
ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তেহরানে আয়োজিত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ইরান তার আত্মরক্ষায় বদ্ধপরিকর এবং প্রয়োজনে এই যুদ্ধকে যেকোনো সীমা পর্যন্ত টেনে নিতে প্রস্তুত।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি বলেন, ‘আমি মনে করি এতক্ষণে তারা (ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র) ভালো শিক্ষা পেয়েছে এবং বুঝতে পেরেছে তারা কেমন জাতির মোকাবিলা করছে। ইরান নিজের রক্ষায় সামান্যতম দ্বিধা করবে না। আমাদের জাতি যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এবং যুদ্ধের শেষ সীমা পর্যন্ত যেতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।’
আরাঘচি তাঁর বক্তব্যে জোর দিয়ে বলেন, যুদ্ধের পরিস্থিতি যেখানেই গিয়ে ঠেকুক না কেন, ইরান পিছপা হবে না। তিনি মনে করেন, ইরানের সামরিক শক্তি এবং জনগণের মনোবল ইতিমধ্যেই শত্রুপক্ষকে একটি স্পষ্ট বার্তা পৌঁছে দিয়েছে। তেহরান চায় না যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ুক, তবে চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের ক্ষেত্রে তারা কোনো ধরনের ছাড় দিতে রাজি নয়।
বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই মন্তব্য মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। গাজা ও লেবানন পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সরাসরি সংঘাতের আশঙ্কা আগে থেকেই ছিল, আরাঘচির এই ‘যেকোনো সীমা পর্যন্ত’ যাওয়ার ঘোষণা সেই উত্তেজনায় নতুন মাত্রা যোগ করল।

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সংঘাত যখন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে, তখন নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), যুক্তরাজ্য এবং জার্মানি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরোক্ষ সামরিক চাপের মুখেও এই দেশগুলো সরাসরি যুদ্ধে না জড়ানোর সিদ্ধান্তে অটল রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যৌথভাবে ইরানের ওপর হামলা চালিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল। এই সংকটের সময়ে পাকিস্তানের ভূমিকার প্রশংসা করে আরাঘচি উর্দু ভাষায় একটি বার্তা পোস্ট করেন। সেখানে তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও জায়নবাদী শাসনের আগ্রাসনের মুখে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সরকার ও জনগণের পাশে দাঁড়ানো
১ ঘণ্টা আগে
ইসরায়েলের নেগেভ মরুভূমিতে অবস্থিত ডিমোনা পারমাণবিক চুল্লির অস্তিত্ব প্রথম প্রকাশ্যে আসে ১৯৬০ সালের ডিসেম্বরে। এরপর থেকে দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বিস্তর গবেষণা, বই এবং অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, জার্মানি ‘গোপনে’ এই প্রকল্পে ‘অর্থায়ন’ করেছিল।
১ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানে যুদ্ধ শুরুর মূল লক্ষ্য হলো দেশটিকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না দেওয়া। শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন না হলে, অথবা অন্তত তেহরান সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তরে রাজি না হলে, সে ক্ষেত্রে এই লক্ষ্য অর্জনে একমাত্র উপায় হতে পারে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ও অন্যান্য
৩ ঘণ্টা আগে