আজকের পত্রিকা ডেস্ক

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে ইউক্রেন যুদ্ধের সম্ভাব্য সমাধান নিয়ে সমঝোতায় পৌঁছেছেন বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি, যুদ্ধ শেষ হবে ইউক্রেনের ভূখণ্ড অদলবদল আর যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা নিশ্চয়তার মাধ্যমে।
ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “আমি মনে করি এগুলোই ছিল আলোচনার মূল বিষয়, আর আমরা বড় পরিসরে এসব বিষয়ে একমত হয়েছি। আসলে আমি মনে করি, আমাদের মধ্যে অনেক বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে। আমি বলতে পারি, বৈঠকটা ছিল খুবই আন্তরিক।”
পুতিনকে “শক্তিশালী ব্যক্তিত্ব” এবং “ভীষণ কঠোর” আখ্যা দিয়ে ট্রাম্প জানান, বৈঠক ইতিবাচক পরিবেশে হয়েছে। তাঁর ভাষায়, “আমি মনে করি আমরা শেষ পর্যায়ের খুব কাছাকাছি চলে এসেছি। তবে দেখুন, ইউক্রেনকেও এতে রাজি হতে হবে।”
জেলেনস্কির উদ্দেশে ট্রাম্পের পরামর্শ, “চুক্তি করতেই হবে।”
ট্রাম্প আরও বলেন, “এখন বিষয়টা আসলেই প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির ওপর নির্ভর করছে। তাঁকেই কাজটি করতে হবে। এখন প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি, প্রেসিডেন্ট পুতিন আর আমাকেও নিয়ে একটি বৈঠক আয়োজন করা হবে বলে মনে হচ্ছে।”
চুক্তি আটকে থাকা শেষ বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত বলতে অস্বীকৃতি জানান ট্রাম্প। তবে তিনি বলেন, “দেখি আমরা কী করতে পারি।” যদিও শুক্রবার কোনো সমঝোতা হয়নি, তবুও তিনি বৈঠককে সফল উল্লেখ করে এর মূল্যায়ন করেন ১০ এর মধ্যে ১০—“এই অর্থে যে আমাদের মধ্যে খুব ভালো বোঝাপড়া হয়েছে।”
ট্রাম্প আরও যোগ করেন, “আমি নিশ্চিত করতে চাই, এটা যেন হয়েই যায়। আর আমার মনে হয়, আমাদের সেটা করার যথেষ্ট ভালো সম্ভাবনা আছে।”

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে ইউক্রেন যুদ্ধের সম্ভাব্য সমাধান নিয়ে সমঝোতায় পৌঁছেছেন বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি, যুদ্ধ শেষ হবে ইউক্রেনের ভূখণ্ড অদলবদল আর যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা নিশ্চয়তার মাধ্যমে।
ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “আমি মনে করি এগুলোই ছিল আলোচনার মূল বিষয়, আর আমরা বড় পরিসরে এসব বিষয়ে একমত হয়েছি। আসলে আমি মনে করি, আমাদের মধ্যে অনেক বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে। আমি বলতে পারি, বৈঠকটা ছিল খুবই আন্তরিক।”
পুতিনকে “শক্তিশালী ব্যক্তিত্ব” এবং “ভীষণ কঠোর” আখ্যা দিয়ে ট্রাম্প জানান, বৈঠক ইতিবাচক পরিবেশে হয়েছে। তাঁর ভাষায়, “আমি মনে করি আমরা শেষ পর্যায়ের খুব কাছাকাছি চলে এসেছি। তবে দেখুন, ইউক্রেনকেও এতে রাজি হতে হবে।”
জেলেনস্কির উদ্দেশে ট্রাম্পের পরামর্শ, “চুক্তি করতেই হবে।”
ট্রাম্প আরও বলেন, “এখন বিষয়টা আসলেই প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির ওপর নির্ভর করছে। তাঁকেই কাজটি করতে হবে। এখন প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি, প্রেসিডেন্ট পুতিন আর আমাকেও নিয়ে একটি বৈঠক আয়োজন করা হবে বলে মনে হচ্ছে।”
চুক্তি আটকে থাকা শেষ বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত বলতে অস্বীকৃতি জানান ট্রাম্প। তবে তিনি বলেন, “দেখি আমরা কী করতে পারি।” যদিও শুক্রবার কোনো সমঝোতা হয়নি, তবুও তিনি বৈঠককে সফল উল্লেখ করে এর মূল্যায়ন করেন ১০ এর মধ্যে ১০—“এই অর্থে যে আমাদের মধ্যে খুব ভালো বোঝাপড়া হয়েছে।”
ট্রাম্প আরও যোগ করেন, “আমি নিশ্চিত করতে চাই, এটা যেন হয়েই যায়। আর আমার মনে হয়, আমাদের সেটা করার যথেষ্ট ভালো সম্ভাবনা আছে।”

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৪ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৪ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৭ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৮ ঘণ্টা আগে