Ajker Patrika

খামেনির মৃত্যুতে উৎকণ্ঠিত–বিভাজিত ইরানি সমাজ

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­
খামেনির মৃত্যুতে উৎকণ্ঠিত–বিভাজিত ইরানি সমাজ
ইমাম খোমেনি স্কোয়ারে খামেনির মৃত্যুর পর শোক জানাতে আসা মানুষের অবস্থান। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

ইরানের দীর্ঘদিনের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ইসরায়েলি ও মার্কিন যৌথ হামলায় নিহত হয়েছেন। তাঁর মৃত্যুর পর ইরানি সমাজে জনমনের আবহ এখন নানা অনুভূতির জটিল মিশ্রণ। ইরানের সামাজিক বুননে স্পষ্ট এক মেরুকরণ দেখা যাচ্ছে। সমাজের একটি অংশ বিদ্যমান রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে দৃঢ় অবস্থানে। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, তেহরানসহ দেশের বিভিন্ন শহর—যেমন মাশহাদ ও কোমে বিপুলসংখ্যক মানুষ রাস্তায় নেমেছেন।

অন্যদিকে সমাজের আরেকটি অংশে রয়েছে স্পষ্ট অসন্তোষ। গত বছরের ডিসেম্বরে আমরা অর্থনৈতিক দুর্ভোগকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ প্রত্যক্ষ করেছি। মানুষের জীবনের ওপর নেমে আসা চাপ থেকেই সেই প্রতিবাদ শুরু হয়েছিল। পরে তা বিস্তৃত হয়ে সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিসরেও ছড়িয়ে পড়ে।

সব মিলিয়ে সমাজকে এখন তিনটি শিবিরে ভাগ করে দেখা যায়। একদল সরাসরি সরকারপন্থী। আরেকদল বর্তমান রেজিমের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে সন্তুষ্ট নয়। মাঝখানে রয়েছে একটি গ্রে এরিয়া বা ধূসর অঞ্চল—যারা না পুরোপুরি সমর্থক, না সরাসরি বিরোধী।

তবে এই বিভাজন সত্ত্বেও সবার মধ্যে একধরনের হতাশা ও উৎকণ্ঠা কাজ করছে। কারণ ঘটনাটি—(খামেনির হত্যাকাণ্ড)—ঘটেছে এমন এক সময়ে, যখন দেশটি হামলার মুখে ছিল। গত বছরের জুনে ইরান যুদ্ধের অভিজ্ঞতা অর্জন করেছিল। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতির পরিধি ও মাত্রা তার সঙ্গে তুলনীয় নয়। এবার ঝুঁকি আরও বড়, পণ আরও বেশি।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরার

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

নিজ দপ্তরেই মারা যান খামেনি, কখন মৃত্যু হয়—জানাল ইরান

খামেনিকে হত্যা করে ‘বড় ভুল’ করল যুক্তরাষ্ট্র, পরিণতি কী

‘অমুসলিম’ শিক্ষার্থীদের বাদ দিয়ে রাবি প্রশাসনের ‘গণ-ইফতার’

রাজধানীর চার স্থানে ছড়ানো লাশের টুকরা, খুনি থাকতেন একই ফ্ল্যাটে: পুলিশ

কলকাতায় টাঙ্গাইলের সাবেক এমপি জোয়াহেরুলের মৃত্যু, লাশ দেশে আসতে পারে আজ

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত