আজকের পত্রিকা ডেস্ক

স্ত্রীর একবার মজার এক বাজি ধরেছিলেন যুক্তরাজ্যের ওয়েলসের বাসিন্দা ম্যাট জোনস। সেই বাজিটাই এখন হয়ে গেছে ভালোবাসা আর অঙ্গীকারের প্রতীক। তাই ৪২ বছর বয়সী ম্যাট সম্প্রতি ৭০ মাইল দীর্ঘ এক পথ হেঁটেছেন পিঠে ৩৭ কেজি ওজনের একটি ফ্রিজ নিয়ে।
এই কাজের মধ্য দিয়ে একদিকে যেমন প্রয়াত স্ত্রী ভিক্টোরিয়ার স্মৃতিকে বাঁচিয়ে রাখা হলো, অন্যদিকে একটি শিশু হাসপাতালের জন্য ৫০ হাজারেরও বেশি পাউন্ডের একটি তহবিল সংগ্রহ করেছেন ম্যাট।
আজ বৃহস্পতিবার দ্য টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বছর কোমরে অস্ত্রোপচার হয় ম্যাটের। সেরে ওঠার দিনগুলোতে তাঁকে নিয়ে স্ত্রী ভিক্টোরিয়া মজা করে বলেছিলেন—তাঁর ‘পাগল’ স্বামী নিশ্চয়ই ফ্রিজ নিয়ে পাহাড়ি পথে ৩৫ মাইল হাঁটার পরিকল্পনা করছেন। সাবেক রয়্যাল মেরিন ম্যাট তৎক্ষণাৎ জবাব দেন—তিনি ওই ৩৫ মাইল পথের দ্বিগুণ হেঁটে দেখাবেন।
কিন্তু সেই হাস্যরস একসময় গভীর শোকের ছায়ায় ঢাকা পড়ে। কারণ গত বড়দিনের ঠিক আগে ৪৩ বছর বয়সী ভিক্টোরিয়া অজানা এক হৃদ্রোগে হঠাৎ মারা যান। দীর্ঘ ২০ বছরের সঙ্গীকে হারিয়ে স্তব্ধ হয়ে পড়েন ম্যাট। সেই মুহূর্তে তিনি ঠিক করেন—স্ত্রীর সঙ্গে হওয়া মজার কথাকেই তিনি বাস্তব করবেন। তাঁর স্মৃতিকে অমর করে তুলবেন।
সেই প্রতিজ্ঞা নিয়ে ম্যাট শুরু করেন ‘ওয়ান বেট চ্যালেঞ্জ’। ৪ হাজার ৫০০ মিটার উঁচু ক্লুইডিয়ান পর্বতশ্রেণিতে ৭০ মাইল পথ পেরিয়ে ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে তিনি শেষ করেন যাত্রা। হাঁটার পুরো সময়টিই তাঁর পিঠে ছিল একটি বিশাল ফ্রিজ। এটি নিয়ে হাঁটার সময় ঝোড়ো বাতাস বারবারই তাঁকে কাত করে ফেলছিল। একপর্যায়ে ফ্রিজটি যেন নৌকার একটি পালের মতো বাতাসের দমকায় তাঁকে এদিকে ওদিকে ঠেলে ফেলে দিচ্ছিল।
জোনস জানান, পথে তিনি বারবার ভেঙে পড়েছেন। প্রথম দিন যাত্রার অগ্রগতি নিয়ে কিছুটা হতাশায় পড়েন। তবে অল্প ঘুমের পর পরদিন সকালে একটি রংধনু দেখা যাওয়ার মুহূর্তে তাঁর মনে ফিরে আসে নতুন জোর। তিনি তাঁর পথ শেষ করেন এবং নির্ধারিত সময়ের দু’ঘণ্টা আগেই ল্যাঙ্গোলেন পৌঁছান শহরে।
কষ্টসাধ্য সুদীর্ঘ এই যাত্রায় ম্যাটকে সাহস দিয়েছে তাঁর চার সন্তান—চার্লি (১৩), অ্যালিস্টার (১১), আরায়াহ (৮) ও ইভরাহ (৬)। পুরো যাত্রায় তারাও বাবার সঙ্গে ছিল এবং মাঝেমধ্যে তারাও বাবার সঙ্গে পথ হেঁটেছে।
ম্যাট বলেন, ‘শারীরিক সক্ষমতার পরীক্ষা ছিল না এই চ্যালেঞ্জ। এটা ছিল আমার সন্তানদের দেওয়া এক প্রতিশ্রুতি রক্ষা করার বিষয় এবং ভিকির আত্মাকে জীবিত রাখার চেষ্টা।’
শেষে যোগ করেন, ‘আমার শরীর ভেঙে গেছে ঠিকই, কিন্তু আমি ঠিক হয়ে যাব। সম্ভবত আবারও কৃত্রিম কোমর প্রতিস্থাপন লাগতে পারে।’

স্ত্রীর একবার মজার এক বাজি ধরেছিলেন যুক্তরাজ্যের ওয়েলসের বাসিন্দা ম্যাট জোনস। সেই বাজিটাই এখন হয়ে গেছে ভালোবাসা আর অঙ্গীকারের প্রতীক। তাই ৪২ বছর বয়সী ম্যাট সম্প্রতি ৭০ মাইল দীর্ঘ এক পথ হেঁটেছেন পিঠে ৩৭ কেজি ওজনের একটি ফ্রিজ নিয়ে।
এই কাজের মধ্য দিয়ে একদিকে যেমন প্রয়াত স্ত্রী ভিক্টোরিয়ার স্মৃতিকে বাঁচিয়ে রাখা হলো, অন্যদিকে একটি শিশু হাসপাতালের জন্য ৫০ হাজারেরও বেশি পাউন্ডের একটি তহবিল সংগ্রহ করেছেন ম্যাট।
আজ বৃহস্পতিবার দ্য টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বছর কোমরে অস্ত্রোপচার হয় ম্যাটের। সেরে ওঠার দিনগুলোতে তাঁকে নিয়ে স্ত্রী ভিক্টোরিয়া মজা করে বলেছিলেন—তাঁর ‘পাগল’ স্বামী নিশ্চয়ই ফ্রিজ নিয়ে পাহাড়ি পথে ৩৫ মাইল হাঁটার পরিকল্পনা করছেন। সাবেক রয়্যাল মেরিন ম্যাট তৎক্ষণাৎ জবাব দেন—তিনি ওই ৩৫ মাইল পথের দ্বিগুণ হেঁটে দেখাবেন।
কিন্তু সেই হাস্যরস একসময় গভীর শোকের ছায়ায় ঢাকা পড়ে। কারণ গত বড়দিনের ঠিক আগে ৪৩ বছর বয়সী ভিক্টোরিয়া অজানা এক হৃদ্রোগে হঠাৎ মারা যান। দীর্ঘ ২০ বছরের সঙ্গীকে হারিয়ে স্তব্ধ হয়ে পড়েন ম্যাট। সেই মুহূর্তে তিনি ঠিক করেন—স্ত্রীর সঙ্গে হওয়া মজার কথাকেই তিনি বাস্তব করবেন। তাঁর স্মৃতিকে অমর করে তুলবেন।
সেই প্রতিজ্ঞা নিয়ে ম্যাট শুরু করেন ‘ওয়ান বেট চ্যালেঞ্জ’। ৪ হাজার ৫০০ মিটার উঁচু ক্লুইডিয়ান পর্বতশ্রেণিতে ৭০ মাইল পথ পেরিয়ে ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে তিনি শেষ করেন যাত্রা। হাঁটার পুরো সময়টিই তাঁর পিঠে ছিল একটি বিশাল ফ্রিজ। এটি নিয়ে হাঁটার সময় ঝোড়ো বাতাস বারবারই তাঁকে কাত করে ফেলছিল। একপর্যায়ে ফ্রিজটি যেন নৌকার একটি পালের মতো বাতাসের দমকায় তাঁকে এদিকে ওদিকে ঠেলে ফেলে দিচ্ছিল।
জোনস জানান, পথে তিনি বারবার ভেঙে পড়েছেন। প্রথম দিন যাত্রার অগ্রগতি নিয়ে কিছুটা হতাশায় পড়েন। তবে অল্প ঘুমের পর পরদিন সকালে একটি রংধনু দেখা যাওয়ার মুহূর্তে তাঁর মনে ফিরে আসে নতুন জোর। তিনি তাঁর পথ শেষ করেন এবং নির্ধারিত সময়ের দু’ঘণ্টা আগেই ল্যাঙ্গোলেন পৌঁছান শহরে।
কষ্টসাধ্য সুদীর্ঘ এই যাত্রায় ম্যাটকে সাহস দিয়েছে তাঁর চার সন্তান—চার্লি (১৩), অ্যালিস্টার (১১), আরায়াহ (৮) ও ইভরাহ (৬)। পুরো যাত্রায় তারাও বাবার সঙ্গে ছিল এবং মাঝেমধ্যে তারাও বাবার সঙ্গে পথ হেঁটেছে।
ম্যাট বলেন, ‘শারীরিক সক্ষমতার পরীক্ষা ছিল না এই চ্যালেঞ্জ। এটা ছিল আমার সন্তানদের দেওয়া এক প্রতিশ্রুতি রক্ষা করার বিষয় এবং ভিকির আত্মাকে জীবিত রাখার চেষ্টা।’
শেষে যোগ করেন, ‘আমার শরীর ভেঙে গেছে ঠিকই, কিন্তু আমি ঠিক হয়ে যাব। সম্ভবত আবারও কৃত্রিম কোমর প্রতিস্থাপন লাগতে পারে।’

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৫ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৫ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৮ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৮ ঘণ্টা আগে