
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে শুক্রবার দেওয়া বক্তব্যে ঘোষণা করেছেন—গাজায় হামাসের বিরুদ্ধে ইসরায়েলকে ‘কাজ শেষ করতেই হবে’। তাঁর এই মন্তব্য এমন সময় এল, যখন একাধিক পশ্চিমা দেশ স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং আন্তর্জাতিক মহলে ইসরায়েল ক্রমবর্ধমানভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে।
এদিকে সিএনএন বিবিসি সহ পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) নেতানিয়াহু যখন তাঁর বক্তব্য উপস্থাপন করতে যাবেন, সেই সময়টিতে বিভিন্ন দেশের বহু প্রতিনিধি সভাকক্ষ ছেড়ে বের হয়ে যান। কেউ কেউ স্লোগানও দেন। তবে মার্কিন প্রতিনিধিরা যথারীতি তাঁদের আসনেই বসে ছিলেন এবং নেতানিয়াহুর বক্তব্যের কিছু অংশে তাঁরা করতালিও দেন।
নেতানিয়াহু তাঁর বক্তব্যে একটি মানচিত্র, পোস্টার এবং কিউআর কোড ব্যবহার করেন এবং বারবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে প্রশংসা করেন।
সাম্প্রতিক সময়ে অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্যসহ কয়েকটি দেশ স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইসরায়েলের বিরুদ্ধে শুল্ক ও নিষেধাজ্ঞার চিন্তা করছে। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদও স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের পক্ষে অঙ্গীকার করতে ইসরায়েলকে আহ্বান জানিয়েছে। এদিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালতও দক্ষিণ আফ্রিকার উত্থাপিত গণহত্যার অভিযোগ খতিয়ে দেখছে।
জাতিসংঘে বিশেষ অধিবেশনে অনেক দেশ হামাসের ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলার নিন্দা জানালেও তারা গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি ও ত্রাণ সহায়তা বৃদ্ধির আহ্বান জানায়। গাজার স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলের অভিযানে এখন পর্যন্ত সেখানে ৬৫ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন এবং মোট জনসংখ্যার ৯০ শতাংশই বাস্তুচ্যুত হয়েছে। খাদ্যসংকটে অনাহারে মৃত্যুঝুঁকি বাড়ছে।
বর্তমানে বিশ্বের দেড় শতাধিক দেশ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিলেও যুক্তরাষ্ট্র এখনো দেয়নি। যদিও ট্রাম্প সম্প্রতি জানিয়েছেন, তিনি পশ্চিমতীর দখল করে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করা মেনে নেবেন না। তবে এর মধ্যেই নেতানিয়াহুর মন্ত্রিসভার কয়েকজন সদস্য পশ্চিমতীরে নতুন বসতি স্থাপন প্রকল্পের পক্ষে চাপ সৃষ্টি করেছেন। সমালোচকদের মতে, এমনটি বাস্তবায়ন করলে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা শেষ হয়ে যেতে পারে।
নেতানিয়াহুর বক্তৃতার আগের দিন (২৫ সেপ্টেম্বর) ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস একটি ভিডিও বার্তায় সাধারণ পরিষদে বলেন, ‘ফিলিস্তিনিদের অধিকার নিশ্চিত করতে এখনই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দায়িত্ব নেওয়ার সময়।’ তিনি বিশ্বকে দখলদারির অবসান ও ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

ইরানে মার্কিন হামলার পক্ষে দেশটির মাত্র চারজন নাগরিকের মধ্যে একজন সমর্থন জানিয়েছেন। অর্থাৎ এই হামলার পক্ষে মাত্র ২৫ শতাংশ আমেরিকান আর ৭৫ শতাংশই বিপক্ষে। রয়টার্স/ইপসোসের এই জরিপ থেকে জানা গেছে, প্রায় অর্ধেক আমেরিকান মনে করেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক শক্তি প্রয়োগে বড্ড বেশি আগ্রহী।
৩ মিনিট আগে
ইরান একদিনে সংযুক্ত আরব আমিরাতে কমপক্ষে ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ১৪৮টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে নয়টি ব্যালিস্টিক আর ছয়টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। এ নিয়ে গত শনিবার থেকে আরব আমিরাতে ১৭৪টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, আটটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ৬৮৯টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে তেহরান।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের একেকটি ড্রোন তৈরিতে খরচ হয় মাত্র ৩৫ হাজার ডলার। বিপরীতে এটি ধ্বংস করতে একেকটি ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের পেছনে ব্যয় হচ্ছে ৫ থেকে ৪০ লাখ ডলার পর্যন্ত। এটিই এখন পশ্চিমা সামরিক পরিকল্পনাকারীদের প্রধান দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
স্টারমার বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই আক্রমণাত্মক হামলায় যোগ দিচ্ছি না। আমাদের সিদ্ধান্ত কেবল দীর্ঘদিনের বন্ধু ও মিত্রদের সম্মিলিত আত্মরক্ষা এবং ব্রিটিশ নাগরিকদের জীবন রক্ষার ওপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়েছে।’
২ ঘণ্টা আগে