Ajker Patrika

বিটিএস ভক্তদের জন্য দুয়ার খুলে দিল বুসানের বৌদ্ধমন্দিরগুলো

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­
আপডেট : ২২ মে ২০২৬, ২০: ১২
বিটিএস ভক্তদের জন্য দুয়ার খুলে দিল বুসানের বৌদ্ধমন্দিরগুলো
ছবি: এএফপি

আগামী ১২ ও ১৩ জুন বুসান শহরে অনুষ্ঠিত হবে দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় কে-পপ ব্যান্ড বিটিএসের বহুল কাঙ্ক্ষিত কনসার্ট। এই কনসার্ট ঘিরে শহরটিতে বিপুলসংখ্যক বিটিএসের ভক্ত ও সংগীতপ্রেমী জড়ো হবেন। পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে তাই কনসার্টের নিকটবর্তী দিনগুলোতে বুসানের হোটেল ভাড়া অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। তবে বিটিএস ভক্তদের জন্য সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে শহরের বৌদ্ধমন্দিরগুলো। কনসার্ট উপলক্ষে শহরটির বিভিন্ন মন্দির বিনা খরচে বা স্বল্পমূল্যে থাকার ব্যবস্থা করছে।

আরএম, জিন, সুগা, জে-হোপ, জিমিন, ভি ও জাংকুক—এই সাত সদস্য নিয়ে গঠিত হয় বিটিএস। সম্প্রতি তাঁদের বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণ শেষে এটিই প্রথম বড় কোনো কনসার্ট। ২০২২ সালে বিরতিতে যাওয়ার পর চলতি বছরের মার্চে নতুন অ্যালবাম ‘অ্যারিরাং’ প্রকাশের মাধ্যমে দলটি আবারও সংগীতাঙ্গনে ফিরে এসেছে। এরপর তাঁদের কনসার্ট ঘিরে বিশ্বজুড়ে ভক্তদের আগ্রহ বেড়ে যায়।

শুক্রবার (২২ মে) যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ইনডিপেনডেন্ট জানিয়েছে, কনসার্ট উপলক্ষে বুসান শহরে এত বেশি ভক্তের সমাগম হতে যাচ্ছে যে শহর ছাড়িয়ে আশপাশের এলাকায়ও তীব্র আবাসন সংকট তৈরি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অনেক হোটেল অতিরিক্ত ভাড়া দাবি করছে। এমনকি আগে থেকে নিশ্চিত করা ছিল, এমন অসংখ্য বুকিং বাতিল করতে চাপ দিচ্ছে হোটেলগুলো। এই প্রেক্ষাপটে সংগীতপ্রেমীদের দিকে শেষ পর্যন্ত সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে বৌদ্ধমন্দিরগুলো। বুসানের বেওমিও, নেউওনজিয়ং, হংবপ, সেওনামসহ বিভিন্ন বৌদ্ধমন্দির বিটিএস ভক্তদের জন্য তাদের দরজা খুলে দিয়েছে। পাশাপাশি চ্যাংওন, ইয়াংশান ও মিরিয়াং শহরের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোও থাকার ব্যবস্থা করছে।

এই উদ্যোগ পরিচালনা করছে ‘কালচারাল কর্পস অব কোরিয়ান বৌদ্ধধর্ম’। সংস্থাটি জানিয়েছে, মন্দিরে থাকা অতিথিরা শুধু আশ্রয়ই পাবেন না, বরং কোরিয়ান বৌদ্ধ সংস্কৃতি, ধ্যান, নিরামিষ খাবার ও মঠজীবনের অভিজ্ঞতাও নিতে পারবেন। তবে সেখানে অবস্থানকারীদের নির্ধারিত সময় মেনে চলতে হবে এবং মঠের নিয়মকানুন অনুসরণ করতে হবে।

বুসান সিটি সরকারের তথ্য অনুযায়ী—কনসার্ট ঘোষণার পর থেকে শহরের আবাসন ভাড়া অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। ফেব্রুয়ারিতে যে গেস্টহাউসের ভাড়া ছিল ৭০ হাজার ওন, কনসার্টের সপ্তাহে সেটি ৬ লাখ ওনে উঠেছে। কোথাও কোথাও একটি স্টুডিও কক্ষের ভাড়া ৩০ লাখ ওন (প্রায় আড়াই লাখ টাকা) পর্যন্ত চাওয়া হয়েছে। আবাসন ব্যয় স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় গড়ে প্রায় ২ দশমিক ৪ গুণ বেড়েছে।

এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার পর বুসান কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ তদন্ত শুরু করেছে এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে কর তদন্তের হুঁশিয়ারি দিয়েছে। পাশাপাশি ‘ফেয়ার লজিং চ্যালেঞ্জ’ নামে একটি উদ্যোগ চালু করা হয়েছে, যাতে হোটেলের মালিকেরা স্বাভাবিক ভাড়া বজায় রাখেন।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

বিপিসির প্রধান কার্যালয়: ৫০ কোটিতে ভবন তৈরির পর কার্যালয় যাচ্ছে ঢাকায়

রাতভর উত্তাল চট্টগ্রাম: পুলিশের পোশাক পরিয়ে সরানো হয় ধর্ষণে অভিযুক্তকে, রাখা হয়েছে কোথায়?

তথ্য গোপন করে ১৬ বছর ধরে প্রধান শিক্ষকের পদে বহাল তিনি

স্থানীয় নির্বাচনে বড় পরিবর্তন: থাকছে না পোস্টার ও দলীয় প্রতীক, অক্টোবরে ভোটের প্রস্তুতি

যৌথ পরিবারে কোরবানি কীভাবে দিতে হয়, বিধান কী

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত