আজকের পত্রিকা ডেস্ক

গাজামুখী ত্রাণবাহী জাহাজ ম্যাডলিন আটক করে নিজ দেশে নিয়ে গিয়েছিল ইসরায়েলি বাহিনী। আশদোদ বন্দরে রেখে তাঁদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর এবার দেশটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে ম্যাডলিনে থাকা সুইডিশ পরিবেশ আন্দোলনকর্মী গ্রেটা থুনবার্গসহ ১২ মানবাধিকারকর্মীকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর। আজ মঙ্গলবার বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ম্যাডলিন থেকে আটক করা ১২ জনকে নিজেদের দেশে ফেরত পাঠাতে আজ মঙ্গলবার তেল আবিবের বেন গুরিয়ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েল।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘যাঁরা ডিপোর্টেশন সংক্রান্ত কাগজপত্রে সই করতে অস্বীকার করছেন এবং ইসরায়েল ছেড়ে যেতে চাইছেন না, তাঁদের বিচারিক কর্তৃপক্ষের সামনে তোলা হবে।’
এর আগে স্থানীয় সময় গতকাল সোমবার ভোরে ইসরায়েলি বাহিনী ত্রাণবাহী জাহাজটিকে আটক করে আশদোদ বন্দরে নিয়ে যায়।
ম্যাডলিনকে ‘সেলফি ইয়ট’ অভিহিত করেছে ইসরায়েল। ইসরায়েলের ভাষ্যমতে, ম্যাডলিন নিয়ে এই নৌযাত্রা ‘মানবিক সহায়তার’ জন্য নয়, বরং ‘গ্ল্যামার, প্রচার ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি তোলার (সেলফি) মাধ্যমে নজর কাড়ার’ জন্য করা হয়েছে।
ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের দাবি, থুনবার্গদের এই নৌযাত্রা ‘গাজায় ত্রাণ পৌঁছানোর জন্য নয়’, বরং নিজেদের প্রচার ও মিডিয়া স্টান্ট হিসেবেই এটি পরিকল্পিত হয়েছে। ওই নৌকায় থাকা ত্রাণের পরিমাণ ছিল খুবই সামান্য—একটি ট্রাকের পূর্ণ ধারণক্ষমতার চেয়েও কম।
সোমবার ভোরে এক্স প্ল্যাটফর্মে পোস্ট করা এক বিবৃতিতে ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ‘গ্রেটা ও অন্যরা একটি মিডিয়া প্ররোচনা ঘটানোর চেষ্টা করেছিল, যার একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল প্রচারণা চালানো, যার মধ্যে ছিল একটি ট্রাকের চেয়েও কম পরিমাণ ত্রাণ। এর তুলনায়, গত দুই সপ্তাহে ইসরায়েল থেকে গাজায় ১ হাজার ২০০টির বেশি ত্রাণবাহী ট্রাক প্রবেশ করেছে। এ ছাড়া গাজা হিউম্যানিটেরিয়ান ফাউন্ডেশন সরাসরি গাজার নাগরিকদের কাছে প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ খাবার বিতরণ করেছে।’
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, ‘গাজার উপত্যকায় ত্রাণ পৌঁছানোর অনেক উপায় আছে, যেগুলো ইনস্টাগ্রাম সেলফির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।’
তবে এই নৌযাত্রার আয়োজকেরা বলছেন, ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশনের (এফএফসি) আয়োজনে ম্যাডলিন নিয়ে এই যাত্রা মূলত ‘প্রতীকী’ সহায়তার যাত্রা। ইসরায়েলের নৌ অবরোধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে এ যাত্রা করা হয়।
গত ২ মার্চ থেকে টানা ১১ সপ্তাহ গাজায় ত্রাণ প্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ ছিল। ফলে, উপত্যকাটিতে চরম আকার ধারণ করেছে দুর্ভিক্ষ। পরে, আন্তর্জাতিক মহলের চাপের মুখে গাজায় সীমিত আকারে ত্রাণ প্রবেশের অনুমোদন দেয় নেতানিয়াহুর প্রশাসন। তবে সেই ত্রাণ বিতরণের দায়িত্বে রয়েছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত বিতর্কিত সংগঠন গাজা হিউম্যানিটিরিয়ান ফাউন্ডেশন। সংস্থাটির ত্রাণকেন্দ্র থেকে ত্রাণ সংগ্রহ করতে গিয়ে এরই মধ্যে শতাধিক ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে গাজায় অবরোধ ভাঙতে গত ১ জুন ইতালির সিসিলি কাতানিয়া শহর থেকে যাত্রা শুরু করে আন্তর্জাতিক অলাভজনক সংস্থা ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন পরিচালিত এই জাহাজ—ম্যাডলিন। গাজার মানুষের জন্য অত্যন্ত জরুরি ভিত্তিতে যেসব সহায়তা দরকার, সেগুলো বহন করছে জাহাজটি। এর মধ্যে আছে—চিকিৎসার সরঞ্জাম, ময়দা, চাল, শিশুদের খাদ্যোপযোগী দুধ (বেবি ফর্মুলা), ডায়াপার, স্যানিটারি ন্যাপকিন, পানি বিশুদ্ধকরণ কিট, ক্রাচ ও শিশুদের কৃত্রিম অঙ্গ।
‘ম্যাডলিন’ জাহাজে মোট ১২ জন মানবাধিকারকর্মী ছিলেন। তাঁরা হলেন—সুইডেনের পরিবেশবিষয়ক আন্দোলনকর্মী গ্রেটা থুনবার্গ, ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত ফরাসি নাগরিক ও ইউরোপীয় পার্লামেন্ট সদস্য রিমা হাসান, জার্মানির ইয়াসমিন আচার, ফ্রান্সের ব্যাপটিস্ট আন্দ্রে, ব্রাজিলের থিয়াগো আভিলা, ফ্রান্সের ওমর ফায়াদ, পাস্কাল মৌরিয়েরাস, ইয়ানিস মোহামদি, তুরস্কের সুলাইব ওর্দু, স্পেনের সার্জিও তোরিবিও, নেদারল্যান্ডসের মার্কো ফন রেনেস ও ফ্রান্সের রিভা ভিয়া।
গাজার প্রথম ও একমাত্র নারী মৎস্য শিকারির নামানুসারে ‘ম্যাডলিন’ জাহাজটির নামকরণ করা হয়েছে।

গাজামুখী ত্রাণবাহী জাহাজ ম্যাডলিন আটক করে নিজ দেশে নিয়ে গিয়েছিল ইসরায়েলি বাহিনী। আশদোদ বন্দরে রেখে তাঁদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর এবার দেশটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে ম্যাডলিনে থাকা সুইডিশ পরিবেশ আন্দোলনকর্মী গ্রেটা থুনবার্গসহ ১২ মানবাধিকারকর্মীকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর। আজ মঙ্গলবার বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ম্যাডলিন থেকে আটক করা ১২ জনকে নিজেদের দেশে ফেরত পাঠাতে আজ মঙ্গলবার তেল আবিবের বেন গুরিয়ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েল।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘যাঁরা ডিপোর্টেশন সংক্রান্ত কাগজপত্রে সই করতে অস্বীকার করছেন এবং ইসরায়েল ছেড়ে যেতে চাইছেন না, তাঁদের বিচারিক কর্তৃপক্ষের সামনে তোলা হবে।’
এর আগে স্থানীয় সময় গতকাল সোমবার ভোরে ইসরায়েলি বাহিনী ত্রাণবাহী জাহাজটিকে আটক করে আশদোদ বন্দরে নিয়ে যায়।
ম্যাডলিনকে ‘সেলফি ইয়ট’ অভিহিত করেছে ইসরায়েল। ইসরায়েলের ভাষ্যমতে, ম্যাডলিন নিয়ে এই নৌযাত্রা ‘মানবিক সহায়তার’ জন্য নয়, বরং ‘গ্ল্যামার, প্রচার ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি তোলার (সেলফি) মাধ্যমে নজর কাড়ার’ জন্য করা হয়েছে।
ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের দাবি, থুনবার্গদের এই নৌযাত্রা ‘গাজায় ত্রাণ পৌঁছানোর জন্য নয়’, বরং নিজেদের প্রচার ও মিডিয়া স্টান্ট হিসেবেই এটি পরিকল্পিত হয়েছে। ওই নৌকায় থাকা ত্রাণের পরিমাণ ছিল খুবই সামান্য—একটি ট্রাকের পূর্ণ ধারণক্ষমতার চেয়েও কম।
সোমবার ভোরে এক্স প্ল্যাটফর্মে পোস্ট করা এক বিবৃতিতে ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ‘গ্রেটা ও অন্যরা একটি মিডিয়া প্ররোচনা ঘটানোর চেষ্টা করেছিল, যার একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল প্রচারণা চালানো, যার মধ্যে ছিল একটি ট্রাকের চেয়েও কম পরিমাণ ত্রাণ। এর তুলনায়, গত দুই সপ্তাহে ইসরায়েল থেকে গাজায় ১ হাজার ২০০টির বেশি ত্রাণবাহী ট্রাক প্রবেশ করেছে। এ ছাড়া গাজা হিউম্যানিটেরিয়ান ফাউন্ডেশন সরাসরি গাজার নাগরিকদের কাছে প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ খাবার বিতরণ করেছে।’
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, ‘গাজার উপত্যকায় ত্রাণ পৌঁছানোর অনেক উপায় আছে, যেগুলো ইনস্টাগ্রাম সেলফির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।’
তবে এই নৌযাত্রার আয়োজকেরা বলছেন, ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশনের (এফএফসি) আয়োজনে ম্যাডলিন নিয়ে এই যাত্রা মূলত ‘প্রতীকী’ সহায়তার যাত্রা। ইসরায়েলের নৌ অবরোধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে এ যাত্রা করা হয়।
গত ২ মার্চ থেকে টানা ১১ সপ্তাহ গাজায় ত্রাণ প্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ ছিল। ফলে, উপত্যকাটিতে চরম আকার ধারণ করেছে দুর্ভিক্ষ। পরে, আন্তর্জাতিক মহলের চাপের মুখে গাজায় সীমিত আকারে ত্রাণ প্রবেশের অনুমোদন দেয় নেতানিয়াহুর প্রশাসন। তবে সেই ত্রাণ বিতরণের দায়িত্বে রয়েছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত বিতর্কিত সংগঠন গাজা হিউম্যানিটিরিয়ান ফাউন্ডেশন। সংস্থাটির ত্রাণকেন্দ্র থেকে ত্রাণ সংগ্রহ করতে গিয়ে এরই মধ্যে শতাধিক ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে গাজায় অবরোধ ভাঙতে গত ১ জুন ইতালির সিসিলি কাতানিয়া শহর থেকে যাত্রা শুরু করে আন্তর্জাতিক অলাভজনক সংস্থা ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন পরিচালিত এই জাহাজ—ম্যাডলিন। গাজার মানুষের জন্য অত্যন্ত জরুরি ভিত্তিতে যেসব সহায়তা দরকার, সেগুলো বহন করছে জাহাজটি। এর মধ্যে আছে—চিকিৎসার সরঞ্জাম, ময়দা, চাল, শিশুদের খাদ্যোপযোগী দুধ (বেবি ফর্মুলা), ডায়াপার, স্যানিটারি ন্যাপকিন, পানি বিশুদ্ধকরণ কিট, ক্রাচ ও শিশুদের কৃত্রিম অঙ্গ।
‘ম্যাডলিন’ জাহাজে মোট ১২ জন মানবাধিকারকর্মী ছিলেন। তাঁরা হলেন—সুইডেনের পরিবেশবিষয়ক আন্দোলনকর্মী গ্রেটা থুনবার্গ, ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত ফরাসি নাগরিক ও ইউরোপীয় পার্লামেন্ট সদস্য রিমা হাসান, জার্মানির ইয়াসমিন আচার, ফ্রান্সের ব্যাপটিস্ট আন্দ্রে, ব্রাজিলের থিয়াগো আভিলা, ফ্রান্সের ওমর ফায়াদ, পাস্কাল মৌরিয়েরাস, ইয়ানিস মোহামদি, তুরস্কের সুলাইব ওর্দু, স্পেনের সার্জিও তোরিবিও, নেদারল্যান্ডসের মার্কো ফন রেনেস ও ফ্রান্সের রিভা ভিয়া।
গাজার প্রথম ও একমাত্র নারী মৎস্য শিকারির নামানুসারে ‘ম্যাডলিন’ জাহাজটির নামকরণ করা হয়েছে।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের কয়েক মাস আগেই দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেলোর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। অভিযানের পরও এই যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক ব্যক্তি।
১ ঘণ্টা আগে
আল-জাজিরার তেহরান প্রতিনিধি রেসুল সেরদার জানান, খামেনির বক্তব্যে আগের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত হলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন তথ্য উঠে এসেছে। সেটা হলো, প্রাণহানির সংখ্যা। তিনি বলেন, ‘এই প্রথম খামেনি নিহতের সংখ্যা নিয়ে ইঙ্গিত দিলেন। তিনি বলেছেন, সহিংস বিক্ষোভকারীরা হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
২ ঘণ্টা আগে
এই ভাষণে প্রথমবারের মতো খামেনি বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুর সংখ্যা ‘হাজার হাজার’ বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পৃক্তরা এখানে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে এবং কয়েক হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
২ ঘণ্টা আগে
ইন্দোনেশিয়ার দক্ষিণ সুলাওয়েসি প্রদেশের মারোস জেলায় ১১ জন আরোহী নিয়ে ইন্দোনেশিয়া এয়ার ট্রান্সপোর্টের (আইএটি) একটি ফ্লাইট নিখোঁজ হয়েছে। আজ শনিবার স্থানীয় সময় বেলা ১টা ১৭ মিনিটে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে বিমানটির শেষ যোগাযোগ হয়েছিল।
৩ ঘণ্টা আগে