
ভারতীয় টেনিস তারকা সানিয়া মির্জা ও পাকিস্তানের ক্রিকেটার শোয়েব মালিকের বিবাহবিচ্ছেদের গুঞ্জন বেশ কয়েক দিন ধরেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচিত বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। সম্প্রতি সেই গুঞ্জনের আগুনে ঘি ঢেলেছে ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা সানিয়ার একটি ছবি। ছেলে ইজহানের সঙ্গে পোস্ট করা ছবিটির ক্যাপশনে সানিয়া লিখেছেন, ‘সেই মুহূর্তগুলো যা আমাকে কঠিন দিনগুলোর কথা মনে করিয়ে দেয়।’
সানিয়ার মির্জার এই পোস্টের পর তাঁর ভক্তরা ধরে নিয়েছেন, সানিয়া-শোয়েব দম্পতির বিচ্ছেদ হয়ে গেছে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে শোয়েব কিংবা সানিয়া কেউই তাঁদের বিচ্ছেদের খবর এখনো জানাননি। ভারতীয় গণমাধ্যম ইয়ন এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
এদিকে পাকিস্তানের গণমাধ্যম জিও নিউজ জানিয়েছে, সানিয়া-শোয়েবের বিবাহবিচ্ছেদের ঘোষণা আসতে পারে আইনি সমস্যা মেটানোর পর। এটি গোপন সূত্রের বরাত দিয়ে জিও নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিছু আইনি জটিলতা রয়েছে। সেই সব জটিলতা মেটানোর পর এই জনপ্রিয় দম্পতি তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে পারেন। সূত্রটি বলেছে, বিভিন্ন শো-সংক্রান্ত চুক্তি থাকার ফলে এই দম্পতি এখনই বিবাহবিচ্ছেদের গুজব বিষয়ে মুখ খুলছেন না।
এর আগেও বেশ কয়েকবার সানিয়া-শোয়েব সম্পর্কের মধ্যে টানাপোড়েন দেখা দিয়েছিল বলেও জিও নিউজের সূত্রটি জানিয়েছে। পাকিস্তানের এই অন্যতম গণমাধ্যম বলেছে, বিচ্ছেদের পর তাঁরা দুজনেই সন্তান ইজহান মির্জা মালিকের দায়িত্ব নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গেছে।
এক যুগ আগে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন সানিয়া মির্জা ও শোয়েব মালিক। তাঁরা দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম জনপ্রিয় দম্পতি। ২০১৮ সালে ইজহান নামে তাঁদের ছেলে সন্তানের জন্ম হয়। সম্প্রতি সানিয়া ও শোয়েব আলাদাভাবে বসবাস করছেন।

ভারতীয় টেনিস তারকা সানিয়া মির্জা ও পাকিস্তানের ক্রিকেটার শোয়েব মালিকের বিবাহবিচ্ছেদের গুঞ্জন বেশ কয়েক দিন ধরেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচিত বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। সম্প্রতি সেই গুঞ্জনের আগুনে ঘি ঢেলেছে ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা সানিয়ার একটি ছবি। ছেলে ইজহানের সঙ্গে পোস্ট করা ছবিটির ক্যাপশনে সানিয়া লিখেছেন, ‘সেই মুহূর্তগুলো যা আমাকে কঠিন দিনগুলোর কথা মনে করিয়ে দেয়।’
সানিয়ার মির্জার এই পোস্টের পর তাঁর ভক্তরা ধরে নিয়েছেন, সানিয়া-শোয়েব দম্পতির বিচ্ছেদ হয়ে গেছে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে শোয়েব কিংবা সানিয়া কেউই তাঁদের বিচ্ছেদের খবর এখনো জানাননি। ভারতীয় গণমাধ্যম ইয়ন এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
এদিকে পাকিস্তানের গণমাধ্যম জিও নিউজ জানিয়েছে, সানিয়া-শোয়েবের বিবাহবিচ্ছেদের ঘোষণা আসতে পারে আইনি সমস্যা মেটানোর পর। এটি গোপন সূত্রের বরাত দিয়ে জিও নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিছু আইনি জটিলতা রয়েছে। সেই সব জটিলতা মেটানোর পর এই জনপ্রিয় দম্পতি তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে পারেন। সূত্রটি বলেছে, বিভিন্ন শো-সংক্রান্ত চুক্তি থাকার ফলে এই দম্পতি এখনই বিবাহবিচ্ছেদের গুজব বিষয়ে মুখ খুলছেন না।
এর আগেও বেশ কয়েকবার সানিয়া-শোয়েব সম্পর্কের মধ্যে টানাপোড়েন দেখা দিয়েছিল বলেও জিও নিউজের সূত্রটি জানিয়েছে। পাকিস্তানের এই অন্যতম গণমাধ্যম বলেছে, বিচ্ছেদের পর তাঁরা দুজনেই সন্তান ইজহান মির্জা মালিকের দায়িত্ব নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গেছে।
এক যুগ আগে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন সানিয়া মির্জা ও শোয়েব মালিক। তাঁরা দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম জনপ্রিয় দম্পতি। ২০১৮ সালে ইজহান নামে তাঁদের ছেলে সন্তানের জন্ম হয়। সম্প্রতি সানিয়া ও শোয়েব আলাদাভাবে বসবাস করছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবার নিয়ম অনুযায়ী, মার্কিন নাগরিকের স্বামী বা স্ত্রী ‘ইমিডিয়েট রিলেটিভ’ বা নিকটাত্মীয় ক্যাটাগরিতে পড়েন এবং তাঁরা গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদনের যোগ্য। তবে ৩০ বছরের বেশি অভিজ্ঞতাসম্পন্ন অভিবাসন আইনজীবী ব্র্যাড বার্নস্টাইন সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, বর্তমান ট্রাম্প প্রশাস
২০ মিনিট আগে
রোলেক্স ঘড়ি, লুই ভিটন ব্যাগ কিংবা আইফোন—মহামূল্যবান ব্র্যান্ডের এসব পণ্য অনেকেরই কেনার সাধ্য নেই। তবে মানুষের আগ্রহের কারণে এসব পণ্যের ‘সেকেন্ড হ্যান্ড’ বাজারও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ব্যবহৃত বিলাসী পণ্য ক্রয়ের ক্ষেত্রে এখন ক্রেতাদের কাছে এক নতুন মানদণ্ড হয়ে উঠেছে ‘ইউজড ইন জাপান’।
১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শ্রদ্ধা জানাতে আজ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) নয়াদিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন পরিদর্শন করেছেন ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। মিশন প্রাঙ্গণে রাখা শোক বইয়ে স্বাক্ষর করে তিনি বাংলাদেশের অন্যতম প্রভাবশালী এই রাজনৈতিক
১ ঘণ্টা আগে
গত বছরের নভেম্বরে ইউরোপের বাইরে ১৯টি দেশের নাগরিকদের সব ধরনের ভিসা আবেদন স্থগিত করে যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে গ্রিন কার্ড ও মার্কিন নাগরিকত্বের আবেদনও ছিল। জাতীয় নিরাপত্তা ও জননিরাপত্তার উদ্বেগ দেখিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন এ সিদ্ধান্ত নেয়। তালিকায় আফ্রিকার একাধিক দেশও ছিল।
২ ঘণ্টা আগে