
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মাধ্যমে গরু থেকে নির্গত গ্রিনহাউস গ্যাসের পরিমাণ কমানোর নতুন দিক উন্মোচিত হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে স্কটল্যান্ডে জন্ম নিয়েছে একটি বিশেষ বাছুর, যার নাম হিল্ডা।
বলা হচ্ছে, যুক্তরাজ্যের দীর্ঘতম পর্যবেক্ষণের আওতায় গবাদিপশুদের প্রজনন প্রক্রিয়ায় হিল্ডার জন্ম নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছে। এই সাফল্য মিথেন নির্গমন কমাতে সহায়তা করবে।
বৃহস্পতিবার এই বিষয়ে এক প্রতিবেদনে দ্য টাইমস জানিয়েছে, যুক্তরাজ্যে যে পরিমাণ মিথেন নির্গমন হয়, তার প্রায় অর্ধেকই হয় কৃষি খাত থেকে। মিথেন গ্যাস কার্বন ডাই-অক্সাইডের তুলনায় স্বল্পমেয়াদি হলেও পৃথিবীর উষ্ণায়নে এর প্রভাব অনেক বেশি।
দেখা গেছে, গরুর পাকস্থলীর বৃহত্তম অংশ রুমেনে থাকা মাইক্রোব থেকে বিপুল পরিমাণ মিথেন গ্যাস উৎপন্ন হয়। এটি গরুর জিনগত বৈশিষ্ট্যের সঙ্গেও সম্পর্কিত। তাই স্কটল্যান্ডের ‘রুরাল কলেজ’ গরুর মিথেন নির্গমন কমানোর জন্য জেনেটিক প্রজনন পদ্ধতি ব্যবহার করছে। এই পদ্ধতিতে হিল্ডাই প্রথম বাছুর, যাকে আইভিএফ (ইন-ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন) প্রযুক্তি ব্যবহার করে জন্ম দেওয়া হয়েছে।
সাধারণত একটি গরু দুই বছর বয়সে প্রথম বাছুর জন্ম দেয়। আইভিএফ প্রযুক্তি দিয়ে এই সময়সীমা অর্ধেকে নামিয়ে আনা সম্ভব। আইভিএফ প্রযুক্তি মিথেন কম নির্গমনকারী গরুদের দ্রুত প্রজনন করতে সাহায্য করে।
এদিকে মিথেন গ্যাসের নির্গমন কমাতে এম অ্যান্ড এস, টেসকো এবং আরলাসহ অন্য প্রতিষ্ঠান গরুর খাবারের সঙ্গে বিশেষ উপাদান মেশানোর উদ্যোগ নিচ্ছে। এসব উপাদান মিথেন গ্যাসের নির্গমন কমাতে পারে। উদাহরণস্বরূপ—বোভার নামে একটি খাদ্য উপাদান মিথেন নির্গমন কমানোর ক্ষেত্রে কার্যকর। যদিও এটি নিয়ে ইতিপূর্বে ভুল তথ্য ছড়ানো হয়েছে।
‘ল্যাংহিল’ নামে একটি গবাদিপশু খামারে এমন গরুর প্রজনন করা হচ্ছে, যারা খাদ্যকে সবচেয়ে কার্যকরভাবে দুধে রূপান্তর করতে পারে।
গরুর জিনগত বৈশিষ্ট্য নিয়ে কাজ করার এই পদ্ধতি স্থায়ী এবং টেকসই সমাধান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এটি কেবল মিথেন নির্গমন কমাবে না, বরং গবাদিপশু খাতের পরিবেশগত প্রভাবও হ্রাস করবে।
গবেষকেরা বলছেন, হিল্ডার মাধ্যমে বিজ্ঞান একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে, যা জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মাধ্যমে গরু থেকে নির্গত গ্রিনহাউস গ্যাসের পরিমাণ কমানোর নতুন দিক উন্মোচিত হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে স্কটল্যান্ডে জন্ম নিয়েছে একটি বিশেষ বাছুর, যার নাম হিল্ডা।
বলা হচ্ছে, যুক্তরাজ্যের দীর্ঘতম পর্যবেক্ষণের আওতায় গবাদিপশুদের প্রজনন প্রক্রিয়ায় হিল্ডার জন্ম নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছে। এই সাফল্য মিথেন নির্গমন কমাতে সহায়তা করবে।
বৃহস্পতিবার এই বিষয়ে এক প্রতিবেদনে দ্য টাইমস জানিয়েছে, যুক্তরাজ্যে যে পরিমাণ মিথেন নির্গমন হয়, তার প্রায় অর্ধেকই হয় কৃষি খাত থেকে। মিথেন গ্যাস কার্বন ডাই-অক্সাইডের তুলনায় স্বল্পমেয়াদি হলেও পৃথিবীর উষ্ণায়নে এর প্রভাব অনেক বেশি।
দেখা গেছে, গরুর পাকস্থলীর বৃহত্তম অংশ রুমেনে থাকা মাইক্রোব থেকে বিপুল পরিমাণ মিথেন গ্যাস উৎপন্ন হয়। এটি গরুর জিনগত বৈশিষ্ট্যের সঙ্গেও সম্পর্কিত। তাই স্কটল্যান্ডের ‘রুরাল কলেজ’ গরুর মিথেন নির্গমন কমানোর জন্য জেনেটিক প্রজনন পদ্ধতি ব্যবহার করছে। এই পদ্ধতিতে হিল্ডাই প্রথম বাছুর, যাকে আইভিএফ (ইন-ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন) প্রযুক্তি ব্যবহার করে জন্ম দেওয়া হয়েছে।
সাধারণত একটি গরু দুই বছর বয়সে প্রথম বাছুর জন্ম দেয়। আইভিএফ প্রযুক্তি দিয়ে এই সময়সীমা অর্ধেকে নামিয়ে আনা সম্ভব। আইভিএফ প্রযুক্তি মিথেন কম নির্গমনকারী গরুদের দ্রুত প্রজনন করতে সাহায্য করে।
এদিকে মিথেন গ্যাসের নির্গমন কমাতে এম অ্যান্ড এস, টেসকো এবং আরলাসহ অন্য প্রতিষ্ঠান গরুর খাবারের সঙ্গে বিশেষ উপাদান মেশানোর উদ্যোগ নিচ্ছে। এসব উপাদান মিথেন গ্যাসের নির্গমন কমাতে পারে। উদাহরণস্বরূপ—বোভার নামে একটি খাদ্য উপাদান মিথেন নির্গমন কমানোর ক্ষেত্রে কার্যকর। যদিও এটি নিয়ে ইতিপূর্বে ভুল তথ্য ছড়ানো হয়েছে।
‘ল্যাংহিল’ নামে একটি গবাদিপশু খামারে এমন গরুর প্রজনন করা হচ্ছে, যারা খাদ্যকে সবচেয়ে কার্যকরভাবে দুধে রূপান্তর করতে পারে।
গরুর জিনগত বৈশিষ্ট্য নিয়ে কাজ করার এই পদ্ধতি স্থায়ী এবং টেকসই সমাধান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এটি কেবল মিথেন নির্গমন কমাবে না, বরং গবাদিপশু খাতের পরিবেশগত প্রভাবও হ্রাস করবে।
গবেষকেরা বলছেন, হিল্ডার মাধ্যমে বিজ্ঞান একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে, যা জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

কানাডা ও চীন বৈদ্যুতিক যান (ইভি) এবং ক্যানোলা (সরিষার মতো তেলবীজ) পণ্যের ওপর শুল্ক কমাতে একটি প্রাথমিক বাণিজ্য চুক্তিতে পৌঁছেছে। আজ শুক্রবার চীন সফররত কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এ কথা জানিয়েছেন। দুই দেশই বাণিজ্য বাধা দূর করা এবং নতুন কৌশলগত সম্পর্ক গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেছে।
৩১ মিনিট আগে
ভেনেজুয়েলার নেতা নিকোলাস মাদুরোর কড়া সমালোচক মাচাদো গত বছর ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের’ আন্দোলনের জন্য এই পুরস্কার জিতেছিলেন। এখন তিনি সেই পদক হোয়াইট হাউসে রেখে গেলেন এই আশায়, এই সৌজন্যের বিনিময়ে হয়তো আরও মূল্যবান কিছু মিলবে।
৪২ মিনিট আগে
দক্ষিণ কোরিয়ার আদালত দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে ক্ষমতার অপব্যবহার করে সামরিক আইন (মার্শাল ল) ঘোষণা করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে নিহত ব্যক্তিদের মরদেহ ফেরত দিতে পরিবারের কাছ থেকে বিপুল অঙ্কের অর্থ দাবি করছে কর্তৃপক্ষ। বিবিসির এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।
৩ ঘণ্টা আগে