
ইউক্রেন নিয়ে আলোচনা বসতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের কোনো আগ্রহ নেই বলে মন্তব্য করেছেন রাশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত জন সুলিভান।
পুতিন কেন ইউক্রেন থেকে সহজে পিছু হটবেন না এবং ক্রেমলিনের সঙ্গে আলোচনার রূপ কেমন হয় সে বিষয়ে বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিস্তারিত তুলে ধরেছেন ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর সময় তৎপর এই কূটনীতিক।
গত বছর ইউক্রেন আগ্রাসন ঠেকাতে রুশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনার দায়িত্বে ছিলেন জন সুলিভান। কিন্তু তাঁর চেষ্টাই সার হয়েছে, অন্য পক্ষ থেকে ‘কোনো সাড়া মেলেনি’।
সেই অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে বিবিসিকে তিনি বলেন, ‘তারা শুধু রাশিয়ার নিরাপত্তার নিশ্চয়তা চেয়েছে, কিন্তু ইউক্রেনের নিরাপত্তা নিয়ে গঠনমূলক কোনো কথা বলেনি। তারা নিজেদের দাবি থেকে এক চুলও নড়েনি.... সেটা ছিল একটা প্রহেলিকা।’
সংঘাত অবসানে আলোচনা চালিয়ে যেতে যুক্তরাষ্ট্র অনড় থাকতে পারত কী না সেই প্রশ্নের জবাবে সুলিভান বলেন, ‘যুদ্ধের আগেও পুতিন আলোচনায় আগ্রহী ছিলেন না, এখনও নন।’
এদিকে রাশিয়ার ওপর নানা নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি ইউক্রেনে কোটি কোটি ডলারের অস্ত্র সহায়তা পাঠিয়েছে বাইডেন প্রশাসন। সেসঙ্গে ইউক্রেনের পক্ষে বিশ্বজুড়ে সমর্থন জোগাড়ের চেষ্টা করছে।
সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের কারণে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া রুশ ফেডারেশনের অংশগুলোকে আবার জোড়া দিয়ে নতুন রুশ সাম্রাজ্য গড়ার একটা রূপরেখা পুতিনের রয়েছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।
পুরো ব্যাপারটিকে সেই দৃষ্টিভঙ্গির অংশ বলে মনে করেন সুলিভান। এ কারণেই ভলোদিমির জেলেনস্কির মতো ‘গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত’ সরকার কিয়েভে থাকুক তা পুতিন চান না বলে তিনি মনে।
তাহলে পুতিনের যুদ্ধ থামবে কি করে- এমন প্রশ্নের জবাবে সুলিভান বলেন, জয়ের বিন্দুমাত্র আশা নেই- এমন বিশ্বাস না জন্মালে পুতিন নিবৃত্ত হবে না। যুদ্ধক্ষেত্রের এই অবস্থা কত দিনে তাঁর মধ্যে এমন বিশ্বাস তৈরি করতে পারে তা বলা মুশকিল। আপাতত তেমন কোনো ইঙ্গিত নেই।
সুলিভান আরও বলেন, ‘ইউক্রেনের জনগণ পুতিনকে ক্ষমা করবে না; ভুলেও যাবে না। প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি যদি যুদ্ধের অবসান চান, আঞ্চলিক ছাড় দিতে চান বা বলা ভালো আত্মসমর্পণ করতে চান, ইউক্রেনের জনগণ তাঁকে সেই অনুমতি দেবে না।’
এ ধরনের সামরিক, রাজনৈতিক ও আদর্শিক অচলাবস্থার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে বলে মনে করেন সুলিভান। ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার বছরপূর্তিতে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কিয়েভে সফর করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন।
তবে এই সংঘাত চলতি বছর শেষ হবে না বলেই মনে করেন সুলিভান।

ইউক্রেন নিয়ে আলোচনা বসতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের কোনো আগ্রহ নেই বলে মন্তব্য করেছেন রাশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত জন সুলিভান।
পুতিন কেন ইউক্রেন থেকে সহজে পিছু হটবেন না এবং ক্রেমলিনের সঙ্গে আলোচনার রূপ কেমন হয় সে বিষয়ে বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিস্তারিত তুলে ধরেছেন ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর সময় তৎপর এই কূটনীতিক।
গত বছর ইউক্রেন আগ্রাসন ঠেকাতে রুশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনার দায়িত্বে ছিলেন জন সুলিভান। কিন্তু তাঁর চেষ্টাই সার হয়েছে, অন্য পক্ষ থেকে ‘কোনো সাড়া মেলেনি’।
সেই অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে বিবিসিকে তিনি বলেন, ‘তারা শুধু রাশিয়ার নিরাপত্তার নিশ্চয়তা চেয়েছে, কিন্তু ইউক্রেনের নিরাপত্তা নিয়ে গঠনমূলক কোনো কথা বলেনি। তারা নিজেদের দাবি থেকে এক চুলও নড়েনি.... সেটা ছিল একটা প্রহেলিকা।’
সংঘাত অবসানে আলোচনা চালিয়ে যেতে যুক্তরাষ্ট্র অনড় থাকতে পারত কী না সেই প্রশ্নের জবাবে সুলিভান বলেন, ‘যুদ্ধের আগেও পুতিন আলোচনায় আগ্রহী ছিলেন না, এখনও নন।’
এদিকে রাশিয়ার ওপর নানা নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি ইউক্রেনে কোটি কোটি ডলারের অস্ত্র সহায়তা পাঠিয়েছে বাইডেন প্রশাসন। সেসঙ্গে ইউক্রেনের পক্ষে বিশ্বজুড়ে সমর্থন জোগাড়ের চেষ্টা করছে।
সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের কারণে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া রুশ ফেডারেশনের অংশগুলোকে আবার জোড়া দিয়ে নতুন রুশ সাম্রাজ্য গড়ার একটা রূপরেখা পুতিনের রয়েছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।
পুরো ব্যাপারটিকে সেই দৃষ্টিভঙ্গির অংশ বলে মনে করেন সুলিভান। এ কারণেই ভলোদিমির জেলেনস্কির মতো ‘গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত’ সরকার কিয়েভে থাকুক তা পুতিন চান না বলে তিনি মনে।
তাহলে পুতিনের যুদ্ধ থামবে কি করে- এমন প্রশ্নের জবাবে সুলিভান বলেন, জয়ের বিন্দুমাত্র আশা নেই- এমন বিশ্বাস না জন্মালে পুতিন নিবৃত্ত হবে না। যুদ্ধক্ষেত্রের এই অবস্থা কত দিনে তাঁর মধ্যে এমন বিশ্বাস তৈরি করতে পারে তা বলা মুশকিল। আপাতত তেমন কোনো ইঙ্গিত নেই।
সুলিভান আরও বলেন, ‘ইউক্রেনের জনগণ পুতিনকে ক্ষমা করবে না; ভুলেও যাবে না। প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি যদি যুদ্ধের অবসান চান, আঞ্চলিক ছাড় দিতে চান বা বলা ভালো আত্মসমর্পণ করতে চান, ইউক্রেনের জনগণ তাঁকে সেই অনুমতি দেবে না।’
এ ধরনের সামরিক, রাজনৈতিক ও আদর্শিক অচলাবস্থার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে বলে মনে করেন সুলিভান। ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার বছরপূর্তিতে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কিয়েভে সফর করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন।
তবে এই সংঘাত চলতি বছর শেষ হবে না বলেই মনে করেন সুলিভান।

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৫ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৫ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৮ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৮ ঘণ্টা আগে