
নিউজিল্যান্ডে প্রতিবাদের মুখে শিশুদের বিড়াল শিকার ও হত্যা প্রতিযোগিতা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বন্য প্রাণীর অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলোর তীব্র প্রতিবাদের মুখে প্রতিযোগিতাটি বাতিলের ঘোষণা আসে।
আজ রোববার এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
বিবিসির প্রতিবেদন অনুসারে, নিউজিল্যান্ডে বন্য বিড়ালকে ফসলের জন্য ক্ষতিকর হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এটি জৈব নিরাপত্তার হুমকি। বন্য বিড়াল শিকার ও হত্যার বার্ষিক প্রতিযোগিতায় এবার শিশুদের জন্য নতুন ক্যাটাগরি যোগ করে আয়োজকেরা। তাঁরা ১৪ বছর ও এর কম বয়সী শিশুদের জন্য এ প্রতিযোগিতার ঘোষণা করে। প্রতিযোগিতায় পোষা বিড়াল হত্যা না করতে বলা হয়। আর বন্য বিড়াল হত্যা করতে পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। বলা হয়, এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকে জুনের শেষ পর্যন্ত যে সকল শিশুরা সর্বাধিক বন্য বিড়াল হত্যা করতে পারবে তাঁরা ২৫০ নিউজিল্যান্ড ডলার জিততে পারবে।
প্রতিযোগিতা বাতিলের পর নিউজিল্যান্ডের ‘সোসাইটি ফর দ্য প্রিভেনশন অব ক্রুয়েলটি টু অ্যানিমেলস’ বলেছে, প্রতিযোগিতায় শিশুদের বন্য বিড়ালকে গুলি করে হত্যার কথা বলা হয়েছিল। শিশুদের বিড়াল হত্যা প্রতিযোগিতা বাতিলের খবরটি স্বস্তির।
প্রাণী রক্ষায় কাজ করা এসপিসিএ-এর মুখপাত্র বলেন, শিশু কিংবা বড় কারও পক্ষেই বন্য বিড়াল কিংবা পোষা বিড়াল আলাদা করা সম্ভব নয়।
প্রতিযোগিতায় বন্য শূকর ও হরিণ শিকারের ক্যাটাগরিও আছে। নিউজিল্যান্ডের সাউথ আইল্যান্ডের রথারহ্যাম স্কুল এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। আয়োজকেরা বলেন, তাঁরা আয়োজন নিয়ে নানা নেতিবাচক বার্তা পেয়েছেন।
ফেসবুকে আয়োজকেরা লেখেন, ‘আমাদের স্পনসর ও স্কুলের নিরাপত্তার বিষয়টি আমাদের কাছে প্রধান অগ্রাধিকার। তাই আরও প্রতিক্রিয়া এড়াতে এই বছরের জন্য এই বিভাগটি প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’
নিউজিল্যান্ডের সংরক্ষণ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বন্য বিড়াল ক্ষতিকর প্রাণী। এটি পাখি, বাদুড়, টিকটিকি, ইঁদুর এবং পোকামাকড়ের ওপর বড় প্রভাব ফেলে।

নিউজিল্যান্ডে প্রতিবাদের মুখে শিশুদের বিড়াল শিকার ও হত্যা প্রতিযোগিতা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বন্য প্রাণীর অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলোর তীব্র প্রতিবাদের মুখে প্রতিযোগিতাটি বাতিলের ঘোষণা আসে।
আজ রোববার এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
বিবিসির প্রতিবেদন অনুসারে, নিউজিল্যান্ডে বন্য বিড়ালকে ফসলের জন্য ক্ষতিকর হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এটি জৈব নিরাপত্তার হুমকি। বন্য বিড়াল শিকার ও হত্যার বার্ষিক প্রতিযোগিতায় এবার শিশুদের জন্য নতুন ক্যাটাগরি যোগ করে আয়োজকেরা। তাঁরা ১৪ বছর ও এর কম বয়সী শিশুদের জন্য এ প্রতিযোগিতার ঘোষণা করে। প্রতিযোগিতায় পোষা বিড়াল হত্যা না করতে বলা হয়। আর বন্য বিড়াল হত্যা করতে পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। বলা হয়, এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকে জুনের শেষ পর্যন্ত যে সকল শিশুরা সর্বাধিক বন্য বিড়াল হত্যা করতে পারবে তাঁরা ২৫০ নিউজিল্যান্ড ডলার জিততে পারবে।
প্রতিযোগিতা বাতিলের পর নিউজিল্যান্ডের ‘সোসাইটি ফর দ্য প্রিভেনশন অব ক্রুয়েলটি টু অ্যানিমেলস’ বলেছে, প্রতিযোগিতায় শিশুদের বন্য বিড়ালকে গুলি করে হত্যার কথা বলা হয়েছিল। শিশুদের বিড়াল হত্যা প্রতিযোগিতা বাতিলের খবরটি স্বস্তির।
প্রাণী রক্ষায় কাজ করা এসপিসিএ-এর মুখপাত্র বলেন, শিশু কিংবা বড় কারও পক্ষেই বন্য বিড়াল কিংবা পোষা বিড়াল আলাদা করা সম্ভব নয়।
প্রতিযোগিতায় বন্য শূকর ও হরিণ শিকারের ক্যাটাগরিও আছে। নিউজিল্যান্ডের সাউথ আইল্যান্ডের রথারহ্যাম স্কুল এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। আয়োজকেরা বলেন, তাঁরা আয়োজন নিয়ে নানা নেতিবাচক বার্তা পেয়েছেন।
ফেসবুকে আয়োজকেরা লেখেন, ‘আমাদের স্পনসর ও স্কুলের নিরাপত্তার বিষয়টি আমাদের কাছে প্রধান অগ্রাধিকার। তাই আরও প্রতিক্রিয়া এড়াতে এই বছরের জন্য এই বিভাগটি প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’
নিউজিল্যান্ডের সংরক্ষণ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বন্য বিড়াল ক্ষতিকর প্রাণী। এটি পাখি, বাদুড়, টিকটিকি, ইঁদুর এবং পোকামাকড়ের ওপর বড় প্রভাব ফেলে।

ভারতের কেন্দ্র সরকার পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও ত্রিপুরায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার কয়েকটি পরিত্যক্ত এয়ারস্ট্রিপ পুনরুজ্জীবিত করার পরিকল্পনা নিয়েছে। সূত্র জানিয়েছে, বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলোতে আঞ্চলিক যোগাযোগ বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
৩ মিনিট আগে
হাসান আলী প্রশ্ন করেন—কেন তাঁর বাবাকে দুই দেশের মধ্যে এভাবে ছোড়াছুড়ি করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমার দেশ আমার বাবাকে বাংলাদেশি বলে ঘোষণা করেছে। কিন্তু বাংলাদেশ তাঁকে দুইবার ফেরত পাঠিয়েছে। তাহলে আমাদের দেশ কোনটা? আমাদের দেশ আছে কি?’
২ ঘণ্টা আগে
লোহিত সাগর অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে সব চুক্তি বাতিল করেছে সোমালিয়া সরকার। গতকাল সোমবার মোগাদিসু সরকার এই ঘোষণা দিয়ে পারস্য উপসাগরীয় দেশটিকে তাদের সামরিক ঘাঁটি ও প্রধান বন্দর অবকাঠামো থেকে বহিষ্কার করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইরানে সামরিক হামলার হুমকি দেওয়া অব্যাহত রেখেছে। দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া বিক্ষোভের মুখে ইরানি সরকার যখন ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে, তখন প্রশাসন জানিয়েছে যে সম্ভাব্য বিভিন্ন বিকল্পের মধ্যে ‘বিমান হামলা’ অন্যতম।
৩ ঘণ্টা আগে