
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের প্রচেষ্টাকে নেতিবাচকভাবে দেখছেন ইউরোপীয় দেশগুলোর নেতারা। তাদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসন ইউক্রেনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছে। এই অবস্থায় ইউক্রেনকে ভরসা দিতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও বিশ্ব বিভিন্ন দেশের নেতারা আগামীকাল সোমবার কিয়েভে যাচ্ছেন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম পলিটিকোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউরোপীয় নেতারা মূলত ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির পাশে দাঁড়াতে এবং ইউক্রেনের নিরাপত্তা নিশ্চয়তা নিয়ে আলোচনা করতে যাচ্ছেন কিয়েভে।
স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ, ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কোস্তা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়ন কিয়েভে উপস্থিত থাকবেন। তাঁরা প্রত্যেকেই নিজ নিজ অফিশিয়াল এক্স অ্যাকাউন্টে টুইট করে ঘোষণা দিয়েছেন। এ ছাড়া, লিথুয়ানিয়া, লাটভিয়া, মাল্টা এবং কানাডার নেতারা সরাসরি বা ভার্চুয়ালি এই বৈঠকে অংশ নেবেন বলে বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা পলিটিকোকে জানিয়েছেন।
ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সভাপতি রবার্টা মেটসোলাও বৈঠকে অংশ নেবেন। তবে তাঁর এক মুখপাত্র পলিটিকোকে জানিয়েছেন, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচির কারণে তিনি কীভাবে যুক্ত হবেন, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
এই বৈঠকটি এমন একদিন অনুষ্ঠিত হবে, যে তারিখে ২০২৪ সালে রাশিয়া ইউক্রেনে তাদের কথিত ‘বিশেষ সামরিক অভিযান’ শুরু করেছিল। ইউক্রেন ও এর ইউরোপীয় মিত্রদের দাবি রাশিয়াই এই আগ্রাসন শুরু করেছে। তবে মাত্র কয়েক দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ইউক্রেনকেই এই যুদ্ধের জন্য দায়ী করেন।
এদিকে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের কমিশনারদের দল ঘোষণা করেছে যে, তারা ইউক্রেনে যাচ্ছে ইউরোপের নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা করতে। বিশেষ করে, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি সৌদি আরবে রাশিয়ার সঙ্গে ট্রাম্পের আলোচনায় শীর্ষ ইউরোপীয় নেতারা বাদ পড়ার পর এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এর আগে, গত বুধবার জেলেনস্কি এক সংবাদ সম্মেলনে নিশ্চিত করেন যে,২৪ ফেব্রুয়ারি তিনি কিয়েভে বেশ কয়েকজন রাষ্ট্রপ্রধান এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতাদের স্বাগত জানাবেন। ট্রাম্প সম্প্রতি তাঁকে অযোগ্য ও ‘অনির্বাচিত একনায়ক’ বলে আক্রমণ করেন এবং দাবি করেন, জেলেনস্কি আমেরিকাকে প্রতারিত করে ইউক্রেনের জন্য কয়েক দশকের বিলিয়ন ডলার সামরিক সহায়তা আদায় করেছেন।
ট্রাম্পের এই মন্তব্যের পর ইউরোপীয় নেতারা ট্রাম্পের বিরোধিতা করেছেন, আর ইউক্রেনের রাজনীতিবিদ, সরকারি কর্মকর্তা ও সেনারা জেলেনস্কির পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।
বৈঠকের আয়োজনের সঙ্গে জড়িত কয়েকজন পলিটিকোকে জানিয়েছেন, নিরাপত্তার কারণে তাঁরা অংশগ্রহণকারী নেতাদের নাম প্রকাশ করতে পারছেন না। তবে ক্রোয়েশিয়া, ডেনমার্ক, নরওয়ে, ফিনল্যান্ড, পোল্যান্ড, এস্তোনিয়া, সুইডেন, বেলজিয়াম, আয়ারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস এবং জার্মানি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। চেক প্রজাতন্ত্র জানিয়েছে, তারা কোনো শীর্ষ নেতা পাঠাবে না।
ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ আগামী সপ্তাহে ওয়াশিংটনে যাবেন বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইক ওয়াল্টজ। ফ্রান্সের সাবেক প্রধানমন্ত্রী গ্যাব্রিয়েল আত্তাল নিশ্চিত করেছেন, তিনি সারা সপ্তাহ কিয়েভে থাকবেন।
ইউরোপীয় নিরাপত্তা নিয়ে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের চাপ বাড়ার মধ্যে মাখোঁ কয়েক দিন আগেই প্যারিসে বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে জরুরি অনানুষ্ঠানিক বৈঠক করেছেন। পলিটিকোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই বৈঠকের আগে ট্রাম্প ও মাখোঁর মধ্যে সংক্ষিপ্ত কিন্তু ‘সৌহার্দ্যপূর্ণ’ আলোচনা হয়েছে।
এ ছাড়া, লিথুয়ানিয়া, এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, চেক প্রজাতন্ত্র, গ্রিস, ফিনল্যান্ড, রোমানিয়া, সুইডেন এবং বেলজিয়ামসহ কানাডা ও নরওয়ে—যা ন্যাটোর সদস্য—বুধবার আরেকটি বৈঠকে অংশ নিয়েছে।
ইউক্রেনের ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্তির পক্ষে কাজ করা ইয়াল্টা ইউরোপিয়ান স্ট্র্যাটেজি সংগঠন কিয়েভ প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে এই সম্মেলনে আরও উচ্চপর্যায়ের অতিথিদের যুক্ত করার চেষ্টা করছে বলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছে এক সূত্র।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের প্রচেষ্টাকে নেতিবাচকভাবে দেখছেন ইউরোপীয় দেশগুলোর নেতারা। তাদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসন ইউক্রেনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছে। এই অবস্থায় ইউক্রেনকে ভরসা দিতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও বিশ্ব বিভিন্ন দেশের নেতারা আগামীকাল সোমবার কিয়েভে যাচ্ছেন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম পলিটিকোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউরোপীয় নেতারা মূলত ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির পাশে দাঁড়াতে এবং ইউক্রেনের নিরাপত্তা নিশ্চয়তা নিয়ে আলোচনা করতে যাচ্ছেন কিয়েভে।
স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ, ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কোস্তা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়ন কিয়েভে উপস্থিত থাকবেন। তাঁরা প্রত্যেকেই নিজ নিজ অফিশিয়াল এক্স অ্যাকাউন্টে টুইট করে ঘোষণা দিয়েছেন। এ ছাড়া, লিথুয়ানিয়া, লাটভিয়া, মাল্টা এবং কানাডার নেতারা সরাসরি বা ভার্চুয়ালি এই বৈঠকে অংশ নেবেন বলে বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা পলিটিকোকে জানিয়েছেন।
ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সভাপতি রবার্টা মেটসোলাও বৈঠকে অংশ নেবেন। তবে তাঁর এক মুখপাত্র পলিটিকোকে জানিয়েছেন, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচির কারণে তিনি কীভাবে যুক্ত হবেন, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
এই বৈঠকটি এমন একদিন অনুষ্ঠিত হবে, যে তারিখে ২০২৪ সালে রাশিয়া ইউক্রেনে তাদের কথিত ‘বিশেষ সামরিক অভিযান’ শুরু করেছিল। ইউক্রেন ও এর ইউরোপীয় মিত্রদের দাবি রাশিয়াই এই আগ্রাসন শুরু করেছে। তবে মাত্র কয়েক দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ইউক্রেনকেই এই যুদ্ধের জন্য দায়ী করেন।
এদিকে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের কমিশনারদের দল ঘোষণা করেছে যে, তারা ইউক্রেনে যাচ্ছে ইউরোপের নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা করতে। বিশেষ করে, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি সৌদি আরবে রাশিয়ার সঙ্গে ট্রাম্পের আলোচনায় শীর্ষ ইউরোপীয় নেতারা বাদ পড়ার পর এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এর আগে, গত বুধবার জেলেনস্কি এক সংবাদ সম্মেলনে নিশ্চিত করেন যে,২৪ ফেব্রুয়ারি তিনি কিয়েভে বেশ কয়েকজন রাষ্ট্রপ্রধান এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতাদের স্বাগত জানাবেন। ট্রাম্প সম্প্রতি তাঁকে অযোগ্য ও ‘অনির্বাচিত একনায়ক’ বলে আক্রমণ করেন এবং দাবি করেন, জেলেনস্কি আমেরিকাকে প্রতারিত করে ইউক্রেনের জন্য কয়েক দশকের বিলিয়ন ডলার সামরিক সহায়তা আদায় করেছেন।
ট্রাম্পের এই মন্তব্যের পর ইউরোপীয় নেতারা ট্রাম্পের বিরোধিতা করেছেন, আর ইউক্রেনের রাজনীতিবিদ, সরকারি কর্মকর্তা ও সেনারা জেলেনস্কির পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।
বৈঠকের আয়োজনের সঙ্গে জড়িত কয়েকজন পলিটিকোকে জানিয়েছেন, নিরাপত্তার কারণে তাঁরা অংশগ্রহণকারী নেতাদের নাম প্রকাশ করতে পারছেন না। তবে ক্রোয়েশিয়া, ডেনমার্ক, নরওয়ে, ফিনল্যান্ড, পোল্যান্ড, এস্তোনিয়া, সুইডেন, বেলজিয়াম, আয়ারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস এবং জার্মানি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। চেক প্রজাতন্ত্র জানিয়েছে, তারা কোনো শীর্ষ নেতা পাঠাবে না।
ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ আগামী সপ্তাহে ওয়াশিংটনে যাবেন বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইক ওয়াল্টজ। ফ্রান্সের সাবেক প্রধানমন্ত্রী গ্যাব্রিয়েল আত্তাল নিশ্চিত করেছেন, তিনি সারা সপ্তাহ কিয়েভে থাকবেন।
ইউরোপীয় নিরাপত্তা নিয়ে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের চাপ বাড়ার মধ্যে মাখোঁ কয়েক দিন আগেই প্যারিসে বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে জরুরি অনানুষ্ঠানিক বৈঠক করেছেন। পলিটিকোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই বৈঠকের আগে ট্রাম্প ও মাখোঁর মধ্যে সংক্ষিপ্ত কিন্তু ‘সৌহার্দ্যপূর্ণ’ আলোচনা হয়েছে।
এ ছাড়া, লিথুয়ানিয়া, এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, চেক প্রজাতন্ত্র, গ্রিস, ফিনল্যান্ড, রোমানিয়া, সুইডেন এবং বেলজিয়ামসহ কানাডা ও নরওয়ে—যা ন্যাটোর সদস্য—বুধবার আরেকটি বৈঠকে অংশ নিয়েছে।
ইউক্রেনের ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্তির পক্ষে কাজ করা ইয়াল্টা ইউরোপিয়ান স্ট্র্যাটেজি সংগঠন কিয়েভ প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে এই সম্মেলনে আরও উচ্চপর্যায়ের অতিথিদের যুক্ত করার চেষ্টা করছে বলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছে এক সূত্র।

প্রায় সিকি শতাব্দী ধরে রাশিয়ার ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থান করছেন ভ্লাদিমির পুতিন। বিশ্ব রাজনীতির অন্যতম প্রভাবশালী এই নেতার মুখ ও বক্তব্য অহরহ দেখা গেলেও তাঁর ব্যক্তিগত জীবন আজও রয়ে গেছে কঠোর গোপনীয়তার আড়ালে। রাষ্ট্রীয় প্রচারণা যন্ত্রের ছাঁকনি পেরিয়ে পুতিনের পারিবারিক জীবনের খুব কম তথ্যই জনসমক্ষ
১০ ঘণ্টা আগে
ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে যুক্তরাষ্ট্রকে ‘শয়তান’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, ইরানি জাতি বরাবরের মতোই শত্রুদের হতাশ করবে।
১০ ঘণ্টা আগে
ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মেয়র হিসেবে প্রথম দিনেই মামদানি তাঁর আসল চেহারা দেখিয়েছেন। তিনি ইহুদিবিদ্বেষের আন্তর্জাতিক সংজ্ঞা (আইএইচআরএ) বাতিল করেছেন এবং ইসরায়েল বয়কটের ওপর থেকে বিধিনিষেধ তুলে নিয়েছেন। এটি নেতৃত্ব নয়, বরং এটি খোলা আগুনে ইহুদিবিদ্বেষী ঘি ঢালার সমান।
১১ ঘণ্টা আগে
গত মাসে এসটিসি এই অঞ্চলটি দখলের পর সৌদি জোটের পক্ষ থেকে এটিই প্রথম সরাসরি প্রাণঘাতী হামলা। এর আগে সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনী হাজরামাউতের সামরিক স্থাপনাগুলো ‘শান্তিপূর্ণভাবে’ নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার ঘোষণা দেয়। কিন্তু ওই ঘোষণা দেওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই বিমান হামলা শুরু হয়।
১৩ ঘণ্টা আগে