আজকের পত্রিকা ডেস্ক

মার্কিন ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকি ও শুল্ক আরোপের বিরুদ্ধে পাল্টা অবস্থান নিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। আজ বুধবার ইউরোপীয় পার্লামেন্টের বাণিজ্য কমিটি ঘোষণা করেছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রস্তাবিত বাণিজ্য চুক্তির চূড়ান্ত অনুমোদন বা র্যাটিফিকেশন প্রক্রিয়া অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করেছে। ট্রাম্পের একের পর এক উসকানিমূলক বিবৃতির পর ‘স্বাভাবিক ব্যবসা আর সম্ভব নয়’ বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন ইউরোপীয় নেতারা।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গত বছরের জুলাইয়ে স্কটল্যান্ডের টার্নবেরিতে ট্রাম্প এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েনের মধ্যে এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল ইউরোপীয় পণ্যের ওপর মার্কিন শুল্ক ৩০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ করা এবং লবস্টারসহ (একধরনের সামুদ্রিক মাছে) নির্দিষ্ট কিছু মার্কিন পণ্যের ওপর ইইউয়ের শুল্ক শূন্য শতাংশে নামিয়ে আনা।
আগামী ২৬-২৭ জানুয়ারি এই চুক্তির ওপর ভোটাভুটি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বাণিজ্য কমিটির চেয়ারম্যান বার্ন্ড লাঙ্গে আজ এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, ট্রাম্পের নতুন শুল্ক হুমকি টার্নবেরি চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করেছে। ফলে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই আইনি প্রক্রিয়া স্থগিত থাকবে।
পার্লামেন্টের অনেক সদস্য আগে থেকেই অভিযোগ করে আসছিলেন যে এই চুক্তিটি যুক্তরাষ্ট্রের অনুকূলে বেশি। যেখানে ইউরোপকে অধিকাংশ পণ্যের শুল্ক কমাতে হচ্ছে, সেখানে যুক্তরাষ্ট্র অনেক ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ শুল্ক বহাল রেখেছে।
পার্লামেন্টের বৃহত্তম রাজনৈতিক গোষ্ঠী ইউরোপীয় পিপলস পার্টির (ইপিপি) প্রধান ম্যানফ্রেড ওয়েবার বলেন, ‘গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ট্রাম্পের ক্রমাগত হুমকির মুখে এই মুহূর্তে এই চুক্তির অনুমোদন দেওয়া কোনোভাবেই সম্ভব নয়। আমাদের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা নিয়ে কোনো আপস হবে না।’
তবে ধারণা করা হচ্ছে, এই চুক্তি স্থগিত করার ফলে ট্রাম্প আরও ক্ষিপ্ত হতে পারেন এবং ইউরোপীয় পণ্যের ওপর আরও উচ্চহারে শুল্ক আরোপ করতে পারেন। ট্রাম্প প্রশাসন ইতিমধ্যে জানিয়ে দিয়েছে, চুক্তিটি কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত তারা ইস্পাত বা অ্যালকোহলের মতো পণ্যের ওপর কোনো শুল্ক ছাড় দেবে না।

মার্কিন ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকি ও শুল্ক আরোপের বিরুদ্ধে পাল্টা অবস্থান নিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। আজ বুধবার ইউরোপীয় পার্লামেন্টের বাণিজ্য কমিটি ঘোষণা করেছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রস্তাবিত বাণিজ্য চুক্তির চূড়ান্ত অনুমোদন বা র্যাটিফিকেশন প্রক্রিয়া অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করেছে। ট্রাম্পের একের পর এক উসকানিমূলক বিবৃতির পর ‘স্বাভাবিক ব্যবসা আর সম্ভব নয়’ বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন ইউরোপীয় নেতারা।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গত বছরের জুলাইয়ে স্কটল্যান্ডের টার্নবেরিতে ট্রাম্প এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েনের মধ্যে এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল ইউরোপীয় পণ্যের ওপর মার্কিন শুল্ক ৩০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ করা এবং লবস্টারসহ (একধরনের সামুদ্রিক মাছে) নির্দিষ্ট কিছু মার্কিন পণ্যের ওপর ইইউয়ের শুল্ক শূন্য শতাংশে নামিয়ে আনা।
আগামী ২৬-২৭ জানুয়ারি এই চুক্তির ওপর ভোটাভুটি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বাণিজ্য কমিটির চেয়ারম্যান বার্ন্ড লাঙ্গে আজ এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, ট্রাম্পের নতুন শুল্ক হুমকি টার্নবেরি চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করেছে। ফলে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই আইনি প্রক্রিয়া স্থগিত থাকবে।
পার্লামেন্টের অনেক সদস্য আগে থেকেই অভিযোগ করে আসছিলেন যে এই চুক্তিটি যুক্তরাষ্ট্রের অনুকূলে বেশি। যেখানে ইউরোপকে অধিকাংশ পণ্যের শুল্ক কমাতে হচ্ছে, সেখানে যুক্তরাষ্ট্র অনেক ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ শুল্ক বহাল রেখেছে।
পার্লামেন্টের বৃহত্তম রাজনৈতিক গোষ্ঠী ইউরোপীয় পিপলস পার্টির (ইপিপি) প্রধান ম্যানফ্রেড ওয়েবার বলেন, ‘গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ট্রাম্পের ক্রমাগত হুমকির মুখে এই মুহূর্তে এই চুক্তির অনুমোদন দেওয়া কোনোভাবেই সম্ভব নয়। আমাদের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা নিয়ে কোনো আপস হবে না।’
তবে ধারণা করা হচ্ছে, এই চুক্তি স্থগিত করার ফলে ট্রাম্প আরও ক্ষিপ্ত হতে পারেন এবং ইউরোপীয় পণ্যের ওপর আরও উচ্চহারে শুল্ক আরোপ করতে পারেন। ট্রাম্প প্রশাসন ইতিমধ্যে জানিয়ে দিয়েছে, চুক্তিটি কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত তারা ইস্পাত বা অ্যালকোহলের মতো পণ্যের ওপর কোনো শুল্ক ছাড় দেবে না।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণের অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী একটি শক্তিশালী ‘সনিক উইপন’ (শব্দাস্ত্র) ব্যবহার করেছিল বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, অস্ত্রটি বিশেষ। এটা আর কারও কাছে নেই। একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তির...
১ ঘণ্টা আগে
ফোরামে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি মনে করি, আমরা একটি চুক্তির খুব কাছাকাছি আছি। আমি বিশ্বাস করি, তাঁরা এখন এমন এক জায়গায় আছে, যেখান থেকে এক হয়ে চুক্তি সম্পন্ন করতে পারে। আর যদি তাঁরা তা না করে, তবে তাঁরা স্টুপিড। আমি জানি তাঁরা আসলে নির্বোধ নন, কিন্তু এই সমাধান করতে না পারলে তাঁদের নির্বোধই বলতে হবে।’
৩ ঘণ্টা আগে
বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনে আবারও গ্রিনল্যান্ড দখলের ঘোষণা দিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আজ বুধবার ফোরামে দেওয়া ভাষণে তিনি গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে আনার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন এবং ইউরোপীয় মিত্রদের প্রতি হুঁশিয়ারি...
৪ ঘণ্টা আগে
দাভোসে পা রাখার আগেই ট্রাম্প তাঁর কঠোর অবস্থানের কথা পুনরায় জানিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে আসতে হবে—সেটি আলোচনার মাধ্যমে হোক বা চাপ সৃষ্টির মাধ্যমে। তাঁর এই পরিকল্পনার বিরোধিতা করায় ইতিমধ্যে ডেনমার্ক, ফ্রান্স, জার্মানি, যুক্তরাজ্যসহ আটটি...
৫ ঘণ্টা আগে