আজকের পত্রিকা ডেস্ক

লুটপাটের অভিযোগে ৬ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে হামাস। পায়ে গুলি করে আহত করা হয়েছে আরও ১৩ জনকে। গত শুক্রবার (২ মে) হামাসের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। হামাসের বলছে, সাধারণ ফিলিস্তিনি নয়, এসব লুটেরারা মূলত সন্ত্রাসী দল। আগামী দুই দিনে সন্ত্রাসীদের প্রত্যেককে খুঁজে খুঁজে বের করে সাজা দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারিও দিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠনটি।
হামাস ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, চলতি সপ্তাহে গাজা উপত্যকায় বেশ কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে, যেখানে ভারী অস্ত্রে সজ্জিত কিছু গ্রুপ খাদ্য গুদাম এবং কমিউনিটি কিচেনে হামলা চালিয়েছে। এরপর হামাস বেশ কয়েকজন সন্দেহভাজন লুটপাটকারীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে।
হামাসের কর্মকর্তারা কিছু লুটপাটকারীর বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সঙ্গে যোগসাজশে যুক্ত থাকার অভিযোগ করেছেন। যেখানে ইসরায়েল দুই মাস ধরে গাজায় ত্রাণ সহায়তা প্রবেশ বন্ধ করে দিয়েছে।
যুদ্ধবিরতি ভেঙে গত মার্চে গাজায় আগ্রাসন পুনরায় শুরু করেছে ইসরায়েল। সেসময় থেকেই উপত্যকাটি অবরোধ করে রেখেছে ইসরায়েলি প্রশাসন। ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না কোনো ধরনের ত্রাণ সহায়তা। দুই মাসের বেশি সময় ধরে চলা এই অবরোধে গাজায় রীতিমতো দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছে। একেবারেই সীমিত হয়ে পড়েছে খাবারের মজুত। আর সেই খাবার লুট করতে গাজার রাস্তায় রাস্তায় সন্ত্রাসী সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা বেড়েছে বলে জানাচ্ছে হামাস। তাদের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সঙ্গে হাত মেলানোর অভিযোগও করেছে তারা।
২০০৭ সালে গাজার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর থেকে হামাস বেশ কয়েকজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। তাদের বেশির ভাগের বিরুদ্ধেই ইসরায়েলের হয়ে কাজ করার অভিযোগ ছিল।
গত শনিবার গাজার স্বরাষ্ট্র ও জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, একটি অপরাধী গোষ্ঠী ও দখলদারদের সহযোগী দল তৎপর হয়েছে, যারা নাগরিকদের নিরাপত্তা হুমকির মুখে ফেলছে, আতঙ্ক ছড়াচ্ছে এবং ব্যক্তিগত ও রাষ্ট্রীয় সম্পত্তিতে আক্রমণ করছে।
প্রথম ধাপের যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার পর গত ২ মার্চ থেকে গাজায় সম্পূর্ণ অবরোধ আরোপ করেছে ইসরায়েল, যাতে খাদ্য ও ওষুধসহ সব ধরনের মানবিক সহায়তা বন্ধ রয়েছে। নাসের মেডিকেল কমপ্লেক্সের শিশু বিভাগের প্রধান ড. আহমাদ আল-ফাররা সতর্ক করেছেন, ‘বর্তমান সংকট চলতে থাকলে অপুষ্টির কারণে ব্যাপক হারে বাড়তে পারে শিশুমৃত্যু।’ শনিবার সকালেই স্বাস্থ্য কেন্দ্রটিতে মৃত্যু হয়েছে দুই মাস বয়সী এক শিশুর।
এদিকে, শিগগিরই গাজায় ত্রাণ সহায়তা ঢুকবে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘কয়েক দিনের মধ্যেই এমন একটি মানবিক সহায়তা পরিকল্পনার ঘোষণা আসতে পারে, যাতে খাদ্য ও ওষুধ গাজাবাসীর কাছে পৌঁছানো যাবে—নিরাপত্তা ব্যবস্থা এখন পুরোপুরি কার্যকর। হামাসের হাতে না গিয়ে গাজার বেসামরিকরাই যাতে জরুরি সহায়তা পায় তার ব্যবস্থা করা হবে।’ তবে ঠিক কোন প্রক্রিয়ায় তা বাস্তবায়িত হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। জানা গেছে, একটি বেসরকারি সংস্থা পুরো সহায়তা কার্যক্রমের দায়িত্বে থাকবে।

লুটপাটের অভিযোগে ৬ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে হামাস। পায়ে গুলি করে আহত করা হয়েছে আরও ১৩ জনকে। গত শুক্রবার (২ মে) হামাসের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। হামাসের বলছে, সাধারণ ফিলিস্তিনি নয়, এসব লুটেরারা মূলত সন্ত্রাসী দল। আগামী দুই দিনে সন্ত্রাসীদের প্রত্যেককে খুঁজে খুঁজে বের করে সাজা দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারিও দিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠনটি।
হামাস ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, চলতি সপ্তাহে গাজা উপত্যকায় বেশ কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে, যেখানে ভারী অস্ত্রে সজ্জিত কিছু গ্রুপ খাদ্য গুদাম এবং কমিউনিটি কিচেনে হামলা চালিয়েছে। এরপর হামাস বেশ কয়েকজন সন্দেহভাজন লুটপাটকারীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে।
হামাসের কর্মকর্তারা কিছু লুটপাটকারীর বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সঙ্গে যোগসাজশে যুক্ত থাকার অভিযোগ করেছেন। যেখানে ইসরায়েল দুই মাস ধরে গাজায় ত্রাণ সহায়তা প্রবেশ বন্ধ করে দিয়েছে।
যুদ্ধবিরতি ভেঙে গত মার্চে গাজায় আগ্রাসন পুনরায় শুরু করেছে ইসরায়েল। সেসময় থেকেই উপত্যকাটি অবরোধ করে রেখেছে ইসরায়েলি প্রশাসন। ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না কোনো ধরনের ত্রাণ সহায়তা। দুই মাসের বেশি সময় ধরে চলা এই অবরোধে গাজায় রীতিমতো দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছে। একেবারেই সীমিত হয়ে পড়েছে খাবারের মজুত। আর সেই খাবার লুট করতে গাজার রাস্তায় রাস্তায় সন্ত্রাসী সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা বেড়েছে বলে জানাচ্ছে হামাস। তাদের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সঙ্গে হাত মেলানোর অভিযোগও করেছে তারা।
২০০৭ সালে গাজার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর থেকে হামাস বেশ কয়েকজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। তাদের বেশির ভাগের বিরুদ্ধেই ইসরায়েলের হয়ে কাজ করার অভিযোগ ছিল।
গত শনিবার গাজার স্বরাষ্ট্র ও জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, একটি অপরাধী গোষ্ঠী ও দখলদারদের সহযোগী দল তৎপর হয়েছে, যারা নাগরিকদের নিরাপত্তা হুমকির মুখে ফেলছে, আতঙ্ক ছড়াচ্ছে এবং ব্যক্তিগত ও রাষ্ট্রীয় সম্পত্তিতে আক্রমণ করছে।
প্রথম ধাপের যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার পর গত ২ মার্চ থেকে গাজায় সম্পূর্ণ অবরোধ আরোপ করেছে ইসরায়েল, যাতে খাদ্য ও ওষুধসহ সব ধরনের মানবিক সহায়তা বন্ধ রয়েছে। নাসের মেডিকেল কমপ্লেক্সের শিশু বিভাগের প্রধান ড. আহমাদ আল-ফাররা সতর্ক করেছেন, ‘বর্তমান সংকট চলতে থাকলে অপুষ্টির কারণে ব্যাপক হারে বাড়তে পারে শিশুমৃত্যু।’ শনিবার সকালেই স্বাস্থ্য কেন্দ্রটিতে মৃত্যু হয়েছে দুই মাস বয়সী এক শিশুর।
এদিকে, শিগগিরই গাজায় ত্রাণ সহায়তা ঢুকবে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘কয়েক দিনের মধ্যেই এমন একটি মানবিক সহায়তা পরিকল্পনার ঘোষণা আসতে পারে, যাতে খাদ্য ও ওষুধ গাজাবাসীর কাছে পৌঁছানো যাবে—নিরাপত্তা ব্যবস্থা এখন পুরোপুরি কার্যকর। হামাসের হাতে না গিয়ে গাজার বেসামরিকরাই যাতে জরুরি সহায়তা পায় তার ব্যবস্থা করা হবে।’ তবে ঠিক কোন প্রক্রিয়ায় তা বাস্তবায়িত হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। জানা গেছে, একটি বেসরকারি সংস্থা পুরো সহায়তা কার্যক্রমের দায়িত্বে থাকবে।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
২ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৫ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৫ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৬ ঘণ্টা আগে