লেবাননের কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ২ মার্চ থেকে দেশজুড়ে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৯৬৮ জন নিহত এবং ২,৪৩২ জন আহত হয়েছেন।

বর্তমান এই উত্তেজনা শুরু হয় ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানের পর। ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ওই অভিযানে প্রায় ১ হাজার ৩০০ জনের বেশি নিহত হয়েছেন। জবাবে তেহরান ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলের পাশাপাশি জর্ডান, ইরাক এবং উপসাগরীয় কয়েকটি দেশে। ইরানের জানিয়েছে—এসব হামলার লক্ষ্য ছিল ‘যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনা।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত