
করোনাভাইরাসের কারণে জারি করা বৈশ্বিক জরুরি অবস্থা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। আজ শুক্রবার ডব্লিউএইচওর প্রধান তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস এ ঘোষণা দেন।
তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস বলেন, ‘গতকাল বৃহস্পতিবার ডব্লিউএইচওর ইমার্জেন্সি কমিটি ১৫তম বৈঠকে বসেছিল। বৈঠক থেকে আমাকে আন্তর্জাতিক পরিসরে উদ্বেগের জায়গা থেকে জনস্বাস্থ্য জরুরি পরিস্থিতি সমাপ্তির ঘোষণা দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। আমি তাদের এই পরামর্শ মেনে নিই। সে কারণে আশাবাদের সঙ্গে আমি ঘোষণা করছি যে একটি বৈশ্বিক স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা হিসেবে কোভিড–১৯–এর ইতি ঘটেছে।’
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এ ঘোষণাকে করোনাভাইরাস মহামারি শেষ হওয়ার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। ভাইরাসটি নিয়ে ডব্লিউএইচও তাদের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সতর্কতা জারির তিন বছরের মাথায় এ ঘোষণা দিল।
সংস্থাটির কর্মকর্তারা বলছেন, ২০২১ সালের জানুয়ারিতে করোনায় মৃত্যু সর্বোচ্চ পর্যায়ে ওঠে। সে সময় বিশ্বে প্রতি সপ্তাহে গড়ে এক লাখের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। তবে গত ২৪ এপ্রিল শেষ হওয়া সপ্তাহে মৃত্যু হয় ৩ হাজার ৫০০ জনের।
তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস বলেন, করোনা মহামারিতে বিশ্বে অন্তত ৭০ লাখ মানুষের প্রাণহানি হয়েছে। তবে মহামারিতে মৃত্যুর প্রকৃত সংখ্যাটা দুই কোটির কাছাকাছি বলেই মনে করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, করোনাভাইরাস এখনো উল্লেখযোগ্য একটি ঝুঁকি হিসেবে রয়ে গেছে।

করোনাভাইরাসের কারণে জারি করা বৈশ্বিক জরুরি অবস্থা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। আজ শুক্রবার ডব্লিউএইচওর প্রধান তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস এ ঘোষণা দেন।
তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস বলেন, ‘গতকাল বৃহস্পতিবার ডব্লিউএইচওর ইমার্জেন্সি কমিটি ১৫তম বৈঠকে বসেছিল। বৈঠক থেকে আমাকে আন্তর্জাতিক পরিসরে উদ্বেগের জায়গা থেকে জনস্বাস্থ্য জরুরি পরিস্থিতি সমাপ্তির ঘোষণা দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। আমি তাদের এই পরামর্শ মেনে নিই। সে কারণে আশাবাদের সঙ্গে আমি ঘোষণা করছি যে একটি বৈশ্বিক স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা হিসেবে কোভিড–১৯–এর ইতি ঘটেছে।’
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এ ঘোষণাকে করোনাভাইরাস মহামারি শেষ হওয়ার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। ভাইরাসটি নিয়ে ডব্লিউএইচও তাদের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সতর্কতা জারির তিন বছরের মাথায় এ ঘোষণা দিল।
সংস্থাটির কর্মকর্তারা বলছেন, ২০২১ সালের জানুয়ারিতে করোনায় মৃত্যু সর্বোচ্চ পর্যায়ে ওঠে। সে সময় বিশ্বে প্রতি সপ্তাহে গড়ে এক লাখের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। তবে গত ২৪ এপ্রিল শেষ হওয়া সপ্তাহে মৃত্যু হয় ৩ হাজার ৫০০ জনের।
তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস বলেন, করোনা মহামারিতে বিশ্বে অন্তত ৭০ লাখ মানুষের প্রাণহানি হয়েছে। তবে মহামারিতে মৃত্যুর প্রকৃত সংখ্যাটা দুই কোটির কাছাকাছি বলেই মনে করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, করোনাভাইরাস এখনো উল্লেখযোগ্য একটি ঝুঁকি হিসেবে রয়ে গেছে।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে চলতি জানুয়ারি মাসের মধ্যেই ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে ঐতিহাসিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরিত হতে পারে। আজ সোমবার গুজরাটের আহমেদাবাদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জ এই সম্ভাবনার কথা জানিয়ে...
৬ ঘণ্টা আগে
ইরানে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে—এমন আশঙ্কা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। ইন্টারনেট সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকলেও মোবাইল ফোনে ধারণ করা ভিডিও ও ছবি বাইরে আসতে শুরু করেছে।
৭ ঘণ্টা আগে
ইরানের রাজধানী তেহরানের ফরেনসিক ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ল্যাবরেটরি সেন্টারের একটি ভিডিওতে বিপুলসংখ্যক মরদেহ দেখা যাওয়ার দাবি ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত কয়েক দিনে সামাজিক মাধ্যমে ওই কেন্দ্র থেকে ধারণ করা অন্তত ছয়টি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বিচারিক সংস্থা আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) সোমবার (১২ জানুয়ারি) গাম্বিয়া অভিযোগ করেছে, মিয়ানমার পরিকল্পিতভাবে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের ধ্বংসের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে এবং তাদের জীবনকে এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্নে রূপ দিয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে